বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে মেডিসিন, সার্জারি ও বক্ষব্যধিসহ বিভিন্ন বিভাগে হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে।
এছাড়া জ্বর, সর্দি ও হাঁচি কাশির রোগীদের জন্য বেতার ভবনে পৃথক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়ার নেতৃত্বে প্রশাসন চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে এই হেল্পলাইন চালুসহ সময়োপযোগী নানামুখী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
হেল্পলাইন : রোগীরা জরুরি প্রয়োজনে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত মেডিসিন বিভাগ-০১৪০৬-৪২৬৪৩৭, ০১৪০৬-৪২৬৪৩৮, সার্জারি বিভাগ-০১৪০৬-৪২৬৪৩৯, নাক, কান, গলা বিভাগ-০১৪০৬-৪২৬৪৪০, বক্ষব্যধি-০১৪০৬-৪২৬৪৪১, অবস অ্যান্ড গাইনী-০১৪০৬-৪২৬৪৪২, শিশুবিভাগ-০১৯৮৪-৫১৯৫২৫,০১৯৫১-৮২০৮৪৩ নম্বরে কল করে চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন।
এর মধ্যে শিশু বিভাগ থেকে নিজস্ব উদ্যোগে গত দু’ সপ্তাহ ধরে হেল্প লাইনের মাধ্যমে রোগীদের সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। রোগীরা যাতে হাসপাতালে না এসেও চিকিৎসাসেবা নিতে পারেন সেজন্য এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
বেতার ভবনে পৃথক স্বাস্থ্যসেবা : জ্বর সর্দি হাঁচি কাশির রোগীদের জন্য শাহবাগস্থ বাংলাদেশ বেতার ভবনের নীচতলায় ‘ফিভার ক্লিনিক’ চালুর মাধ্যমে পৃথক স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসকরা সমন্বিতভাবে চিকিৎসাসেবা প্রদান করছেন। সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এই ধরণের রোগীরা ফিভার ক্লিনিকে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন।
বহির্বিভাগের চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বহির্বিভাগে ইন্টার মেডিসিন বিভাগ, জেনারেল অবস এন্ড গাইনী বিভাগ, জেনারেল পেডিয়াট্রিক্স (শিশু) বিভাগ, জেনারেল সার্জারি বিভাগ ও ডেন্টালের সকল বিভাগের চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম অব্যাহত আছে। অন্য সকল বিভাগে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের জন্য জরুরি চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম চালু রয়েছে। সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত রোগীরা এই সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
জরুরি বিভাগসমূহের কার্যক্রম: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিউরোসার্জারি বিভাগ, অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগ, কার্ডিওলজি বিভাগ, অবস এন্ড গাইনী বিভাগ, নবজাতক বিভাগে বিদম্যান জরুরি চিকিৎসাসেবা প্রদান অব্যাহত রয়েছে।
করোনা ভাইরাস পরীক্ষার ল্যাব পরিদর্শন: সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বাংলাদেশ বেতার ভবনের দ্বিতীয় তলায় করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) পরীক্ষার জন্য ল্যাব প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।
বিডি প্রতিদিন/এনায়েত করিম