শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৫ নভেম্বর, ২০২০ ০১:৫০

বিজনেস টক

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : মাতলুব আহমাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : মাতলুব আহমাদ

এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে সরকার পরিবর্তন হলেও বাংলাদেশের সঙ্গে দেশটির বাণিজ্যে কোনোরকম নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। করোনার কারণে বর্তমানে আমাদের রপ্তানি কমে গেলেও ভবিষ্যতে এটা ভালো হবে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নীতির কোনো পরিবর্তন বাইডেন সরকার করবে না। তাই বাংলাদেশের ক্ষতি হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিন বিজনেস টক শীর্ষক অনলাইন আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনায় সঞ্চালক ছিলেন শামীমা দোলা। মাতলুব আহমাদ বলেন, সরকার পরিবর্তন হবে। গণতান্ত্রিকভাবে সব দেশেই সরকার পরিবর্তন হয়। যুক্তরাষ্ট্রেও সরকার পরিবর্তন হয়েছে। এটা স্বাভাবিক বিষয়। এই পরিবর্তনের সঙ্গে অর্থনৈতিক নীতি পরিবর্তনের কোনো সম্পর্ক নেই। তাই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যে কোনো প্রভাব পড়বে না। তিনি বলেন, ২০০৫ সালে রপ্তানিতে বাংলাদেশের জন্য বিশেষ সুবিধা বাতিল করে যুক্তরাষ্ট্র। তখন বলা হয়েছিল, আমাদের গার্মেন্ট খাত ধ্বংস হয়ে যাবে। কিন্তু আমাদের ব্যবসা আরও ভালো করেছে। বাংলাদেশে সস্তা শ্রম ও দক্ষ শ্রমিক একই সঙ্গে পৃথিবীর আর কোথাও পাওয়া যাবে না। ভারত, ভিয়েতনাম, চীনেও এটা সম্ভব নয়। তাই যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতারা এখানে আসবেনই। আমাদের সামনে চ্যালেঞ্জ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের পলিসি নিয়ে। তারা চায়না থেকে সরে আসবে। সরে আসার পরে তারা কোথায় যাবে? ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অনেক বিনিয়োগ হয়েছে। তাদের সরকার চাচ্ছে সেখানেই বিনিয়োগ হোক। কিন্তু সস্তা শ্রম হিসেবে বাংলাদেশ আকর্ষণীয় জায়গা হতে পারে। সে জন্য বাংলাদেশের উদ্যোগ নিতে হবে। বাইডেনের সময় আমাদের ব্যবসা আরও ভালো হবে। এতে কোনো সন্দেহ নেই। বড় বড় দেশ তাদের মূলনীতি ধরে রাখে। গার্মেন্ট খাতে চায়নার পরেই আমরা। তাই আমাদের শক্তি অনেক। সস্তায় নিতে চাইলে অবশ্যই বাংলাদেশে আসবে।

তিনি বলেন, করোনা আমাদের বাধা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি গার্মেন্ট শিল্প বাঁচিয়ে রেখেছেন। এ ছাড়া রেমিট্যান্স আসছে প্রচুর। যুক্তরাষ্ট্রের বাজার আমাদের অগ্রগতির দিকে নিয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে অনেক পণ্য যুক্ত হয়েছে রপ্তানি খাতে। প্রযুক্তি, প্লাস্টিক, লেদার পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। আগামী দুই বছরে রেশিও হিসেবে অনেক পণ্য রপ্তানি হবে। বাংলাদেশ যদি ওষুধ বিক্রি করতে পারে সেটা আমাদের জন্য বড় অর্জন হবে। বাংলাদেশের বাজার বিশালভাবে বাড়বে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর