শিরোনাম
প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ১৮:৫৩
প্রিন্ট করুন printer

বগুড়ার শেরপুরে ঘর পেল ১৬৩ পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া

বগুড়ার শেরপুরে ঘর পেল ১৬৩ পরিবার

মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক আশ্রয়ন প্রকল্পের আওতায় বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় ঘর পেল ১৬৩টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার। শনিবার (২৩ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়াল আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পরই সুবিধাভোগী পরিবারগুলোর মাঝে ভূমির দলিল ও ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন উপজেলা প্রশাসন। এ উপলক্ষে উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী শেখের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আব্দুল মালেক, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাবরিনা শারমিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুস সাত্তার, সহ-সভাপতি মুনসী আলহাজ্ব সাইফুল বারী ডাবলু, এড. গোলাম ফারুক, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শাহজামাল সিরাজী, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসরিন আক্তার, উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব আম্বিয়া, পৌর আ’লীগের সভাপতি মকবুল হোসেন, শেরপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শামছুন্নাহার শিউলিসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ভূমিহীন “ক” শ্রেণির পরিবার পুনর্বাসনে ‘দুর্যোগ সহনীয় গৃহ নির্মাণ’ সাড়া দিয়ে ১টি করে ঘর নির্মাণের জন্য ১লাখ ৭১ হাজার টাকা ব্যয়ে এই বাড়ি নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। নবনির্মিত বাড়িতে থাকছে দুইটি ঘর, একটি চিকেন রুম, বাথরুম ও একটি পকেট রুম।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শামছুন্নাহার শিউলী বলেন, উপজেলার আটটি ইউনিয়নে নির্মাণাধীন ১৬৩টি ঘর নির্মাণের জন্য ২ কোটি ৭৮ লাখ ৭৩ হাজার টাকা বরাদ্দ আসে। ২০ ফুট বাই ২২ ফুট প্রস্থের জমির উপর রয়েছে দুটি সেমি-পাকা কক্ষ, রান্নাঘর, সংযুক্ত টয়লেট, ইউটিলিটি স্পেস, সামনে খোলা বারান্দা। ঘর এবং আশেপাশের জায়গা দিয়ে একটি পরিবারকে সুন্দর ভাবে বসবাস করতে পারবেন। উপজেলায় ৮নং সুঘাট এবং ১০নং শাহ বন্দেগী ইউনিয়নে নিষ্কন্টক খাস জমি না পাওয়ায় “দুর্যোগ সহনীয় গৃহ নির্মাণ” ঘর বরাদ্ধ দেওয়া হয়নি। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী সেখ বলেন, জেলা প্রশাসকের সার্বিক দিকনির্দেশনায় প্রত্যেক সুবিধাভোগীর নামে দুই শতাংশ সরকারি খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদানপূর্বক কবুলিয়ত দলিল রেজিস্ট্রেশন, নামজারি সম্পন্নকরণ ও গৃহ প্রদানের সনদ প্রদানসহ সব কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সুবিধাভোগীদের হাতে জমির দলিল, নামজারি, জমির কবুলিয়াতনামা ও ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হবে।


বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর