শিরোনাম
প্রকাশ : ১৮ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:৫২
আপডেট : ১৮ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:৫৬
প্রিন্ট করুন printer

অ্যাকাউন্টে ভুলে আসা পৌনে ৬ লাখ টাকা ফেরত দিলেন ইমাম

নেত্রকোনা প্রতিনিধি

অ্যাকাউন্টে ভুলে আসা পৌনে ৬ লাখ টাকা ফেরত দিলেন ইমাম
হোসাইন আহমেদ

নেত্রকোনার হাওরাঞ্চল খালিয়াজুরী উপজেলায় কৃষি ব্যাংকে পৌনে ছয় লাখ টাকা ফেরত দিলেন একজন ইমাম। নিজের অ্যাকাউন্টে জমা হওয়া টাকা নিজের নয় দাবি করে তিনি ব্যাংকে ওই টাকা ফেরত দিয়েছেন বলে জানান ইমাম হোসাইন আহমেদ। 

ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল রবিবার (১৭ জানুয়ারী) জেলার খালিয়াজুরী উপজেলার খালিয়াজুরী শাখা কৃষি ব্যাংকে। টাকা ফেরত দেওয়া হোসাইন আহমেদ পার্শ্ববর্তী সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার শ্যামারচর বাজার জামে মসজিদে ইমামতি করেন। তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার আটগাঁও ইউনিয়নের মাহমুদপুর গ্রামের বাসিন্দা।

হোসাইন আহমদ বলেন, আমার অ্যাকাউন্টে থাকার কথা ১০ হাজার টাকা। ভুল করে আসা ৫ লাখ ৮১ হাজার ২৬৮ টাকা আমার নয়। যে কারণে আমি টাকাটা ব্যাংকে ফেরত দিয়েছি। অন্যের টাকা আমি নিতে পারি না। তাই ফেরত দেয়া।
টাকার সঠিক মালিক খোঁজে তার একাউন্টে হস্তান্তর করার জন্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে বলেছি।

ব্যাংকটির ব্যবস্থাপক তাপস মঞ্জুসা দেব রায় জানান, ব্যাংকে হোসাইন আহমেদের নামে ২৮৩৮ নম্বর সঞ্চয়ী হিসাব রয়েছে। এই হিসাব থেকে ২০১৮ সালে সর্বশেষ টাকা উত্তোলন করা হয়েছিল। গতকাল রবিবার গ্রাহক হোসাইন আহমেদ টাকা তুলতে ব্যাংকে এসে হিসাবে কত টাকা আছে জানতে চান। এসময় দায়িত্বরত কর্মকর্তা হিসাব দেখে জানান অ্যাকাউন্টে ৫ লাখ ৯১ হাজার ২৬৮ টাকা রয়েছে।

তিনি বলেন, পরে গ্রাহক হোসাইন আহমেদ জানান, তার হিসাবে মাত্র ১০ হাজার টাকা থাকার কথা। এতো টাকা তার নয়। পরে ব্যাংকের কর্মকর্তারা ভাল করে চেক করে দেখেন অ্যাকাউন্টে ৫ লাখ ৯১ হাজার ২৬৮ টাকাই রয়েছে। এ অবস্থায় গ্রাহক হোসাইন আহমেদ তার হিসাব থেকে ১০ হাজার টাকার বেশি টাকা নিতে অস্বীকার করেন। এরপর তিনি তার হিসাব থেকে ৫ লাখ ৮১ হাজার ২৬৮ টাকা উত্তোলন করে ব্যাংকে ফেরত দেন।

তিনি আরও জানান, ব্যাংকে ডিজিটাল অ্যাকাউন্ট করার সময় হয়তোবা সংখ্যায় ভুল করে এই হিসাবে চলে আসতে পারে। আমরা অনেক খোঁজাখুঁজি করে সঠিক মালিক না পেয়ে ব্যাংক নিয়মানুযায়ী ওই টাকাটা অতিরিক্ত হিসাবে রেখেছি।

 

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:২৭
প্রিন্ট করুন printer

একই দোকানে দ্বিতীয়বার স্বর্ণালঙ্কার চুরি করতে এসে ধরা নারী মেম্বার

কুমিল্লা প্রতিনিধি

একই দোকানে দ্বিতীয়বার স্বর্ণালঙ্কার চুরি করতে এসে ধরা নারী মেম্বার

একটি ইউনিয়নের নারী সদস্যের নেতৃত্বে প্রথমবার স্বর্ণ চুরি করে পার পেয়ে গেলেও দ্বিতীয়বার ধরা খেলেন তিন সদস্যের চক্রটি। দোকান মালিকের সন্দেহ হওয়ায় তাদের আটক করে তল্লাশি চালাতে বের হয়ে আসে স্বর্ণালঙ্কার। পরে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে একমাস আগের চুরির সাথেও তাদের জড়িত থাকাটি নিশ্চিত হয় দোকানদার।

এমন ঘটনা ঘটেছে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলা সদরে আপন অর্নামেন্টস নামক একটি জুয়েলারি দোকানে। পরে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানার ঢেমুশিয়া ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান প্যানেল চেয়ারম্যান সংরক্ষিত নারী সদস্য মোসা. আরজ খাতুন (৫২), একই গ্রামের ফররুখ আহম্মদের ছেলে শাহাদত হোসেন (২০) ও কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুরি এলাকার রাসেল মিয়ার স্ত্রী পাখি বেগম (৩৫)। 


এ ঘটনায় দোকান মালিক জয়নাল আবেদীন আপন বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করলে মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।

মামলার অভিযোগে জানা যায়, গত ১৯ জানুয়ারি বেলা ১১টার দিকে দেবিদ্বার উপজেলা সদরের আপন অর্নামেন্টস নামক জুয়েলারি দোকান থেকে ৩ ভরি ওজনের ২টি স্বর্ণের চেইন, ১ জোড়া কানের দুল চুরি হয়। ওইদিন রাতে স্টক হিসেবে গড়মিল দেখে সিসিটিভি ফুটেজে নারী চোরের মাধ্যমে চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হয় দোকান মালিক। কিন্তু তাদের হদিস পাওয়া যায়নি।

ঘটনার এক মাস পর গত ২২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে পুনরায় তারা এ দোকানে আসে। স্বর্ণের  গহনা ক্রয়ের কথা বলে গয়না ঘেটে দেখার একপর্যায়ে কৌশলে একটি নাকফুল ও একটি আংটি চুরি করে দোকান ত্যাগ করে। দোকানী স্বর্ণ গুছিয়ে রাখার সময় গহনা গড়মিল দেখে তাদের ডেকে এনে নাকফুল ও আংটি উদ্ধার করেন। পরে সিসিটিভির ফুটেজ দেখে আগের চুরির ঘটনায় তাদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হয়।

দেবিদ্বার থানার ওসি জহিরুল আনোয়ার জানান, সিসিটিভির ফুটেজ দেখে একমাস আগে চুরির ঘটনায় সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় দোকান মালিক বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।

 

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:০৮
প্রিন্ট করুন printer

রূপগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে উচ্ছেদ অভিযান

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

রূপগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে উচ্ছেদ অভিযান

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অবস্থিত শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা করেছে বিআইডব্লিউটি। বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) সকালে উপজেলার তারাবো পৌরসভার নোয়াপাড়া হতে কাজীপাড়া পর্যন্ত এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। 

বিআইডব্লিউটি এর নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মাহাবুব জামিলের নেতৃত্বে চলে এ উচ্ছেদ অভিযান। শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে অবৈধ ভাবে গড়ে ওঠা দোতলা ভবনসহ ৭/৮ টি দোকান ঘর প্রায় অর্ধশতাধীক স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিআইডব্লিউটি এর যুগ্ন-পরিচালক মাসুদ কামাল, সহকারী পরিচালক নুর হোসেন প্রমুখ।

বিআইডব্লিউটি এর নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মাহাবুব জামিল বলেন, সরকারি যায়গায় অবৈধভাবে গড়ে তোলার কারনে একটি দোতলা ভবনসহ ৭/৮ টি দোকানঘরসহ প্রায় অর্ধশতাধীক স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। নোয়াপাড়া থেকে কাঞ্চন ব্রীজ পর্যন্ত নদীর দুই পাশে অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা সকল প্রকার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।  

 

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:০৩
প্রিন্ট করুন printer

ভোলায় রিক্সা চালকের মরদেহ উদ্ধার

ভোলা প্রতিনিধি:

ভোলায় রিক্সা চালকের মরদেহ উদ্ধার

ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের রতনপুর এলাকার বাগান থেকে শ্রমজীবী রিক্সা চালক জাকিরের (৪০) মরদেহ বুধবার সকালে পুলিশ উদ্ধার করেছে। তবে রহস্যজনক এই মৃত্যুর ঘটনায় কোনো কারণ পুলিশ এখনো উৎঘাটন করতে পারে নি।

পুুলিশ ও স্বজনের স্ত্রী জানান, জাকির রিক্সা চালাতো ও  মানুষের বাড়িতে দিনমজুর হিসাবে কাজ করতো। মাঝে মাঝে সে বাড়ির বাইরে রাতে থাকতো। মঙ্গলবার বিকালে মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে কাপড় কিনতে রতনপুর বাজারে যায়। কিন্তু রাতে সে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। পরিবারের সদস্যরা ধারনা করেছিলো  কাজে বাড়ির বাইরে রাতে রয়েছে। কিন্তু সকলে শিবপুর হাওলাদারদের বাগানে তার মৃতদেহ দেখে স্বজনরা জানতে পারে এবং স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়।

ভোলা মডেল থানার ওসি এনায়েত হোসেন জানান, তারা খবর পেয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। মৃতদেহের ময়না তদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে। এ ব্যাপারে ভোলা থানায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ পুলিশ বলতে পারেনি।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:৫৬
প্রিন্ট করুন printer

নোয়াখালীতে বসতবাড়িতে সন্ত্রাসীদের হামলায় নারীর মৃত্যু, গ্রেফতার ২

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীতে বসতবাড়িতে সন্ত্রাসীদের হামলায় নারীর মৃত্যু, গ্রেফতার ২
প্রতীকী ছবি

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে ও মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বসত ঘরে ঢুকে এক যুবককে  প্রকাশ্যে গুলি করেছে সন্ত্রাসীরা। এসময় সন্ত্রাসীরা বসতবাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এতে আতঙ্কে বাড়িতে এক নারী ঘটনাস্থলে মারা যান। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ৪ জন। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত ২ জনকে গ্রেফতার করেছে।

মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড দেবকালা গ্রামের আবদুল মুন্সী বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ মো.ওমর ফারুক (২৭) একই উপজেলার দেবকালা গ্রামের খুরশিদ আলমের ছেলে। অপর আহতরা হলেন ফারুকের মা বিবি কুলসুম বেগম (৫৫), ভাই রিয়াজ (২২) ও হৃদয়(১৫)। ঘটনাস্থলে মারা যাওয়া নারী মজিবা খাতুন (৭২) ওই বাড়ির শরীয়ত উল্যার স্ত্রী। ঘটনার আকস্মিতায় আরও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ফারুকের চাচি ও আবদুল হকের স্ত্রী পুষ্প বেগম (৪০)।

অপরদিকে, বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত ২ জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন গোপালপুর ইউনিয়নের মহিব উল্যা গ্রামের ছায়েদুল হকের ছেলে শামীম (২৩),একই গ্রামের সাহাব উদ্দিনের ছেলে আরাফাত হোসেন (১৫)।
 
বেগমগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রুহুল আমিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে বেগমগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় ২ জনকে আটক করা হয়েছে। ভিকটিমের পরিবার তাদের সনাক্ত করেছে। এ ব্যাপারে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

 

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:৪৯
প্রিন্ট করুন printer

আমরা কারিগরি শিক্ষার প্রতি জোর দিয়েছি : জিসিসি মেয়র

গাজীপুর প্রতিনিধি:

আমরা কারিগরি শিক্ষার প্রতি জোর দিয়েছি : জিসিসি মেয়র

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, আমরা গরিবদের ধনির কাতারে নিয়ে যেতে চাই, নিরক্ষরদের শিক্ষিত করতে চাই এবং বেকারদের পূনর্বাসিত করতে চাই। এজন্য আমরা কারিগরি শিক্ষার প্রতি জোর দিয়েছি। আমরা স্কুল করছি, হাসপাতাল করছি এবং মার্কেট করে দিচ্ছি, যাতে পরবর্তীতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যারা তারা কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়। এছাড়াও গৃহহীনদের আবাসন ব্যবস্থার উদ্যোগ হাতে নিয়েছি, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ দিয়েছেন, একজন মানুষ গৃহহীন থাকবে না, সেজন্য আমরা এই কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। এ উপলক্ষে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের  প্রায় ৯’শ টি  স্থানে গৃহহীনদের জন্য পূনর্বাসনের ব্যবস্থার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

তিনি বুধবার বিকেলে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে যুক্তরাজ্যের ফরেন কমনওয়েলথ ডেভেলপমেন্ট অফিস ও ইউএনডিপির অর্থায়নে, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রকল্পের কমিউনিটি সংগঠনের সাথে মতবিনিময় ও সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। 

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সচিব ও সিডিসি প্রকল্পের সদস্য সচিব মো: মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আমিনুল ইসলাম। ইউএনডিপির প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকার টাউন ম্যানেজার মাহবুবুর রহমান ও সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। 

পরে মেয়র আত্ম-কর্মসংস্থানের জন্য একজন দরিদ্র মহিলা এবং কয়েকজন শিক্ষার্থীর হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন। এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৪০ হাজার ব্যক্তিকে আত্মকর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে অনুষ্ঠানে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জানিয়েছেন। 

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর