শিরোনাম
প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৫:১১

যুবলীগ সভাপতি হত্যা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে মানববন্ধন, সড়ক অবরোধ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে মানববন্ধন, সড়ক অবরোধ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে হত্যা মামলার চার্জশীটভুক্ত আসামি উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম রাজবীকে অবিলম্বে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার উপজেলার চান্দুরা-আখউড়া সড়কের পত্তন ইউয়িনের নোয়াগাঁও মোড়ে আয়োজিত মানববন্ধনে ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন হারুণ মিয়া, পত্তন ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার মানিক মিয়া, সাবেক ইউপি সদস্য মহিবউল্লাহ, নিহতের স্ত্রী পারুল বেগম, মেয়ে রুনা আক্তার, নিহতের চাচাতো ভাই লিলু মিয়া ও চাচাতো ভাই হারুন মিয়া প্রমুখ। 

মানববন্ধন চলাকালে এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করে রাখে। বক্তারা বলেন, অবিলম্বে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আদম খাঁ হত্যা মামলার চার্জশীটভুক্ত আসামি উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সামসুল আলম ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম রাজবীকে অবিলম্বে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কারের দাবি জানান। 

মানববন্ধনে অংশ নেয়া নিহতরে মেয়ে রুনা আক্তার বলেন, এখন পর্যন্ত বাবার হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শেষ হয় নাই। আসামিরা চাচ্ছে মামলাটাকেও উধাও করার জন্য। আসামিরা এলাকার সরকার দলীয় প্রভাবশালী। এমনকি আদালতে যাবার সময় আমাদের লুকিয়ে যেতে হয়। মামলার আসামি উপজেলা আওয়মী লীগ সদস্য সামছুল আলম ওরফে সামসু মেম্বার, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম রাজবী, রিগান, কাশেম, ছালেক আমাদেরকে মামলা তুলে নেয়াসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিচ্ছে। তারা আগে জাতীয় পার্টি করত। এখন তারা নামধারী আওয়ামী লীগ। রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে আমাদের উপর মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। পাচঁ বছর ধরে মামলা চালিয়ে যাচ্ছি। আমি সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি আমার বাবাকে যারা প্রকাশ্যে দিনে দুপুরে কুপিয়ে খুন করেছে তাদের যেন আইনের আওতায় এনে সঠিক বিচার করে।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে ২৮ এপ্রিল উপজেলার পত্তন ইউনিয়নরে আদমপুর বাজার এলাকায় রাস্তা বিরোধের জের ধরে ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি আদম খাঁকে দিনে দুপুরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পরদিন নিহতের স্ত্রী পারুল বেগম বাদী হয়ে ৯জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।

বিডি প্রতিদিন/এনায়েত করিম


আপনার মন্তব্য