শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:২০, বৃহস্পতিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ আপডেট:

'ঢাকা অ্যাটাক'র আয় এবং প্রসেনজিত প্রসঙ্গ...

দীপঙ্কর দীপন
অনলাইন ভার্সন
'ঢাকা অ্যাটাক'র আয় এবং প্রসেনজিত প্রসঙ্গ...

ভেবেছিলাম বিষয়টা নিয়ে লিখব না। ঢাকা অ্যাটাক কি ব্লকবাস্টার ছবি, সুপারহিট ছবি, হিট ছবি নাকি ফ্লপ ছবি, কতটুকু সত্যবাদিতা ছিল ঢাকা অ্যাটাকের আয় সম্পর্কিত তথ্যে, সেগুলো নিয়ে কিছু প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তার পরেও ভেবেছিলাম থাক কিছু বলব না এ নিয়ে। অতীত নিয়ে কথা বলব, নাকি ভবিষ্যত নিয়ে কাজ করবো। পরেরটাই বেশি জরুরী মনে হয়েছিল।

চরম ব্যস্ততায় দিন চলছে। এর মধ্যে এক খুব কাছের সম্ভাবনাময় ছোট ভাইয়ের ফোন, হোয়াটস্যাপে, বলল, 'দাদা যদি আপনার জন্য না ও লাগে প্লিজ কিছু আমাদের জন্য হলেও বলেন। যেই ১৫-৩৫ বছরের নতুন সিনেমা দর্শকদের পুঁজি করে - বিশ্বাস করে ঢাকা অ্যাটাক বানিয়েছিলেন বলে ইন্টারভিউএ বলেছিলেন, যারা ঢাকা অ্যাটাককে ৪ মাস ধরে সিনেমা হলে চালাল, এখনও চালাচ্ছে। যাদের আগ্রহের কারণে, ভালবাসার কারণে, লেখালেখির কারণে বিশ্বের ১৭টি দেশের ৫১টি শহরের মানুষ ঢাকা অ্যাটাক দেখতে চেয়েছে। এখনও দেখতে চাইছে। টিভি রাইটস বিক্রি হয়েছে একটা বড় অঙ্কের টাকা দিয়ে এবং আরেকটি চ্যানেল রিলিজে পর তার ডাবল মূল্য অফার করেছে। অক্টোবর থেকে বাংলাদেশকে মাতিয়ে রেখেছে যে সিনেমা, গত বছর ফেসবুকে যে ৫টি বিষয় নিয়ে ফেসবুকে বেশি কথা হয়ে- তার মধ্যে একটি ঢাকা অ্যাটাক। পত্র-পত্রিকা হলের বরাত দিয়ে নিউজ করেছে- ঈদ ছাড়াই ঈদের সেল। সেই ছবির প্রডিউসারের কিভাবে দেড় কোটি টাকা লস হয়? আপনি কি অনেক বেশি খরচ করে ফেলেছিলেন?'

যখন একথা বলে, মনে মনে হাসি। মনে পড়ে যায় কলকাতায় আমার আর ফয়সালের বাথরুম পরিষ্কার করার দিনগুলোর কথা। পোস্ট প্রোডাকশনের কারণে তিন মাস কলকাতাতে থাকতে হয়েছিল। কারণ এতে গ্রাফিক্সের কাজ ছিল প্রচুর। প্রায় ২৩ মিনিটের মত ২৭০০ ফ্রেম। কোলকাতায় ২ জন থাকতে গেলে ৩,০০০ টাকার কমে কোন নিরাপদ সামাজিক হোটেল পাওয়া যায় না। ৯০ দিনে প্রায় ২,৭০,০০০ টাকা লাগবে। এটা বাঁচানোর জন্য আমরা মাসিক ১৫,০০০ টাকা দিয়ে অখ্যাত জায়গায় একটা ২ কামরার বাড়ি ভাড়া নিয়েছিলাম। সে বাড়ির অবস্থা ছিল সেইরকম, এসি ছিল, সেই এসির ৫ জায়গা দিয়ে জল পড়ত এসি চলত না। আরেকটি ঘরে কোন জানালা নেই, প্রচণ্ড গরম। যেখানে ফয়সাল ঘুমাত। বাথরুমে পানি আটকে যেত। আমি আর ফয়সাল মিলে বিগ বাজার থেকে বাথরুম পরিষ্কার করার জিনিসপত্র নিয়ে এসে বাথরুম পরিষ্কার করতাম। যেটা আমরা কখনো এখানে করিনি। কয়েকবার আমার বউ এসে কাপড়-চোপড় বিছানা-পত্র পরিষ্কার করে দিয়ে গেছে। হোটেলের মতো সারভিস কোথায়?

আমার টিম সবসময় বাসে করে আসত। ফয়সাল একবার আমাকে না বলে প্লেনের টিকিট কেটে ছিল বলে রাগে আমি ওর সাথে ৭ দিন কথা বলিনি। ভাই খরচটা বাড়লে কিন্তু প্রোডাকশন কস্টে গিয়েই পড়বে। আমিও ২/৩ বার বাসে এসেছিলাম ওদের সাহস দেওয়ার জন্য কিন্তু ব্যাকপেইনে কাহিল হয়ে তিনদিন বিছানায় পড়ে থাকতে হয়েছিল। অরুপকে কত কষ্ট দিয়েছি টাকার জন্য। বারবারই আমাকে বলা হয়েছে নাটকের নির্মাতারা নাকি বাজেট বেশি খরচ করে ফেলে। আমাদের লক্ষ্য ছিল ঢাকা অ্যাটাকে সেটা যেন না হয়, আমাদের কষ্ট হয় হোক, এমনকি সিনেমার ক্ষতি হয় হোক। আমার প্রডিউসার বাঁচলে আমি পরের ছবি করার ‍সুযোগ পাব। প্রডিউসার আমার কাছে সিনেমার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ।

তাই ঢাকা অ্যাটাকের লাস্ট পার্ট শ্যুট করেছিলাম অনেকটা সস্তা সিরিয়াল শ্যুট করার স্টাইলে। সস্তা সিরিয়ালগুলোয় যেমন একই দিনে আর্টিস্ট টানাটানি করে তিন ক্যামেরায় তিনটা জোন করে কাজ হয়। একই আর্টিস্টদের টানাটানি করে ঢাকা অ্যাটাকের অনেক দিনের শ্যুট এভাবে হয়েছে, খরচ কমানোর জন্য। ঢাকা অ্যাটাকের অনেক সিনের শ্যুট হয়েছে 5D ক্যামেরা দিয়ে। মানে সিনেমার যে বেসিক শ্যুটের একটা নিয়ম আছে, সেটাকে সম্পূর্ণ ভেঙ্গে হাজারটা মিস ম্যানেজমেন্টের মধ্যেও যেন শিডিউলড ডেটে সঠিক সময়ে, কোয়ালিটি নস্ট না করে সিনেমাটা শেষ করার জন্য জান-প্রাণ দিয়ে কাজ করেছিলাম।

আমাদের এই কাজের চাপ, সমঝোতা করার মানসিকতা এবং আমাদের এরকম কাজের দৃষ্টিভঙ্গি দেখে কোন ডি ও পি আমার সাথে পরের লটে কাজ করতে রাজি হয়নি। ডিওপি বদলাতে হয়েছে। সৌভিক নিয়ে লাস্ট লটটা কুত্তার মত খেটে আমরা শেষ করি। আমরা ঢাকা অ্যাটাকটা নির্দিষ্ট ডেটের তিনদিন আগে শ্যুট শেষ করি। এবং গানটা খুবই অন্যরকম ভাবে শ্যুট করার প্লান ছিল। শুভ, মাহি, নওশাবা, এ বি এম সুমন, শতাব্দী সবাইকে নিয়ে। ডেট ও নিয়ে রেখেছিলাম। করতে পারিনি। যেন বাজেটটা ক্রস না করে। সেটা বাজেট ক্রস করে কীভাবে এত টাকা হয়ে গেল?

এতটাকা খরচ করতে পারলে কি আমাকে এত কষ্ট করতে হয়, কালারিস্ট এর কাছে ছোট হতে হয়, মাল্টিকালার, মাল্টিকোয়ালিটি ফুটেজের জন্য। সে বিষয়টা নিয়েও আমি কখনো কিছু বলতে চাইনি। তারা আমার প্রথম ছবির প্রডিউসার। সারা জীবন আমি তাদের কে মাথায় করে রাখব। যতদিন পর্যন্ত আমার কাছে শেষ শক্তিটুকু আছে, যেভাবে পারি তাদের কাজে আসবো । তাদের সাথে কাজ করা হোক আর না হোক। আমার সবটুকু দিয়ে আমি তাদের সেবা করে যাব সবসময় যদি তারা চায়। একটা নতুন ঘোড়ার উপর বাজি ধরেছিল তারা। তাদের সবকিছু আমি মাথা নত করে নিলাম। কিন্তু কথা বলা দরকার আসলে বাজার নিয়ে। ওটা ভীষন জরুরি। ঐ যে সবার স্বার্থের বিষয় তাই ক্ষমা বা পাশ কাটিয়ে যাওয়া উচিত না।

বিশাল সম্ভাবনাময় বাংলাদেশের সিনেমার বাজার- যেটাকে অনুধাবন করতে পেরে কোলকাতার মমতা ব্যনার্জী পর্যন্ত বড় কালচারাল টিম পাঠিয়েছিল সরাসরি বাজারটা খুলে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করতে। অনেক বার এই ব্যাপারে কথা হয়েছে। সেই বাজারটাকে, আমাদের সম্ভাবনাময় বাজারটাকে কেন আমরা নিজেরা ছোট করছি? ইন্টারন্যশনাল সিনেমার যেই বিপণণ সিস্টেম আছে, শেয়ারিং সিস্টেম আছে , সে হিসাবে ঢাকা অ্যাটাকের প্রডিউসারের যেখানে ৭-৮ কোটি টাকা থাকার কথা, টিভি রাইটস এবং ইন্টারন্যাশনাল দিয়ে আরও বেশি। সেখানে সে কেন ২ কোটি টাকা পাবে? তাহলে বাকি টাকাটা কোন সিস্টেমে খায়? সিস্টেমের কোন ভূতে খায়? এগুলো ফোকাস হওয়া উচিত।

ঢাকা অ্যাটাককে ফ্লপ ছবি বানিয়ে কী লাভ হবে, তরুন সমাজ অংক দিয়ে ফেসবুকে বুঝিয়ে দিচ্ছে না। ঢাকা অ্যাটাকের যেই ক্রেইজ তৈরী হয়েছিল, সেই ক্রেইজকে ছোট করলে আমাদের কোন উপকার হবে না। বরঞ্চ এই ক্রেইজটা আমদের সাহসী হতে শেখায়। আপনার বাড়িতে যদি একটা খুব মিষ্টি একটা আম গাছ থাকে সেই আম গাছটির আম যদি পোকার কারণে পাকতে না পারে, আপনি কি করবেন তখন? আম পাকছে না দেখে রাগ করে গাছটি কেটে ফেলবেন? না পোকা দূর করবেন? কোনটা বুদ্ধিমানের কাজ? আপনারাই ভাবুন। বিষয়টা নিয়ে লেখা দরকার।

অনেক জায়গাতে ঢাকা অ্যাটাক অনেকভাবে ইনকাম করেছে। স্যাটেলাইট রাইটস, অনলাইন রাইটসও, ইন্টারন্যাশনাল ডিসট্রিবিউশন, স্পনসর , আরও কত কি? ঢাকা অ্যাটাকের পোস্টারের নিচে যে অসংখ্য লোগো দেওয়া আছে ওগুলো নিশ্চয়ই পোস্টারের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য দেয়া হয়নি। লেখাটা লিখতে অনেক তথ্য, উপাত্ত, অনেক মার্কেট সেল রিপোর্ট অনেক কিছু দরকার। কিন্তু এটার জন্য যে সময়টুকু দরকার সে সময়টুকু পাচ্ছি না। সময়টা কেন পাচ্ছি না তা বলি। একটা আশার গল্প শোনা যাবে হয়ত। দিন শেষে আমরা তো আশার গল্পই শুনে বেঁচে থাকি।

যে গল্পটা প্রসেনজিত চ্যাটার্জীকে কাস্ট করতে এসেছি, সেটার নাম যেহেতু ঠিক হয়নি, তাই আপাতত ধরি নাম প্রজেক্ট নায়িকা। সেই গল্পটা আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ গল্প। ঢাকা অ্যাটাকের রিলিজের দিন সাতেক পরেই ১৫ অক্টোবার থেকে ঢাকা অ্যাটাকের সাফল্য উদযাপন করার পরিবর্তে আমরা কাজে ডুবে গিয়েছিলাম। আমি, আসাদ জামান, শাহজাহান সৌরভ, হাসনাত বিন মতিন ৪ জন মিলে। আমাদের সুপারভাইজ করত জুয়েল ভাই এবং হায়দার ভাই। আমরা গল্পটা ডেভেলপমেন্টের কাজ শুরু করি। প্রথমে ডিজাইনটা করি। একটা আপাদমস্তক বাণিজ্যিক ( প্রচলিত ধারণা থেকে) গল্পকে ইন্টেলিজেন্টলি বলা আমাদের এই মুভির চ্যালেঞ্জ। সমকালীন ধারায় একটা সেমি মাসালা গল্পকে বলতে চেয়েছি- যে ধারায় এখন ড্যারেন আরফোনস্কি, টারানটিনো, চ্যান পাক উক, টিম মিলার, নোলান, বং জন হু, অনুরাগ কাশ্য রা গল্প দেখাচ্ছেন- সেই ধারাটাকে বাংলায় মেশালে কি হয়, তার একটা চেস্টা, কিন্তু বানিজ্যিক সফলতা সবার আগে।

৯০ থেকে ২০১৭ এর হার্ড রকের একটা জার্নি যে গল্পে পাওয়া যাবে। যে গল্পের ২য় নায়কের নাম রাফায়েল স্যানটি। ডিজাইন হয়ে গেলে শুরু হয় লেখার কাজ। সি-নে-মাসের চারজন মিলেই শুরু করেছিলাম। তারপরে একটা পর্যায়ের পরে অর্ক মোস্তফা জয়েন্ট করে, অর্ক আমার দীর্ঘ ১০ বছরের কাজের সাথী। পরে স্ক্রিপ্টটা ফাইনালি অর্ক এবং আমি মিলে লেখে ফেলি। ২০১২ সালে গল্পটা প্রথম মাথায় আসে যখন এসএটিভির রোকেয়া আপা একটা টেলিফিল্ম চেয়েছিল। গল্পটা লিখে ফেলার পর আর এসএটিভিকে দেইনি। মনে হয়েছিল এটা সিনেমার জন্য জন্ম হয়েছে, সেবার এসএ টিভিতে কাজ করা হয়নি, তাও গল্পটা রেখে দেই সিনেমার জন্য। কিন্তু তখন জানতামই না সিনেমা বানাতে পারব কি পারব না। ঢাকা অ্যাটাকের সেকেন্ড লটের শ্যুটের আগেই আসাদ জামানকে পেমেন্ট করেছিলাম চিত্রনাট্যের জন্য। ও তখন কাজও করেছিল। ২০১৪ সালে। এই যে এরকম ৫ বছর ধরে ছিলাম আমরা গল্পটার সাথে। এই গল্পটাতে বুম্বাদার (প্রসেনজিত) যুক্ত হওয়ার খুব দরকার ছিল। ডিরেক্টর হিসেবে ক্যারেক্টারের ডিমান্ড হিসেবে আমি যা বুঝি সেই জায়গাটার কারণে। এখানে একটি ক্যারেক্টারকে দুটি রোল প্লে করতে হবে- 

>একটিতে থাকবে ২৭/২৮ বছর বয়সের আন্ডারগ্রাউন্ড হার্ডরক ব্যান্ডের সাথে যুক্ত একটি বখে যাওয়া ছেলে। 
>অন্যটি ৫০ বছর বয়স্ক ইতালিতে চূড়ান্ত সফল একজন ব্যবসায়ী, যে একজন উদাসীন মাফিয়া এবং একজন কবি। 
>দুটো ক্যারেক্টারই চোস্ত ইংরেজি বলে, ভাল বাংলা বলতে পারে না। আমার ও আমাদের টিমের জানার জায়গা থেকে এপাশে বুম্বাদা আর ওপাশে আমির খান ছাড়া কাউকে পাইনি। আমির খানের কাছে পৌঁছাতে পারবো না, আর উনি বাংলা পারেনও না। এজন্য ভরসা ছিল বুম্বাদা। বুম্বাদা পছন্দ করে কী না করে, পছন্দ না করলে যেভাবে গল্পটা এতদিন ধরে ভেবেছে সেভাবে করতে পারবো না। এই গল্পটার ফরমেটটা চেঞ্জ করা আমাদের জন্য খুব মনোকষ্টের হবে এবং এতে ভয়ও ছিল সেটা হয়তো আমাদের পক্ষে সম্ভব হবে না। আমার, অর্কের, হাসানাতের অনেক কষ্টের ফসল এই চিত্রনাট্য। তাই তৈরী হচ্ছিলাম বুম্বাদাকে গল্পটা শোনানোর জন্য। কারণ যারা তাকে চেনে তারা জানে, গল্পে পছন্দ না হলে তাকে দিয়ে কেউ কোন কাজ করাতে পারে না, কোন অনুরোধ বা চাপেই।

এর মধ্যে সায়কের বিয়ে। ও আমাদের ঢাকা অ্যাটাকের ইপি ছিল। বেশ রাতে কলকাতা থেকে রওয়ানা করেছি, বেশ দূরে। যেতে যেতেই রাত সাড়ে এগারটা বারোটা। খুব ইচ্ছে করছিল বিয়েটা পুরো থাকতে, কিন্তু পারিনি। কারণ দিন পরেই আমার সাথে বুম্বাদার পিচিং ছিল। অনেক কাজ বাকী ছিল, গল্পে একটা খটকা তখনও যায়নি। হাসানাতের ভাষায় মাস্টারস্ট্রোক নাকি আমার কাছ থেকে লাগবে, যে নাকি সবসময় লাস্ট মোমেন্টে এমনি এমনি আসে। গল্পে সেটারও অভাব বোধ করছিলাম। পিচিং নিয়ে একটা আমার মিনিমাম ট্রেনিং হয়েছিল ২০০৭ এ বার্লিন ফিল্ম ফেস্টিভাল এ, একজন খুব ভাল পিচ এক্সপার্ট এক দিনের একটা ট্রেনিং করিয়েছিল আমাদের সাতজনকে। যে ৭ জন তাদের প্রজেক্ট দিয়ে ৪২০০ জনের মধ্যে টিকেছিল। সেই জ্ঞান আর তো পিচটা ঝালাই করে নেওয়ার জন্য গাড়িতে যার সাথে আসছিলাম, সে আমার নতুন পরিচিত হবার পরেও তাকে গল্পটা শেয়ার শুরু করি। গল্পটা যখন শেষ হয় তখন শিয়ালদাহ পৌঁছে গেছি। আমরা প্রাইভেট কারে করে আসছিলাম।

গল্পটা শোনার পরে আমার প্রতি তার ইম্প্রেশন চেঞ্জ হয়ে গেল। সে বলল যে, ভাই একটু বসেন। আমার পক্ষ থেকে একটা চা সিগারেট খান-এটা আপনার গল্পটার জন্য। এই ধরনের কোন গল্প আমি শুনিনি কখনো বাংলা ভাষার কোন ছবিতে। পরের পরের দিন বুম্বাদার সাথে শেয়ার করা হল গল্পটা। গল্পটা শোনার ২০ মিনিটের মাথায় বুম্বাদা ফোনটা সাইলেন্ট করে দিলেন, রুমে কাউকে ঢুকতে মানা করে দিলেন এবং অফিসে যে গেস্টরা ছিল বলে দিলেন যে আজ দেখা করবেন না, পরে ফোনে যোগাযোগ করবেন। তারপরে আমাকে বললেন এবার বলতে থাকেন গল্পটা। পুরোটা শেষ করার পরে বললেন যে ছবিটা আমি করছি। এক দুই কথায় বললেন, সেই যে আপনার ১৫-৩৫ বছরের আধুনিক স্মার্ট বাংলা ছবির দর্শক, তারা পছন্দ করবে তো এই গল্প?

বিনয়ে বলি, বুম্বাদা যদি এটা বাংলাদেশের মতো করে বানাতে পারি তাহলে তারা পছন্দ করবে। কলকাতার মতো করে বানালে নেবে না। এক ফাঁকে 'ডু অর ডাই' নিয়ে কথা হচ্ছিল। বুম্বাদা হাসতে হাসতে বললেন, ডু অর ডাই তো অসাধারণ প্রোজেক্ট দীপন, এখানে কোন ভারতীয় অভিনেতা নেয়ার কোন স্কোপ নেই? আমি আরো বিনীত হয়ে বললাম যে, 'সরি বুম্বাদা। এটা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের গল্প, ২৩-২৭ বছর বয়সী নয়জন দূর্দান্ত সাহসী মুক্তিযোদ্ধার গল্প এবং এটা একদম আমাদের দেশের পারফরমার নিয়ে করতে চাই। তার একদম আমাদের দেশে তৈরি আছে।'

বুম্বাদা খুব এপ্রিশিয়েট করল। ঠিক হলো ৯ তারিখে আবার বসতে হবে বাজেট হবে, শিডিউল হবে, প্লানিং হবে অন্যান্য কাস্টিংগুলো ঠিক হবে, অডিশন হবে, অনেক লম্বা সময় ধরে মিটিং চলবে সেদিন। সেই মিটিং এর প্রিপারেশন চলছে টানা। টানা হোটেলে। আমার তাই হয়, এতবার কলকাতা এসেও আমি কোনদিন কখনই আমার খুব পছন্দের জায়গা টাটা বিরলা প্লানেটোরিয়াম যেতে পারিনি। ভিক্টোরিয়া দেখিনি, নন্দন দেখিনি, কিছু দেখিনি। ৯ তারিখের অনেক ব্যস্ততা, তার ফাঁকে ডু অর ডাই এর রিসার্চে ফাইল চেক করা।

৯ তারিখটা পার হোক, তারপর লিখবো ঢাকা অ্যাটাকের হিট ফ্লপ নিয়ে। ঢাকা অ্যাটাকের সফলতা, এটার আয়, এটার ব্যয়-অপব্যয়, এটার অসচ্ছতা, এটার প্রাপ্তি, প্রাপ্তির ঔচিত্যবোধ, প্রাপ্তির বাস্তবতা। সবকিছু লিখব। লিখতেই হবে। যারা ঢাকা অ্যাটাককে ছোট করতে গিয়ে নিজেদের বাজারের সম্ভাবনার জায়গাটা ছোট করছেন, তরুণ প্রজন্মের শক্তিতে ছোট করছেন- তাদের জন্য খারাপ লাগে। এই শক্তি আপনারও শক্তি। সিনেমায় বাংলাদেশের বাজারের যে বিশাল সম্ভাবনা আছে, সেটাকে আমাদের ধারণ করতে হবে। লাভবান আমাদেরই হতে হবে অন্যদের নয়।

বাংলাদেশে এখন যে সিনেমা হলের কাঠামো আছে সেই কাঠামোতেই দর্শকরা একটা ছবিকে ১০ কোটি টাকা পাইয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। শুধু অল্প কয়েকটা জায়গা ঠিক করতে হবে। দেশে যদি মাল্টিপ্লেক্স বাড়ে বাজারটা আরো বেড়ে যাবে। সেটা হলে, একবার ভাবতে পারেন কতটা কাজের ঝোঁক বেড়ে যাবে আমাদের নির্মাতাদের। আমাদের দেশে অসংখ্য মেধাবী নির্মাতা আছে তারা কীই না করতে পারে, এই বাজার এই টাকাগুলো পেলে। লিখবো তথ্য রিপোর্ট নিয়েই লিখবো।

কয়েকটা দিন একটু সময় দিন, তথ্যগুলো জোগাড় করি আর প্রজেক্ট নায়িকার কাজ একটু এগিয়ে নেই। সিনেমার কাজই তো করছি, জানি আপনারা এই দেরি করাটা মাফ করে দেবেন। একটা কথা বলে শেষ করি। মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়, আর সিনেমা তার বাজারের সমান বড়। আমাদের সিনেমাটা ছোট করে দেবেন না প্লিজ, যে সিস্টেম বা যারা ছোট করছে, তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ান। বাংলাদেশি সিনেমার দিন ফিরবেই। এই প্রজন্মের হাতেই ফিরবে।

সবাই ভাল থাকবেন। প্রার্থনা করি, দোয়া করবেন আমার জন্য, যেন আমি সুস্থ থাকতে পারি। ইদানীং শ্বাসকস্ট হয়, সুস্থ থাকাটা আমার কাছে সব কিছুর চেয়ে জরুরি।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)


বিডি প্রতিদিন/৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮/ফারজানা

এই বিভাগের আরও খবর
এক হাজার কোটি টাকার মালিক সুমন, ফেসবুকে জাওয়াদ নির্ঝর
এক হাজার কোটি টাকার মালিক সুমন, ফেসবুকে জাওয়াদ নির্ঝর
‌‘এতো আশ্চর্য আর কোনোদিন হইনি’
‌‘এতো আশ্চর্য আর কোনোদিন হইনি’
আশিক চৌধুরী ইস্যুতে ক্ষমা চাইলেন ছাত্রদলের সেই নেত্রী
আশিক চৌধুরী ইস্যুতে ক্ষমা চাইলেন ছাত্রদলের সেই নেত্রী
‘কত বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রি ডুবাচ্ছেন সেটা একবার ভাবেন’
‘কত বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রি ডুবাচ্ছেন সেটা একবার ভাবেন’
‘একটা সিনেমা আটকে দেয়া মানে কতগুলো স্বপ্নকে দাফন করে দেয়া’
‘একটা সিনেমা আটকে দেয়া মানে কতগুলো স্বপ্নকে দাফন করে দেয়া’
‌এবারের শোভাযাত্রা কেবল আরও ইনক্লুসিভ হবে তা না, আরও কালারফুল হবে
‌এবারের শোভাযাত্রা কেবল আরও ইনক্লুসিভ হবে তা না, আরও কালারফুল হবে
ফেব্রুয়ারিতে ইন্টারনেটে ২৬৮ ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে রিউমার স্ক্যানার
ফেব্রুয়ারিতে ইন্টারনেটে ২৬৮ ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে রিউমার স্ক্যানার
নতুন জীবনের জন্য দোয়া চাইলেন সারজিস
নতুন জীবনের জন্য দোয়া চাইলেন সারজিস
আগে সুন্দর করে একটু বাঁচি, তারপর হাজারো প্রশ্নের উত্তর দেব
আগে সুন্দর করে একটু বাঁচি, তারপর হাজারো প্রশ্নের উত্তর দেব
হাসিনার কারণে বিএনপিতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন তার স্বামী ড. ওয়াজেদ!
হাসিনার কারণে বিএনপিতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন তার স্বামী ড. ওয়াজেদ!
জামায়াত নেতাদের প্রশংসা করে ফেসবুকে যা লিখলেন গোলাম রাব্বানী
জামায়াত নেতাদের প্রশংসা করে ফেসবুকে যা লিখলেন গোলাম রাব্বানী
‘যে বলে কেন প্রেমে পড়েছি জানি না, ওরা মিথ্যা বলে’
‘যে বলে কেন প্রেমে পড়েছি জানি না, ওরা মিথ্যা বলে’
সর্বশেষ খবর
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৯ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৯ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

১০ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৪ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন