শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১ এপ্রিল, ২০২০ ২৩:৫৬

কর্মচারীদের বেতন দিতে টাকা চাইল দোকান মালিকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

কর্মচারীদের বেতন দিতে টাকা চাইল দোকান মালিকরা

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে প্রায় এক কোটি কর্মচারীর বেতন প্রদানের জন্য আড়াই হাজার কোটি টাকার ঋণ তহবিল গঠনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। সংগঠনটি ঘোষণা দিয়েছে-ওই তহবিল থেকে ঋণ নিয়ে দোকান কর্মচারীদের মূল বেতনের অর্ধেক হিসেবে সর্বোচ্চ ৭ হাজার টাকা প্রদান করবেন মালিকরা। গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানিয়েছে দোকান মালিক সমিতি। সংগঠনটির সভাপতি হেলাল উদ্দিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারি ঘোষণা মোতাবেক দোকান ও মার্কেটসমূহ বন্ধ রাখার কারণে সারা দেশে ৫৩ লাখ ৭২ হাজার ৭১৬টি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ৯৭ লাখ ১৩ হাজার ৯২৯ জন কর্মচারী এখন ঘরে অবস্থান করছেন। তাদের বেতন প্রদানের আংশিক প্রয়োজন মেটাতে কমপক্ষে আড়াই হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করা হোক। কারণ ক্ষুদ্র পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন নগদ টাকা লেনদেন করেন। আবার নগদ টাকায় বেতন পরিশোধ করেন। কিন্তু এখন দোকান বন্ধ থাকায় কিছু করতে পারছেন না। ফলে ক্ষুদ্র পাইকারি ও খুচরা প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন মোট ক্ষতির পরিমাণ এক হাজার ৭৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এসব দোকানে প্রতিদিন গড় বিক্রির পরিমাণ ২০ হাজার টাকা। যা থেকে ১০ শতাংশ লভ্যাংশ করেন মালিকরা।

দোকান মালিক সমিতি বলেছে, প্রতি কর্মচারীর গড় মাসিক বেতন ১৫ হাজার টাকা হিসাবে, তাদের আশিংক বেতন হিসেবে সর্বোচ্চ ৭ হাজার টাকা প্রদানের জন্য ওই ঋণ তহবিল গঠনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করছি। এ তহবিল থেকে ক্ষুদ্র পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা বিনা সুদে ঋণ পাবে। প্রাপ্ত ঋণ থেকে কর্মচারীদের জীবিকা নির্বাহের ব্যবস্থা করা হবে।

এ ঋণ শুধুমাত্র তারা পাবেন, যাদের দোকানে কর্মচারীর সংখ্যা ১৫ জন বা তার নিচে। আগামী এক বছরের জন্য এ ঋণ দিতে হবে। যা ছয় মাস পর থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ফেরত প্রদান শুরু করবেন। ইতিমধ্যে যে সব ব্যবসায়ীর ঋণ রয়েছে, তাদের কিস্তি পরিশোধের জন্য ছয় মাস সময় দেওয়া হোক। এক্ষেত্রে চক্র বৃদ্ধি হারে সুদ আদায় বন্ধ করতে হবে।


আপনার মন্তব্য