শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৫ মার্চ, ২০২০ ২৩:৫৬

পোশাক কারখানা বন্ধ রাখতে বলল বিকেএমইএ

নিজস্ব প্রতিবেদক

পোশাক কারখানা বন্ধ রাখতে বলল বিকেএমইএ

রপ্তানিমুখী নিট পোশাকশিল্প মালিকদের প্রতি তাদের কারখানা বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি-বিকেএমইএ সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমান এমপি। গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেছেন, কোনো অবস্থাতেই শ্রমিকদের বেতন-ভাতা বন্ধ করা যাবে না। দেশে যেন কোনো শ্রমিক-অসন্তোষ দানা না বাঁধে, সে ব্যাপারে মালিকদের সজাগ থাকতে হবে।

 শ্রমিকদের বিগত বকেয়াসহ সব পাওনার সঙ্গে চলতি মাচের বেতন সমন্বয় করে সময়মতো প্রদানের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ব্যত্যয় ঘটানো যাবে না। এটা সম্পূর্ণই পোশাকশিল্প মালিকের দায়িত্ব।

গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে পোশাকশিল্প মালিকদের নয়টি নির্দেশনা জারি করে এসব কথা বলেন বিকেএমইএ সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমান। তিনি বলেছেন, ‘করোনাভাইরাস মহামারী রূপ ধারণ করায় নিট পোশাকশিল্পে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে রপ্তানি কার্যাদেশ বা এ-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম না থাকলে কারখানা চালানোর কোনো প্রয়োজন নেই। জনসমাগম যত কম হবে, ততই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমবে। একজন শ্রমিক আক্রান্ত হলে আমরা আরও বেশি বিপদগ্রস্ত হব। কারখানা ছুটিকালীন শ্রমিকরা যে যেখানে অবস্থান করছেন, সেখানেই অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে। এটা ঈদ বা উৎসবের ছুটি নয়। তাই যে যেখানে আছেন, সেখানেই থাকতে হবে।’

বিকেএমইএ বলেছে, পোশাকশিল্প মালিকরা সম্পূর্ণ নিজস্ব ঝুঁকি ও দায়িত্বে কারখানা খোলা রেখে পরিচালনা করতে পারেন। কারণ, আমরা এ মুহূর্তেই পুরো খাত বন্ধ করার সিদ্ধান্ত দিতে পারিনি। তবে পরিস্থিতি যেভাবে নাজুক হচ্ছে, যে কোনো মুহূর্তেই দেশে কারফিউ বা লকডাউন হতে পারে। তবে কারখানা কোনো মালিক চালু রাখলে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হাত থেকে শ্রমিক, কর্মকর্তা ও মালিকদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যগত সুরক্ষার সব নিয়ম মেনে চলতে হবে। যে কোনো সমস্যা শ্রমিকদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করে সমাধান করতে হবে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত কাজও বিপদগ্রস্ত করতে পারে।

বিকেএমইএ বলেছে, ছুটির পরে কারখানা চালুর সময় অবশ্যই শ্রমিক, কর্মকর্তাসহ সবার মেডিকেল চেকআপ করতে হবে। তাদের কোনো রোগ না থাকার বিষয়টি সুনিশ্চিত হয়েই কারখানাগুলোয় প্রবেশ করাতে হবে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর