শিরোনাম
প্রকাশ : ১৭ জুলাই, ২০২১ ২০:৩৩
আপডেট : ১৭ জুলাই, ২০২১ ২০:৫০
প্রিন্ট করুন printer

ঝালকাঠিতে কোরবানির হাট জমে ওঠেনি, বেড়েছে পশুর দাম

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

ঝালকাঠিতে কোরবানির হাট জমে ওঠেনি, বেড়েছে পশুর দাম
ঝালকাঠিতে কোরবানির হাট জমে ওঠেনি।
Google News

ঝালকাঠিতে মহামারি করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে অধিকাংশ কোরবানির পশুর হাট বসেছে। কিন্তু শনিবার পর্যন্ত পশু বেচাকেনার হাট তেমন জমে ওঠেনি। বিক্রেতারা বলছেন, রবি-সোমবার থেকে মূলত হাট জমতে শুরু করবে। আর ঈদের দুই-একদিন আগেই হাটে উপচে পড়া ভিড় থাকবে।

শনিবার বিকেলে শহরের একমাত্র পশু বিক্রির হাটে গিয়ে দেখা গেছে, কিছু সংখ্যক গরু আসতে শুরু করেছে। স্থানীয় পশুর সংখ্যা কম হওয়ায় চিতলমারী থেকে আসা গরুর সংখ্যাই বেশি। দামও বেশি পাবেন বলে জানিয়েছেন পাইকাররা। এছাড়া ক্রেতারা বলছেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর ১০ ভাগ দাম বেশি রয়েছে।

গরুর হাটে ইসলামী ব্যাংক থেকে জাল টাকা ধরার মেশিন বসানো হয়েছে। পুলিশ ও আনসার সদস্যরা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে। র‌্যাব সদস্যরা হাটে হাটে টহল দিচ্ছে।

চিতলমারি থেকে ঝালকাঠির বিকনা গরুর হাটে আসা পাইকার মাহবুব শেখ জানান, তিনি প্রথম ১৩টি গরু এনেছেন। আরও বেশ কিছু গরু পথে রয়েছে। চাহিদার বাড়লে গরুর সংখ্যাও বাড়বে। করোনার মধ্যেও স্থানীয় গরুর সংখ্যা কম থাকায় এ বছর গরুর দাম ভাল পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন তিনি। 

বিকনা গরুর হাটের ইজারাদারের প্রতিনিধি আব্দুল হাই বলেন, গরু বিক্রেতা ও ক্রেতাদের সর্বোচ্চ সুবিধা দেওয়া হবে। ২.৫ শতাংশ টাকা খাজনা নেওয়া হয়।

ঝালকাঠি সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ভেটেনারি সার্জন ডা. মো. সরোয়ার হাসান বলেন, জেলার প্রতিটি হাটে তাদের টিম রয়েছে। কোনো পশুর সমস্যা হলেই তাদের চিকিৎসা দেওয়া হবে।

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর