শিরোনাম
প্রকাশ : ২৩ অক্টোবর, ২০২০ ২১:৩২

নবীনগরে যুবদলের সভায় পুলিশের লাঠিচার্জ, আহত ১০

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

নবীনগরে যুবদলের সভায় পুলিশের লাঠিচার্জ, আহত ১০

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগরে যুবদলের সাংগঠনিক সভায় কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসময় কেন্দ্রীয় যুবদলের নেতাসহ কমপক্ষে ১০জন আহত হয়েছে। পুলিশেরর ব্যাপক মারধর সাংগঠনিক সভাটি ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।এসময় উত্তেজিত যুবদল কর্মীরা পুলিশের একটি গাড়ি ভাংচু করে। 

জানা গেছে, উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক কর্মকান্ডকে চাঙ্গা করার লক্ষে উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মফিজুর রহমান মুকুলের নেতৃত্বাধীন একটি গ্রুপ বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এবং উপজেলা যুবদলের ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ হোসেন রাজুর নেতৃত্বাধীন অপর গ্রুপটি নবীনগর মহিলা কলেজে পৃথক দুটি সাংগঠনিক সভা আহ্বান করে।

কিন্তু গত বৃহস্পতিবার রাতে যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে স্থানীয় ডাকবাংলোতে পুলিশী বাঁধায় আজকের সভা করা নিয়ে নেতাকর্মীদের মাঝে উত্তেজনা দেখা দেয়।

নেতাকর্মীরা জানান, পুলিশের বাঁধার পর যুবদলের দ্বিধাবিভক্ত নেতাকর্মীরা দিনভর ঘরোয়া বৈঠক শেষে বিকেলে পৌর এলাকার আলীয়াবাদ গ্রামে সাবেক বিএনপি নেতা মরহুম মদন মিয়া মেম্বারের বাড়িতে দুই গ্রুপ একত্রিত হয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে অবশেষে সাংগঠনিক সভায় মিলিত হন।

খবর পেয়ে বিপুল সংখ্যক পুলিশ উপস্থিত হয়ে ব্যাপক লাঠিচার্জ শুরু করে। মুহূর্তের মধ্যে সভায় অংশ নেয়া নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এসময় শুরু হয় পুলিশ ও যুবদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়া চলে। পুলিশের লাঠিচার্জে কেন্দ্রীয় নেতাসহ কমপক্ষে ১০জন আহত হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় নেতারা। 

উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মফিজুর রহমান মুকুল বলেন, কোন সভা করিনি। কিন্তু পুলিশ আমাদের কর্মীদেরকে বেধড়ক পেটায়। এতে কেন্দ্রীয় নেতা জাকির হোসেন ও জেলার দুই নেতাসহ আমাদের ১০ জন কর্মী আহত হন।

নবীনগর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রুহুল আমীন বলেন, সভা করার কোন অনুমতি না থাকার পরও এই করোনাকালে যুবদলের নেতারা বিকেলে একটি বাড়িতে সাংগঠনিক সভা করায় পুলিশ বাঁধা দিয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) মকবুল হোসেন বলেন, পুলিশের গাড়ি ভাচুরের ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। কাউকেই রেহাই দেয়া হবে না।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর