শিরোনাম
প্রকাশ : ১৮ জুন, ২০২১ ১৬:৫৪
প্রিন্ট করুন printer

জেলায় সংক্রমণ হার ৫০ শতাংশ, ফকিরহাটে ৬৫. ২১

বাগেরহাটে করোনার নতুন হটস্পট পাঁচ উপজেলা

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটে করোনার নতুন হটস্পট পাঁচ উপজেলা
করোনার হটস্পট মোংলা উপজেলায় তৃতীয় দফায় আরও ৭ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে প্রশাসন
Google News

বাগেরহাটে করোনা সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। বাগেরহাট জেলায় করোনা সংক্রমণের হার শুক্রবার বেড়ে ৫০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আর ফকিরহাট উপজেলায় করোনা সংক্রমণের হার ৬৫. ২১ শতাংশ। রামপাল উপজেলায় সংক্রমণের হার ৬২.৫ শতাংশ। করোনার হটস্পট মোংলায় উপজেলায় সংক্রমণের হার এখনো ৫০ শতাংশ।

মোংলার পাশাপাশি নতুন হটস্পট হয়েছে ৫ উপজেলা- ফকিরহাট, রামপাল, বাগেরহাট সদর, শরণখোলা ও মোরেলগঞ্জ। বাগেরহাট স্বাস্থ্য বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বাগেরহাট স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, বাগেরহাট জেলায় গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে আরও ৮৯ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এই সময়ে ১৭৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। মোংলায় ২০টি নমুনা পরীক্ষায় ১০ জন করোনা শনাক্ত হয়েছে, যা আগের ২৪ ঘণ্টার তুলনায় প্রায় ৫ শতাংশ বেশি। নতুন করে করোনার হটস্পট হয়ে ওঠা ফকিরহাটে ২৩টি নমুনা পরীক্ষায় ১৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে, যা এর আগের ২৪ ঘণ্টার তুলনায় ৪ শতাংশ বেশি। বাগেরহাট সদরে ৪১টি নমুনা পরীক্ষায় ১৯ জন করোনা শনাক্ত হয়েছে। সদরে করোনা সংক্রমণের হার ৪৬.৩৪ শতাংশ। মোংলার পাশাপাশি ফকিরহাট, রামপাল, বাগেরহাট সদর, শরণখোলা ও মোরেলগঞ্জ উপজেলা করোনা সংক্রমণের নতুন হটস্পটে প্রতিদিনই আশঙ্কাজনক হারে করোনা আক্রান্ত বেড়েই চলেছে।

এদিকে, করোনার হটস্পট মোংলা উপজেলায় তৃতীয় দফায় আরও ৭ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে প্রশাসন। তবে কঠোর বিধিনিষেধ ও স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে সাধারণ মানুষের চলাফেরা বেড়েছে। হাটবাজারে রয়েছে মানুষের উপচেপড়া ভিড়। প্রশাসনের আরোপ করা কঠোর বিধিনিষেধ কেউ মানছেন না। খেয়া নৌকাতে গাদাগাদি করে যাত্রী পারাপার চলছে। ফলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে। প্রশাসনের আরোপিত কঠোর বিধিনিষেধ ২৩ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদার।

বাগেরহাট জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, জেলায় এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ৫৬৬ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬৩ জন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২০ জন। বাগেরহাটে দ্বিতীয় ঢেউয়ে গত মার্চ মাস থেকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। চিকিৎসার জন্য ৫০ শয্যার একটি করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। রয়েছে সেন্ট্রাল অক্সিজেনের সরবরাহ ব্যবস্থা। 

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ


 

এই বিভাগের আরও খবর