শিরোনাম
৩০ মে, ২০২৪ ১৪:৪৫

ক্ষেতলাল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ২০ দিন পর ২১০০ ব্যালট পেপার উদ্ধার

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

ক্ষেতলাল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ২০ দিন পর ২১০০ ব্যালট পেপার উদ্ধার

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ২০ দিন পর একটি ভোটকেন্দ্র থেকে অব্যবহৃত ২ হাজার ১০০ ব্যালট পেপার পাওয়া গেছে। 

আজ বুধবার সকালে ওই ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা অব্যবহৃত ২১টি ব্যালট বইয়ে থাকা ২১০০ ব্যালট পেপার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে বুঝিয়ে দিয়েছেন। উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের আকলাস শিবপুর শ্যামপুর উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটেছে। 
  
এ বিষয়ে ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আয়েশা খাতুন বলেন, আজ বুধবার সকালে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা অব্যবহৃত ২১টি ব্যালট পেপার বইয়ে ২১০০ ব্যালট আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছেন। এরমধ্য চেয়ারম্যান পদের ৭০০, সাধারণ ভাইস চেয়ারম্যান পদের ৭০০ ও নারী ভাইস চেয়ারম্যানের পদে ৭০০ ব্যালট রয়েছে। ভোটগ্রহণ শেষে অব্যবহৃত ব্যালট পেপার বুঝিয়ে দিতে হয়। কেন এমনটা ঘটল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
  
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার আকলাস শিবপুর শ্যামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি আলমারি খোলা হয়।  অফিস সহায়ক আলমারীর ভেতরে একটি বস্তা দেখে তা খুলে ভেতরে অব্যবহৃত ২১টি ব্যালট পেপার বই দেখেন। তিনি প্রধান শিক্ষককে ব্যালট পেপার পাওয়ার কথা জানান। 

প্রধানশিক্ষক আজিজুল হাসান ব্যালট পেপার পাওয়ার ঘটনাটি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে জানান। নির্বাচন কর্মকর্তা ব্যালট পেপারগুলো বিদ্যালয়ের পিয়নের মাধ্যমে তাঁর কার্যালয়ে পৌঁছে দিতে বলেন। এরপর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফতাবুজ্জামান আল ইমরানকে জানায়।

প্রধান শিক্ষক আজিজুল হাসান বলেন, ভোটের পর আমরা মঙ্গলবারে আলমারি খুলেছি। আলমারির ভেতরে একটি বস্তায় অব্যবহৃত সাতটি ব্যালট পেপার বই পেয়েছি। ইউএনও স্যারকে ঘটনা জানানোর পর আজ বুধবার সকালে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ক্ষেতলাল সরকারি ছাঈদ আলতাফুন্নেছা কলেজের প্রভাষক তানভির আহমেদ সাকিব বিদ্যালয়ে এসে ব্যালট পেপার নিয়ে গেছেন। আমরা ব্যালেট পেপার বুঝিয়ে দেওয়ার ডকুমেন্ট রেখেছি।   
  
প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও ক্ষেতলাল সরকারি ছাঈদ আলতাফুন্নেছা কলেজের প্রভাষক তানভির আহমেদ সাকিব প্রথমে ব্যালট পেপার জমা দেওয়ার অস্বীকার করেছিলেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের পর প্রায় এক মাস হতে চলেছে। আপনি এখন ব্যালট পেপারের কথা কেন বলছেন। ভোট শেষে অব্যবহৃত ব্যালট জমা দিয়েছি। আপনি আজকে সকালে নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে ব্যালট জমা দিয়েছেন নির্বাচন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জেনেছি এমন প্রশ্নের পর প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ব্যালট পেপার জমা দেওয়ার কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, সহকর্মীরা ভুলে অব্যবহৃত ব্যালট পেপারগুলো ছেড়ে এসেছিলেন। আজকে বিদ্যালয়ে গিয়ে ব্যালট পেপারগুলো এনে নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে জমা দিয়েছি।
 
ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফতাবুজ্জামান আল ইমরান বলেন, আমি আকলাস শিবপুর শ্যামপুর উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র থেকে অব্যবহৃত ব্যালট পেপার পাওয়ার কথা জেনেছি।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর