শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩০ মার্চ, ২০২০ ০০:০৮

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম পত্র

সুকুমার মন্ডল, প্রভাষক

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম পত্র

[ পূর্বে প্রকাশের পর ]

 

আব্বাসীয় খলিফাদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বিখ্যাত শাসক ছিলেন কে?

উত্তর : খলিফা হারুন অর রশীদ।

রূপকথার রাজা বা আলিফ লায়লা বা এক হাজার এক রজনী উপাখ্যানের স্রষ্টা কে ছিলেন?

উত্তর : হারুন অর রশিদ।

সম্রাজ্ঞী জুবাইদা কে ছিলেন?

উত্তর : খলিফা হারুন অর রশিদের পত্নী।

নহরে জুবাইদা কী?

উত্তর : মক্কায় হজব্রত পালনে হাজিদের পানীয় জলের চাহিদা পূরণে সম্রাজ্ঞী জুবাইদা নির্মিত একটি খাল।

হারুন অর রশিদের সঙ্গে কোন বাইজান্টাইন শাসকের সংঘর্ষ বাধে?

উত্তর : নাইসিফোরাস

রাজধানী বাগদাদ কোন খলিফার সময় প্রাচুর্য ও ঐশ্বর্যে পরিপূর্ণতা লাভ করে?

উত্তর : হারুন অর রশীদ।

বার্মাকি কারা?

আব্বাসীয় খলিফাদের উজির পরিবার, যাঁরা প্রথমে ছিলেন পারস্যের অগ্নি উপাসক।

যে বংশের ছোঁয়ায় আব্বাসীয় খিলাফত স্বর্ণশিখরে পৌঁছে?

উত্তর : বার্মাকি পরিবার।

বার্মাকি বংশের পতন ঘটে কোন খলিফার হাতে?

উত্তর : হারুন অর রশিদ।

খলিফা হারুন অর রশিদের দুই পুত্র ছিলেন আল আমিন ও আল মামুন।

আল আমিন ও মামুনের মধ্যকার ভ্রাতৃদ্বন্দ্বে কে জয়লাভ করেন?

উত্তর : আল মামুন।

মুসলিম জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিক্ষা-সংস্কৃতি চরম উৎকর্ষ লাভ করে কোন খলিফার শাসনামলে?

উত্তর : আল মামুন।

বাইতুল হিকমা কী?

উত্তর : খলিফা আল মামুনের প্রতিষ্ঠিত একটি জ্ঞান-বিজ্ঞান গবেষণাকেন্দ্র। এর তিনটি শাখা ছিল।

ক. গ্রন্থাগার, শিক্ষায়তন, অনুবাদ কেন্দ্র। এর দায়িত্বে ছিলেন প্রখ্যাত মনীষী হুসাইন বিন ইসহাক।

মালিক শাহ কে ছিলেন?

উত্তর : একজন সেলজুক সুলতান।

নিজামুল মুলক কে ছিলেন?

উত্তর : মালিক শাহর উজির।

কত সালে বায়তুল হিকমা প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তর : ৮৩০ খ্রিস্টাব্দে।

ক্রুসেড কী?

উত্তর : ধর্মযুদ্ধ। মূলত জেরুজালেমের ওপর খ্রিস্টান বিশ্ব আধিপত্য বিস্তারের জন্য দীর্ঘ ১০৯৫-১২৯১, ২০০ বছর ধরে বুকে ক্রুশ চিহ্ন ধারণ করে ধর্মের নামে যুদ্ধ পরিচালনা করেছিল বলে একে ক্রুসেড বলে।

সালাউদ্দিন আইয়ুবী কে ছিলেন?

উত্তর : ক্রুসেডে এই সেলজুক মুসলিম সেনাপতির ভূমিকা ছিল সর্বাধিক

প্রাচ্য ও প্রতীচ্যের মধ্যে সংযোগ ঘটে কোন ঘটনার মাধ্যমে?

উত্তর : ক্রুসেড

কত সালে, কোন আক্রমণে আব্বাসীয় খিলাফতের পতন হয়?

উত্তর : ১২৫৮ সালে মোঙ্গল নেতা হালাকু খানের আক্রমণে। এ আক্রমণে বাগদাদের ২০ লাখ লোকের মধ্যে প্রায় ১৬ লাখ নিহত হয়।

আব্বাসীয় বংশের শেষ খলিফা কে ছিলেন?

উত্তর : আল মুসতাসিম বিল্লাহ।

গুরুত্বপূর্ণ অনুধাবনমূলক প্রশ্ন

♦          শিয়াদের পরিচয় দাও।

♦          খারেজি কারা?

♦          মুয়াবিয়াকে প্রথম রাজা বলা হয় কেন?

♦          রাজেন্দ্র কাকে বলা হয় এবং কেন?

♦          কারবালার যুদ্ধের ওপর টীকা লেখ?

♦          কাকে পঞ্চম ধর্মপ্রাণ খলিফা বা দ্বিতীয় ওমর বা উমাইয়া সাধু বলা হয়?

♦          কাকে উমাইয়া সাধু বলা হয় এবং কেন?          

মাওয়ালি কারা?

♦          কুব্বাতুস সাখরা বা ডোম অব দি রক কী?

♦          আব্বাসীয়দের পরিচয় দাও।

♦  আবুল আব্বাসকে আস-সাফফা বলা হয় কেন?

বার্মাকিদের পরিচয় দাও

♦          গাজি সালাউদ্দিন আইয়ুবীর ওপর টীকা লেখ এবং ক্রুসেড কী?

বায়তুল হিকমা কী?

♦          বাগদাদ নগরীর ওপর টীকা লেখ।

অনুশীলনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সৃজনশীল প্রশ্ন (প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা)

১. আলেয়া ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা। সে ‘বিষাদ সিন্ধু’ উপন্যাসটি পড়তে গিয়ে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেনি। তা ছাড়া প্রতিবছর আশুরার দিবসে এখানে তাজিয়া মিছিল বের হয়। আলেয়া লক্ষ্য করে, মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের অনেকেই ছুরি দিয়ে নিজেদের দেহ ক্ষতবিক্ষত করে এবং ‘হায় হোসেন’, ‘হায় হোসেন’ বলে মাতম করে।

গ. উদ্দীপকে বর্ণিত চিত্রটি ইসলামের ইতিহাসের কোন যুদ্ধকে স্মরণ করে দেয়? এর কারণগুলো লেখ।                               

ঘ. উক্ত ঘটনা ছিল মুসলিম জাহানের এক অপূরণীয় ক্ষতি। তোমার উত্তরের স্বপক্ষে যুক্তি দেখাও?                   ২. মিশু আবদুল জব্বার নামের জনৈক শাসকের শাসননীতি ও সংস্কার সম্পর্কে পড়ছিল। তার শাসনামলে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে আরবি ও খাঁটি আরবি মুদ্রার প্রচলন করা হয়, যা আরবীয়করণনীতি নামে সুপরিচিত। তা ছাড়া ডাক বিভাগের সংস্কার, গোয়েন্দা বিভাগ, কর ও রাজস্ব সংস্কার, কৃষিকার্যের উন্নয়ন ও শিল্প, সাহিত্য ও স্থাপত্যকলার পৃষ্ঠপোষকতায় এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের সূচনা করেন। ফলে তাঁকে তাঁর বংশের শ্রেষ্ঠ নৃপতিরূপে আখ্যায়িত করা হয়।

গ. উদ্দীপকে বর্ণিত আবদুল জব্বারের আরবীয়করণ নীতির সঙ্গে পাঠ্য বইয়ের কোন শাসকের নীতির সাদৃশ্য খুঁজে পাও? ব্যাখ্যা কর।    

 ঘ. উদ্দীপকের শাসকের সংস্কারের সঙ্গে তোমার পাঠ্য বইয়ের কোন শাসকের শাসনসংস্কার তুলনীয়? ব্যাখ্যা কর।

৩. ভাষার জন্য বাঙালিরা ১৯৫২ সালে জীবন দিয়েছিল। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে বাংলাদেশ সরকার বাংলা ভাষাকে সরকারি অফিস-আদালতের দাফতরিক ভাষার মর্যাদা দিয়েছে। তা ছাড়া বাংলা ভাষার উন্নয়নের জন্য একাডেমি প্রতিষ্ঠা করে। বিভিন্ন প-িতের সহায়তা নিয়ে উক্ত প্রতিষ্ঠান বাংলা ভাষার নানাবিধ সমস্যা দূর করায় ভাষার উচ্চারণ ও ব্যাকরণরীতিতে এক নতুন মাত্রা শুরু হয়।

গ. উদ্দীপকের ঘটনা উমাইয়া খলিফা আব্দুল মালিকের কোন নীতির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর। 

ঘ. ভাষার মর্যাদা বৃদ্ধিতে খলিফা আবদুল মালিকের অবদান উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন কর।                 

৪. পৃথিবীর যেকোনো রাজবংশের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে প্রতিটি রাজবংশকেই সাধারণভাবে সূচনা, ক্রমবিকাশ, অবক্ষয় ও পতন এ কয়টি স্তর অতিক্রম করতে হয়। উমাইয়া খিলাফতের বেলায়ও তার ব্যত্যয় ঘটেনি। অযোগ্য শাসক, দুর্বল উত্তরাধিকার, অভ্যন্তরীণ কোন্দল, নানা অসন্তোষ, বিশাল সাম্রাজ্য, অর্থনৈতিক সংকট, আরব-অনারব বৈষম্যসহ আব্বাসীয় আন্দোলনের ফলে এ রাজবংশের চূড়ান্ত পতন সূচিত হয়।

গ. উদ্দীপকে বর্ণিত পরোক্ষ কারণগুলো পাঠ্য বইয়ের আলোকে বর্ণনা কর।

ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত উমাইয়া বংশের পতনের চূড়ান্ত কারণটি বিশ্লেষণ কর। 

৫. স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাবের অধিকারী প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন বিভিন্ন গুণের অধিকারী হলেও তাঁর মধ্যে প্রবল সন্দেহপ্রবণতা ছিল। রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য অনেক ঘনিষ্ঠ প্রতিদ্বন্দ্বীকে তিনি নির্মমভাবে সরিয়ে দেন। আসলে ইরাকে জটিল রাজনৈতিক, জাতিগত বিদ্বেষ, বিভিন্ন গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের আত্মকলহ তাঁকে কঠোর হতে বাধ্য করেছিল। সাদ্দাম হোসেন বিভিন্ন কৌশলে শতধাবিভক্ত ইরাকিদের একত্র করে দীর্ঘমেয়াদি শাসন কায়েম করতে সক্ষম হন।

গ. উদ্দীপকের সঙ্গে আব্বাসীয় বংশের কোন শাসকের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।                        

ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত শাসকের শাসনকালকে আব্বাসীয়দের জ্ঞান-বিজ্ঞানের স্বর্ণযুগ বলা হয় কেন? যুক্তি দাও?                        

৬. ঐশি ও সংগীতা ইসলামের ইতিহাসের জনৈক শাসক সম্পর্কে কথা বলছিল। ঐশি সংগীতাকে জানায়, ইসলামের ইতিহাসের অগাস্টান যুগের প্রবর্তক এই শাসক জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিক্ষা-সংস্কৃতির অবাধ পৃষ্ঠপোষকতার জন্য বিশ্ববিখ্যাত বায়তুল-হিকমাহ গবেষণাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন। সংগীতা ঐশির সঙ্গে একমত পোষণ করে বলে যে তাঁর রাজত্বকালকে মুসলিম জ্ঞান-বিজ্ঞানের ইতিহাসের স্বর্ণযুগ বলা হয়।

গ. উদ্দীপকে ঐশি কোন শাসকের জ্ঞান-বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষকতার কথা বলেছেন? ব্যাখ্যা কর।

ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত শাসকের শাসনকালকে আব্বাসীয়দের জ্ঞান-বিজ্ঞানের স্বর্ণযুগ বলা হয় কেন? যুক্তি দাও।                        

৭. আকিব একটি খিলাফতের পতন সম্পর্কে তার নানার কাছে গল্প শুনছিল। ৫০০ বছরের অধিককাল শাসন করে এই রাজবংশ একদিকে যেমন সফলতার চরম স্বর্ণশিখরে পৌঁছে, অন্যদিকে বিভিন্ন কারণে এই বিশাল সাম্রাজ্যের পতন সূচিত হয়। এ ছাড়া জনৈক মোঙ্গল নেতা এই রাজ্যের রাজধানীতে আক্রমণ করে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেন। এই বংশের শেষ খলিফাকে হত্যার মাধ্যমে এর চূড়ান্ত পরিসমাপ্তি ঘটে।

গ. উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনাটি তোমার পঠিত কোন রাজবংশের পতনের কারণগুলোর সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ?

ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত রাজবংশের পতনের চূড়ান্ত কারণটি তোমার পাঠ্য বইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা কর।


আপনার মন্তব্য