শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১২ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:৩৬

কোনো কারণ ছাড়াই বাড়ছে চালের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর

Google News

রংপুরে ভারতীয় চাল নুরজাহান এসেও কমাতে পারছে না দেশি মিনিকেটসহ অন্যান্য চালের দাপট। বাজারে প্রচুর সরবরাহ থাকলেও কমছে না চালের দাম। লাগামহীন চালের দাম বাড়াতে বাজার মনিটরিংয়ের দাবি জানিয়েছেন ভোক্তারা। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রকার ভেদে চালের বস্তাপ্রতি দাম বেড়েছে ১০০ টাকা। মিলারদের ও এক শ্রেণির ব্যবসায়ীদের  সিন্ডিকেটের কারণে চালের মূল্য বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন ব্যবসায়ীরা। ভারতীয় চাল প্রবেশ করায়  বাজারে চালের কোনো সংকট নেই। এই সুবাধে বাজারে দেশি চালের দাম কমার কথা। কিন্তু বাস্তবে কোনো প্রভাব ফেলেনি ভারতীয় চাল। এক কথায় কোনো কারণ ছাড়াই বাড়ছে চালের দাম।

সিটি বাজারসহ বিভিন্ন চাল বাজারের খুচরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েকদিন আগেও মিনিকেট চাল বিক্রি হয়েছিল ৫২ টাকা কেজি দরে। বর্তমানে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬২ টাকায়। নাজিরশাইল চালের দামও কেজিতে ৫ থেকে ৭ টাকা বেড়ে ৬৪ থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভারতীয় আমদানি করা নূরজাহান চালের বস্তা (৫০ কেজি) বর্তমান বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ১০০  থেকে ২ হাজার ২০০ টাকায়।

নগরীর মাহিগঞ্জ এলাকার চালের আড়তদার চৌধুরী ট্রেডার্স পরিচালক মিলন শিকদার জানান, গত সপ্তাহে মিনিকেট (৫০ কেজি) বস্তা ছিল ৩ হাজার টাকা। বর্তমান বাজার মূল্য ৩ হাজার ১০০ টাকা। গত সপ্তাহে বিআর ২৮ ( ৮৪ কেজি) বস্তা ছিল ৩ হাজার ৩৫০ টাকা, বর্তমান বাজার মূল্য ৩ হাজার ৪৫০ টাকা। ৪৯ চালের বস্তা (৮৪ কেজি) গত সপ্তাহে ৩ হাজার ৬০০ টাকা। বর্তমানে ৩ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পাইজাম ( ৫০ কেজি) বস্তা ছিল ২ হাজার ৩০০ টাকা। বর্তমানে ২ হাজার ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মোটা চালের মধ্যে গুটি স্বর্ণা ( ৮৪ কেজি) বস্তা ছিল ৩ হাজার ৪০০ টাকা। বর্তমান মূল্য ৩ হাজার ৫০০ টাকা।

 সিটি বাজারের চাল ব্যবসায়ী গুলশান আহমেদ বলেন, চালের যে অস্বাভাবিক দাম বেড়েছে তার মূল কারণ ছোট ছোট হাসকিং মিলগুলো এখন চলে না। বড় অটো রাইসমিলগুলো মজুদ করে চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে।

এই বিভাগের আরও খবর