শিরোনাম
প্রকাশ : ২০ জুন, ২০১৯ ১৬:০৮
আপডেট : ২০ জুন, ২০১৯ ১৬:১০

শ্যালিকাকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি :

শ্যালিকাকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় তামান্না আক্তার (১৫) নামে এক কিশোরীকে তার দুলাভাই ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহষ্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার নাটাই (দক্ষিণ) ইউনিয়নের শালগাঁও গ্রামে ঐ কিশোরীর বোনের শশুরবাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। 

তামান্না শহরতলীর আমিনপুর গ্রামের নোয়াব মিয়ার মেয়ে। সে শালগাঁও কালিসীমা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত দুলাভাই নাঈম ইসলাম (২৭) পলাতক রয়েছেন।

তামান্নার বড় বোন স্মৃতি আক্তার জানান, নাঈম তার বাবা বসু মিয়ার সঙ্গে জেলা শহরের সড়ক বাজারে নৈশপ্রহরীর কাজ করেন। গত কয়েকদিন আগে নাঈম ইসলাম শ্যালিকা তামান্না আক্তারকে শালগাঁও গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে নিয়ে আসে। বুধবার সে চলে যেতে চাইলে নাঈম অনেকটা জোর করেই তাকে বাড়িতে রাখে। বুধবার রাতে বসু মিয়া কাজে গেলেও নাঈম যাননি। স্মৃতি কাজে না যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে নাঈম জানান তিনি সকালে ঢাকা থেকে তার মাকে আনতে যাবেন।

তিনি আরও জানান, রাত সাড়ে নয়টার দিকে নাঈম আমের জুস নিয়ে তার মেয়ে জান্নাতকে খাওয়ায়। জুস খেয়ে জান্নাত ঘুমিয়ে পড়ে। এরপর তামান্নাকেও জুস খেতে বললে তামান্না জুস না খাওয়ায় স্মৃতি সেই জুস খান। জুস খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্মৃতি অচেতন হয়ে পড়েন। সকালে ঘুম থেকে ওঠে তামান্নাকে ডাক দিলে সে কোনো সাড়া দেয়নি। এরপর তামান্নার কাছে গিয়ে দেখেন তার রক্তাক্ত নিথর দেহ পড়ে রয়েছে। এ ঘটনা জানাজানি হলে নাঈম পালিয়ে যায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুর রহমান খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কিশোরের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। আমরা খবর পেয়ে দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। 

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য