Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ২২ জুলাই, ২০১৯ ২০:৩৭
আপডেট : ২২ জুলাই, ২০১৯ ২০:৪৪

শনাক্ত হয়নি ট্যাক্সিক্যাবটির অবস্থান, স্রোতে ব্যাহত উদ্ধার কাজ

নাজমুল হুদা, সাভার :

শনাক্ত হয়নি ট্যাক্সিক্যাবটির অবস্থান, স্রোতে ব্যাহত উদ্ধার কাজ

সাভারে দ্রুতগতির ঢাকাগামী যাত্রীবাহী ট্যাক্সিক্যাব নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তুরাগ নদীতে পড়ে যাওয়ার পর টানা ১৪ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে এখন পর্যন্ত গাড়িটির অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস। নদীর গভীরতা বেশি এবং প্রবল স্রোতের কারণে ব্যাহত হচ্ছে উদ্ধার কাজ। 

জানা গেছে, দুর্ঘটনার শিকার ঐ চালকের নাম জিয়াউর রহমান (৪০)। মিরপুর এলাকায় ভাড়া থেকে ট্রাস্ট ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসের গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন তিনি। তার গ্রামের বাড়ি ফরিদপুর এলাকায়। 

বর্তমানে গাড়িটির অবস্থান শনাক্ত করে তা উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিটের প্রায় ৩০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ৭ ডুবুরি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তারা গাড়িটির পড়ে যাওয়ার পর থেকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে টানা অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছে। কিন্তু প্রচণ্ড স্রোতের কারণে ডুবুরিরা নিচে গিয়ে ঠিক থাকতে পারছে না। এছাড়া রাতভর সেতুর আশপাশে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে গাড়িটির অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে না পারায় এখন উজান থেকে খুঁজতে খুঁজতে ভাটির দিকে যাচ্ছেন ডুবুরিরা। তবে আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম না থাকায় সনাতন পদ্ধতিতে এঙ্কর ফেলে গাড়ির অবস্থান শনাক্তে কাজ করছে বলে অভিযোগ করেছে উৎসুক জনতা।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ঢাকা-৪ এর জোন কমান্ডার মো. আনোয়ারুল হক বলেন, তুরাগ নদীতে পড়ে যাত্রীবাহী ট্যাক্সিক্যাবটি উদ্ধারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এখন পর্যন্ত আমাদের ৭ জন ডুবুরি কাজ করছে। 

অন্যদিকে ট্যাক্সিক্যাবটি পড়ের যাওয়ার খবর শুনে উৎসুক জনতা ভিড় জমিয়েছেন সেতুর দুইপাশসহ মহাসড়কেও। তারা ফায়ার সার্ভিসের এই সনাতন পদ্ধতিকে উদ্ধার অভিযান পরিচালনার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এছাড়া মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ও উৎসুক জনতাকে সামাল দিয়ে ঘটনাস্থলে কাজ করছে র‌্যাব, পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

এর আগে রবিবার রাত ৮টার দিকে সাভারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আমিনবাজার এলাকায় সালেহপুর সেতুতে উঠার আগেই দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী ট্যাক্সিক্যাব নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উড়ে দিয়ে পানিতে পড়ে বলে জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিকের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য