শিরোনাম
প্রকাশ : ২০ এপ্রিল, ২০১৯ ১৩:৪০
প্রিন্ট করুন printer

মোরেলগঞ্জে নুসরাতের ঘাতকদের দ্রুত বিচারের দাবি

মোরেলগঞ্জ প্রতিনিধি

মোরেলগঞ্জে নুসরাতের ঘাতকদের দ্রুত বিচারের দাবি

বর্তমান সময়ের নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের শিকার নুসরাত জাহান রাফির ঘাতকদের দ্রুত বিচারের দাবিতে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে মানববন্ধন ও শোক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বেলা ১১টায় ‘মানব কল্যাণে আমরা’ সংগঠনের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। 

মানববন্ধনে পৌরসভা মেয়র অ্যাডভোকেট মনিরুল হক তালুকদার ও পৌর এলাকার সরকারি এসএম কলেজ, এসিলাহা উচ্চ বিদ্যালয়, লতিফিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, কেজি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, আবু হুরায়রাহ দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। 

মানববন্ধনে ব্যবহৃত ব্যানার, পোস্টার ও প্ল্যাকার্ডে নুসরাত জাহান রাফি হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা সিরাজ-উদ-দৌলার ফাঁসিসহ সকল আসামির দ্রুত বিচারের দাবি জানানো হয়।
  
বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:১৪
প্রিন্ট করুন printer

দিনাজপুরে ট্রাকপাচায় মোটরসাইকেলের তিন আরোহী নিহত

অনলাইন ডেস্ক

দিনাজপুরে ট্রাকপাচায় মোটরসাইকেলের তিন আরোহী নিহত
প্রতীকী ছবি

দিনাজপুরের বিরল উপজেলায় ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেলের তিন আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর ট্রাকের চালক ও হেলপাররা পালিয়ে যান।  

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টায় দিনাজপুর-বোচাগঞ্জ সড়কের বিরল উপজেলার ফরক্কাবাদ ইউনিয়নের জয়নুল মুদিখানা বাজারের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, বিরল উপজেলার ২ নম্বর ফরক্কাবাদ ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে লাজু ইসলাম (২৫), শরিফ উদ্দীনের ছেলে মামুন হোসেন (৩০) ও মোজামের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩০)।

বিরল ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মো. আজাহারুল ইসলাম জানান, বোচাগঞ্জ থেকে ধানবোঝাই একটি ট্রাক ঢাকা যাচ্ছিল। পথে ফরক্কাবাদ ইউনিয়নের জয়নুল মুদিখানা বাজারের পাশে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলকে সামনে থেকে চাপা দেয়। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তিন আরোহীর মৃত্যু হয়।
 
পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দিনাজপুর ও বিরল স্টেশনের যৌথ সহযোগিতায় থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার পরে স্থানীয় জনতা ওই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়।

বিরল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাসিম হাবিব জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহত তিন জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। ট্রাক ও মোটরসাইকেল পুলিশ হেফাজতে নিয়ে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। 

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৩:০০
প্রিন্ট করুন printer

টেকনাফ হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

আব্দুস সালাম,টেকনাফ (কক্সবাজর)

টেকনাফ হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ড. মোঃ শাহাদাৎ হোসেন মাহমুদ।

মঙ্গলবার বিকালে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে আসলে অতিথিদেরকে ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। এরপর ইনফ্লুয়েঞ্জা (ফ্লু) কর্ণার, বঙ্গবন্ধু গার্ডেন ও কিডস্ কর্ণার (শিশুদের জন্য) উদ্বোধন করা হয়। 

এছাড়া ১০ জন প্রতিবন্ধী রোগীকে ৫টি হুইল চেয়ার, ২ টি কমেট চেয়ার, ২টি ক্রাস, ১টি স্পাইনাল চেয়ার প্রদান ও শিশু রোগীদের ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন। শেষে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

এ সময় প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মোঃ শাহাদাৎ হোসেন মাহমুদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডাঃ হাসান শাহরিয়ার কবীর। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউএনএফপিএ টেকনিক্যাল অফিসার রাহাতআরা নুর।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ শাহাদাৎ হোসেন মাহমুদ সারাদেশে ৪৯২টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মধ্যে এইচএসএস স্কুলে টেকনাফ হাসপাতাল প্রথম হওয়ায় এবং টেলিমেডিসিন সেবায় সারাদেশের মধ্যে প্রথম অবস্থানে থাকায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ টিটু চন্দ্র শীল এবং  সকল চিকিৎসক ও কর্মচারীবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। বঙ্গবন্ধু কর্ণার ও ভেষজ বাগান একসাথে হওয়ায় টেকনাফ কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান তিনি। এছাড়া মানসম্মত সেবা প্রদান অক্ষুন্ন রাখতে বিভিন্ন দিক নির্দেশনামূলক পরামর্শ প্রদান করেন।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা ডাক্তার টিটু চন্দ্র শীল।

স্বাগত বক্তব্যে টিটু চন্দ্র শীল বলেন, জাতীয়ভাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে প্রকাশ করা এইচএসএস ফলাফলে সারা বাংলাদেশে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১ম হয়েছে। গত নভেম্বর মাসে সারাদেশে ৪৯২টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে র‌্যাংকিংয়ের মধ্যে ৭৯ নম্বরে থাকলেও ডিসেম্বর মাসে ১ম স্থান অর্জন করতে পেরে আমি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীগণকে ও টেকনাফ উপজেলার সকল জনসাধারণকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ ও সাধুবাদ জানায়। সেই সফলতার ধারাবাহিকতা যাতে অব্যাহত থাকে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

তিনি আরো বলেন, কক্সবাজার জেলার মধ্যে উপজেলা পর্যায়ে সবচেয়ে বেশী অপারেশন হয় টেকনাফ উপজেলা স্থাস্থ্য কমপ্লেক্সে। এরসাথে টেলিমেডিসিন সেবাতেও প্রতি সপ্তাহে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১ম স্থান অধিকার করেন। এই হাসপাতালের সেবার মান নিয়ে সবদিক দিয়ে রোগীরা সন্তুষ্ট। 

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক বিষয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করেন মেডিকেল অফিসার ডাঃ সাকিয়া হক।

মতবিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ এনামুল হক, মেডিকেল অফিসার (এমওসিএস) ডা. প্রণয় রুদ্র, এসিএফ এর ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোঃ মোতাহের হোসেন, শেড এর প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মোঃ মাসুদ রানা ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মরত সকল মেডিকেল অফিসার, সিনিয়র স্টাফ নার্স, মিডওয়াইফ এবং অন্যান্য কর্মকর্তা / কর্মচারীবৃন্দ এবং সহযোগী সংস্থা এর কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক উখিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন ।


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২২:১৯
প্রিন্ট করুন printer

নারায়ণগঞ্জে ৪ ইটভাটা মালিককে ৩৫ লাখ টাকা জরিমানা

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জে ৪ ইটভাটা মালিককে ৩৫ লাখ টাকা জরিমানা

নারায়ণগঞ্জের ৩টি উপজেলায় ৬টি ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে দুটি অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। এছাড়া ৪টি ইটভাটাকে ৩৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ওই ইটভাটাগুলো স্কুল, আবাসিক ও পৌর এলাকায় পরিচালিত হচ্ছিল।

মঙ্গলবার দিনব্যপী পরিবেশ অধিদফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু হাসানের নেতৃত্বে পরিবেশ অধিদপ্তর নারায়ণগঞ্জ কার্যালয়, পুলিশ ও র‌্যাব-১১ এর সমন্বয়ে গঠিত একটি টিম নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ, বন্দর ও আড়াইহাজার উপজেলায় ৬টি ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে। এসময় পরিবেশ অধিদপ্তর নারায়ণগঞ্জ কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ইটভাটাগুলো পরিবেশগত ছাড়পত্র বিহীনভাবে আবাসিক এলাকা, পৌরসভা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন স্থানে পরিচালিত হচ্ছে। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপনে আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের কারণে অবৈধ ইটভাটাগুলোতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। পরিবেশ সুরক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তর নারায়ণগঞ্জ কর্তৃক অবৈধ ইটভাটা বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:৩০
প্রিন্ট করুন printer

কুমিল্লায় যুবলীগ কর্মী হত্যা মামলায় সিটি কাউন্সিলর গ্রেফতার

কুমিল্লা প্রতিনিধি:

কুমিল্লায় যুবলীগ কর্মী হত্যা মামলায় সিটি কাউন্সিলর গ্রেফতার

কুমিল্লার আলোচিত যুবলীগ কর্মী জিল্লুর রহমান চৌধুরী ওরফে গোলাম জিলানী হত্যা মামলার আসামি সিটি কাউন্সিলর আবদুস সাত্তারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানী ঢাকার শাহবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিবিআই, কুমিল্লার পরিদর্শক মো.মতিউর রহমান। গ্রেফতার সাত্তার নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং জিল্লুর হত্যা মামলার দুই নম্বর আসামি।

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত বছরের ১১ নভেম্বর নগরীর চৌয়ারা এলাকায় যুবলীগ কর্মী জিল্লুর রহমান চৌধুরীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী। ঘটনার পরদিন তাঁর ভাই ইমরান হোসেন চৌধুরী সদর দক্ষিণ থানায় ২৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০/১৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আলোচিত এ মামলাটি প্রথমে তদন্ত করে সদর দক্ষিণ থানা পুলিশ। সর্বশেষ গত ১ ডিসেম্বর মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই, কুমিল্লা। কাউন্সিলর সাত্তার গ্রেপ্তারের খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী ইমরান হোসেন চৌধুরী। 

এদিকে ২০১৮ সালের ২৬ নভেম্বর রাতে নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের শামবক্সি (ভল্লবপুর) এলাকায় সন্ত্রাসীরা মোটরসাইকেলে করে এসে ছাত্রলীগ নেতা দেলোয়ারকে মাথায় গুলি করে হত্যা করে। দেলোয়ার কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদকের পদে ছিলেন। এ ঘটনার পরদিন নিহতের বড় ভাই মো.শাহাদাত হোসেন নয়ন বাদী হয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলাটিও থানা ও ডিবি পুলিশ পর তদন্ত শুরু করে পিবিআই, কুমিল্লার সদস্যরা। গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর পিবিআইয়ের সদস্যরা এ মামলায় সদর দক্ষিণ থানার নোয়াগ্রাম গ্রামের সফিকুর রহমান রহমানের ছেলে আনোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করে। আনোয়ার মামলার প্রধান আসামি রেজাউলের বিশ্বস্ত সহযোগী। ওইদিন পিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদে সে দেলোয়ার হত্যাকাণ্ডের পুরো ঘটনা স্বীকার করে। এরপর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় আনোয়ার। আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে আনোয়ার জানায়, দেলোয়ারকে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী কাউন্সিলর আবদুস সাত্তার।  

দেলোয়ার হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই, কুমিল্লার পরিদর্শক মো.মতিউর রহমান এবং জিল্লুর হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক বিপুল চন্দ্র দেবনাথ বলেন, গ্রেফতারকৃত সাত্তারকে আলোচিত এই দু’টি হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে বুধবার কুমিল্লার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে। জিল্লু হত্যা মামলায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে। দেলোয়ার হত্যা মামলায় একজন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এজন্য ওই মামলায় তাকে আর জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন নেই। 

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:৩২
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:৩৭
প্রিন্ট করুন printer

নাটোর পৌরসভার প্যানেল মেয়র মাসুমকে খুঁজছে পুলিশ!

নাটোর প্রতিনিধি:

নাটোর পৌরসভার প্যানেল মেয়র মাসুমকে খুঁজছে পুলিশ!
আরিফুর রহমান মাসুম

চাঁদা না দেওয়ার কারণে ঠিকাদারের প্রতিনিধির ওপর হামলার ঘটনায় নাটোর পৌরসভার কাউন্সিলর প্যানেল মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুর রহমান মাসুমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন নাটোর শহরের ঠিকাদার মেসার্স পিংকি কন্সট্রাকশনের মালিক আশফাকুল ইসলাম।

সোমবার রাতে তিনি নাটোর সদর থানায় কাউন্সিলর আরিফুল ইসলাম মাসুমের নামে মামলা দায়ের করেন। এই ঘটনার পর থেকে কাউন্সিলর মাসুমকে আটকের জন্য খুঁজছে পুলিশ।সকালে কাউন্সিলর মাসুমের আলাইপুরস্থ নিজ বাড়িতে অভিযান চালায় নাটোর সদর থানা পুলিশ। এসময় পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে বাড়ির পিছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যায় সে। তাকে আটকের জন্য জেলা পুলিশের বেশ কয়েকটি টিম কাজ করছে।

নাটোর পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, মেসার্স পিংকি কন্সট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কার্যাদেশ মোতাবেক শহরের মিরপাড়া এলাকায় একটি নর্দমা (আরসিসি ড্রেন) নির্মাণ করছে। প্রতিষ্ঠানটির মালিক আশফাকুল ইসলাম মঙ্গলবার সকাল থেকে নর্দমা নির্মাণের কাজ অনির্দ্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছেন। একইসাথে তিনি কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হওয়ার কারণে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। এ ব্যাপারে তিনি পৌর মেয়র বরাবর একটি লিখিত দরখাস্ত জমা দিয়েছেন। কাজ বন্ধ করার কারণ জানতে চাইলে মেসার্স পিংকি কন্সট্রাকশনের মালিক আশফাকুল ইসলাম জানান, কাজ শুরুর পর পরই পৌরসভার কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র আরিফুর রহমান ওরফে মাসুম তাঁর কাছে চাঁদা দাবি করেন। তিনি চাঁদা দিতে অপারগতা জানিয়ে কার্যাদেশ মোতাবেক কাজ বুঝে নেওয়ার অনুরোধ করেন।

তবুও রবিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ওই কাউন্সিলর ক্যাডারদের নিয়ে নির্মাণস্থলে গিয়ে তার প্রতিনিধিদের ওপর হামলা করেন। তারা সাইট ম্যানেজার তারিকুর রহমানকে বেদম মারপিট করে এবং তার কর্মীদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে আসেন। এ ব্যাপারে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের বিষয়টি স্থানীয় সাংসদ শফিকুল ইসলাম শিমুল, পৌর মেয়র উমা চৌধুরী জলি ও পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহাকে বিষয়টি অবহিত করেছেন। চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করে বিচার না করা পর্যন্ত তিনি নর্দমা নির্মাণের কাজ করতে পারবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে জানার জন্য মঙ্গলবার সকালে অভিযুক্ত কাউন্সিলরের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে। মাসুমকে আটকের জন্য পুলিশ খুঁজছে।

নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরি জলি জানান, ঠিকাদারের আবেদনের প্রেক্ষিতে কাউন্সিলর মাসুমের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এই বিভাগের আরও খবর