শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ নভেম্বর, ২০১৯ ২৩:৪৩

দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্য ‘আনন্দালয়’

দিনাজপুর প্রতিনিধি

দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্য ‘আনন্দালয়’

দিনাজপুরের প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রতিবন্ধী সেবাকেন্দ্র ও ব্যতিক্রমী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘আনন্দালয়’। প্রতিষ্ঠানের ভবনটি দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন। বিরল উপজেলার মঙ্গলপুর ইউনিয়নের রুদ্রপুর গ্রামে পরিবেশবান্ধব বিশেষভাবে তৈরি এ ‘আনন্দালয়’ গড়ে তুলেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘দীপশিখা’। এখানে প্রতিবন্ধীদের শিক্ষা, ব্যয়ামের ব্যবস্থাসহ রয়েছে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের সুযোগ। মাটির তৈরি এ দ্বিতল ভবনটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৭৩ লাখ টাকা। এই দীপশিখা চত্বরে অবস্থিত প্রকৃতি বান্ধব, ভিন্নধর্মী নির্মাণশৈলী দিয়ে নির্মিত আরেকটি ‘মেটি স্কুল’। যে স্কুলটির ভবন ভিন্নধর্মী স্থাপত্য শিল্পের জন্য ২০০৭ সালে আগা খান আর্কিটেকচার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছিল। প্রত্যন্ত এলাকা হলেও স্কুলটির কল্যাণে এখন দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে বিখ্যাত এই গ্রাম। স্কুলটির নির্মাণশৈলী দেখার জন্য দিন দিন বাড়ছে দেশি-বিদেশি শিক্ষার্থীসহ পর্যটক। জানা যায়, ‘মেটি স্কুল’ ও ‘আনন্দালয়’ নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে মাটি, খড়, বালু ও বাঁশ, দড়ি, খড়, কাঠ, টিন, রড, ইট ও সিমেন্ট। মাটি ও খড় মেশানো কাঁদা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে দেয়াল। দেয়ালের প্লাস্টারে ব্যবহার করা হয়েছে মাটি ও বালু। মেঝের প্লাস্টারে পামওয়েল ও সাবানের পেস্ট ব্যবহার করা হয়েছে, যা সাধারণভাবে ওয়াটারপ্রুফ। মেটি স্কুলের ৯ ফিট উচ্চতার ওপরে প্রথম তলায় ছাদ হিসেবে বাঁশের চাটাই দিয়ে মাটির আবরণ দেওয়া হয়েছে। দোতলার ছাদে বাঁশের সঙ্গে দেওয়া হয়েছে কাঠ। সর্ব ওপরে দেওয়া হয়েছে টিন। ঘরের ভীত তৈরিতে শুধু ব্যবহার করা হয়েছে ইট। এ দুটি ভবনের ভিতরে তীব্র গরম বা শীত অনুভব হবে না। রয়েছে আলো-বাতাসের গমনের ব্যবস্থা। ঘরগুলোও পরিবেশবান্ধব। এছাড়াও প্রতিবন্ধীদের চলাচলের সুবিধায় বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে।


আপনার মন্তব্য