শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৮ মে, ২০২০ ২৩:৩৯

বাজেটে তামাক পণ্যের কর ও মূল্য বৃদ্ধির আহ্বান

দেশের তামাকবিরোধী সংগঠনগুলো তামাকসেবনে জনগণকে বিশেষত তরুণ সমাজকে নিরুৎসাহিত করার লক্ষ্যে আসন্ন জাতীয় বাজেটে (২০২০-২১ অর্থ বছর) তামাকপণ্যের কর ও মূল্য বৃদ্ধির জন্য সরকারের প্রতি আহ্বন জানিয়েছে। প্রজ্ঞা এবং অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স-আত্মা’র উদ্যোগে তামাকবিরোধী সংগঠন এসিডি, ঢাকা আহছানিয়া মিশন, ইপসা, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, তামাকবিরোধী নারী জোট (তাবিনাজ) এবং বিটা তাদের বাজেট প্রস্তাব রবিবার গণমাধ্যমের কাছে তুলে ধরে। সংগঠনগুলোর বাজেট প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকী, তামাকবিরোধী মঞ্চের আহ্বায়ক অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমদ, বিআইডিএসের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. নাজমিন আহমেদ ও রিসার্চ ডিরেক্টর ড. মাহফুজ কবীর। বিজ্ঞপ্তি

সংগঠনগুলো তাদের প্রস্তাবে সুনির্দিষ্ট কর পদ্ধতি প্রবর্তন, সিগারেটে ২টি মূল্যস্তর এবং তামাকপণ্যের খুচরা মূল্যের ওপর ৩ শতাংশ সারচার্জ আরোপের দাবি জানিয়ে বলেছে, দাবি বাস্তবায়ন করা হলে ১১ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত রাজস্ব আয় অর্জিত হবে, যা সরকার কোভিড-১৯ মহামারী সংক্রান্ত স্বাস্থ্য ব্যয় এবং প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নে ব্যয় করতে পারবে। এছাড়া, দীর্ঘমেয়াদে ৬ লক্ষ ধূমপায়ীর অকাল মৃত্যু রোধ করা সম্ভব হবে এবং প্রায় ২০ লক্ষ ধূমপায়ী ধূমপান ছেড়ে দিতে উৎসাহিত হবে। একইসাথে করোনার মতো যেকোন ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস পাবে।

সংগঠনগুলো স্মরণ করিয়ে দেয় যে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তামাককে করোনা সংক্রমণ সহায়ক হিসেবে চিহ্নিত করে এর ব্যবহার নিরুৎসাহিত করার কথা বলছে। ধূমপানের কারণে শ্বাসতন্ত্রের নানাবিধ সংক্রমণ এবং শ্বাসজনিত রোগ তীব্র হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ বিষয়ে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের বিভিন্ন গবেষণা পর্যালোচনা করে ডব্লিউএইচও জানিয়েছে যে, অধূমপায়ীদের তুলনায় ধূমপায়ীদের কোভিড-১৯ সংক্রমণে মারাত্মকভাবে অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। এই সতর্কতা আমলে নিলে দেশে বর্তমানে প্রায় ৪ কোটি তামাক ব্যবহারকারী মারাত্মকভাবে করোনা সংক্রমণ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বিজ্ঞপ্তি


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর