শিরোনাম
প্রকাশ : ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৪:৫২
আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৪:৫৪

টাঙ্গাইলে মায়ের পরকীয়ার প্রতিবাদে মেয়ের সংবাদ সম্মেলন

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলে মায়ের পরকীয়ার প্রতিবাদে মেয়ের সংবাদ সম্মেলন
বাবাকে সঙ্গে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

টাঙ্গাইলে মায়ের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে তার মেয়ে। বৃহস্পতিবার দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ৭ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী।

সংবাদ সম্মেলনে সেই শিক্ষার্থী বলেন, আমি একজন নাবালিকা মেয়ে। আমার মা শাহনাজ আক্তার (৩৩) বাসাইল উপজেলার বর্ণি কিশোরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। আমার বাবা প্রবাসে থাকাকালীন (২০০৭-২০১৮ সাল পর্যন্ত) আমার মায়ের পূবালী ব্যাংকের একাউন্টে ৫৮ লাখ ৯৩ হাজার ৭৭২ টাকা পাঠান। এ ছাড়া মাকে বাবা বিভিন্ন সময়ে সর্বমোট ১৬ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও সখীপুর মৌজায় জমি কিনে দিয়েছেন এবং আমার নানার বাড়িতে দুটি টিনের ঘরও নির্মাণ করে দেন।

তিনি আরও বলেন, আমার বাবা বিদেশে থাকাবস্থায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চরদিঘুলিয়া গ্রামের হাসান মাস্টারের ছেলে মনিরুজ্জামান মামুনের সঙ্গে আমার মায়ের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে সেই বিষয়টি আমি জানার পর মাকে ওই সম্পর্ক থেকে বিরত থাকতে বলি। এ কারণে তিনি আমাকে একাধিকবার মারধর করে।

ওই শিক্ষার্থী বলেন, গত ৮ নভেম্বর আমার মা নগদ ২০ লাখ টাকা, ১৬ ভরি স্বর্ণ নিয়ে এবং আমার ছোট ভাই আদিল আহানাফকে (আড়াই বছর) নিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। আমি ও আমার বাবা বিভিন্ন এলাকা এবং আত্মীয়ের মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি মা  মনিরুজ্জামানের মামুনের সঙ্গে পালিয়ে গেছেন। বিষয়টি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, ৩০নং বর্ণি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরাবর আবেদন করেছি। এছাড়াও আমার বাবা বাদি হয়ে টাঙ্গাইল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বাসাইল থানা আমলি আদালতে মামলা দায়ের করেন।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করার পর থেকে মনিরুজ্জামান মামুন বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মাধ্যমে আমাদের হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। আমি মানুনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমার মাকে আমি ফেরত চাই। মাকে নিয়ে পূর্বের ন্যায় যেন আমরা সংসার করতে পারি সেই প্রত্যাশা কামনা করছি। 

এ সময় ওই শিক্ষার্থীর বাবা সুলতান মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য