শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২৩:৩১

সরকারের মধ্যে ভয় কাজ করছে : খসরু

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারের মধ্যে ভয় কাজ করছে : খসরু

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আইনের শাসন শুধু নয়, তাদের (সরকার) মধ্যে যে ভয় কাজ করছে, সেই ভয়ের কারণে খালেদা জিয়ার জামিন হচ্ছে না। তারেক রহমানকে মিথ্যা মামলায় দেশের বাইরে থাকতে হচ্ছে এবং রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানে তাদের ভয়-ভীতির প্রতিফলন ঘটছে। আজকে তাদের (সরকার) ভয়ের কারণে আমাদের মধ্যে যে ভয়ের সৃষ্টি হচ্ছে, এই ভয়কে ‘ভয়’ হিসেবে মেনে নেওয়ার কারণে শক্তিশালী অবস্থানে থেকেও আমরা প্রতিবাদ করতে পারছি না। কিন্তু আমদের এ ভয়কে জয় করতে হবে। জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে গতকাল ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন’ আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি একথা বলেন। ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক আবদুস সাত্তার পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস, যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, কৃষক দলের মো. মাইনুল ইসলাম, মিয়া মোহাম্মদ আনোয়ার, কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের জামিন হবে কি হবে না সেটা আলোচনার বিষয় হতে পারে না। এটা দেশের বিদ্যমান আইন হিসেবে উনার জামিন হওয়ার কথা। সেটাও বাদ দিলাম, উনার যে বয়স, উনার যে স্বাস্থ্য, যে অবস্থায় উনি আছেন, সে কারণেও জামিন দেওয়ার কথা। এটাই দেশের আইন। কিন্তু সেখানেও উনার জামিন হচ্ছে না।

তিনি বলেন, সরকারের প্রথম পদক্ষেপ ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া। ক্ষমতায় থাকতে হলে তাদের অব্যাহতভাবে এ কাজগুলো করতে হবে এবং দিনের পর দিন এ কাজগুলো খারাপের দিকে যাবে। সেটাই তারা করছে। তারা আপনাদের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে, বিএনপির ভোটাধিকার কেড়ে নেয়নি।

বিএনপি সরকারের সাবেক এ মন্ত্রী আরও বলেন, আজকে খালেদা জিয়াকে জেলে যেতে হয়েছে তাদের ভয়ের কারণে। কারণ তিনি বাইরে থাকলে তাদের বিপদ। কারণ রাজনৈতিকভাবে তাদের পরাজিত হতে হবে। ভারপ্রাপ্ত তারেক রহমানের সঙ্গে সমমান রাজনীতিবিদ আওয়ামী লীগের তরুণ জেনারেশনের মধ্যে নেই। সুতরাং মিথ্যা মামলা দিয়ে দেশের বাইরে রাখতে হবে তাকে। এখানেই শেষ নয় তাদের ভয়ভীতির কারণে গুম করতে হয় খুন করতে হয়, মিথ্যা মায়ামলা দিতে হয় এবং রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্ষমতায় থাকার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে হয়। তিনি বলেন, দেশনেত্রীর মুক্তি আজকে বড় ধরনের প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামাজিকভাবে বলেন, রাজনৈতিকভাবে বলেন, যেখানেই যাবেন নেত্রী কবে মুক্তি পাবেন- আমাদের এ প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

 


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর