শিরোনাম
প্রকাশ : ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২২:০৯

মারজুক আমার গভীর গোপনতম ভাই ব্রাদার

মোস্তফা সরয়ার ফারুকী

মারজুক আমার গভীর গোপনতম ভাই ব্রাদার
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী

ফেসবুকে মতামত দেয়া থেকে বিরত আছি বহুকাল। কিন্তু একটা বিষয়ে হৈচৈ দেখে কথা না বলে পারলাম না। মারজুক রাসেলের কবিতার বই বিক্রি হচ্ছে। এটা নিয়ে অনেকেই তাদের বিরক্তি প্রকাশ করছেন। মারজুক আমার গভীর গোপনতম ভাই ব্রাদার। শুরুর দিকে ও যখন আমার সাথে থাকতে শুরু করে, তখন থেকেই ওর উপর এলিটিস্ট (অভিজাততান্ত্রিক) অবজ্ঞা দেইখা আসতেছি। প্রথম থেইকাই এই অবজ্ঞারে ঝাঁটা মারাকে আমার পবিত্র দায়িত্ব হিসাবে আমি তুইলা নিছিলাম। সেটা করছি কোনো কথা না বইলা! একসাথে কাজ করার মধ্য দিয়া।

এই অবজ্ঞার আরেকটা নমুনা দেখলাম আজফার হোসেনের পোস্টে। সেখানে উনি মারজুক রাসেল কেডা এটা জানতে চাইছেন। তা জানতে চাইতেই পারেন। না জানলে, জানতে চাওয়াটা দোষের কিছু না। কিন্তু এই ধরনের পোস্টের উদ্দেশ্য যে "জানতে চাওয়া" না হইয়া "তুচ্ছ করতে চাওয়াও" হইতে পারে এটা আজিকার শিশুরাও বোঝে। আজফার ভাইয়ের কাজ কর্মের প্রতি আমার শ্রদ্ধা আছে। সত্যিই যদি উনি জানতে চাইতেন তাহলে কাউরে জিগাইলেই পারতেন। বা ওর দু'য়েকটা কবিতা ঘাইটা পড়লেও পারতেন। পড়ার পর উনার ভালো লাগতে পারতো, খারাপও লাগতে পারতো। উনি ভাবতেই পারতেন এই কবিতার বই কেনার কী আছে। মানুষের হরেক রুচি। কারো এইটা ভালো লাগে, তো আরেকজনের ঐটা ভালো লাগে। 

কিন্তু এইটুকু পরিশ্রম না কইরা "জানতে চাওয়া" বিষয়ক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে আমার মনে হয় উনি কাউরে বাতিল করার এলিটিস্ট তরিকাটা অ্যাপ্লাই করলেন। উনার (এবং উনার মতো আরো অনুসন্ধিৎসুদের) সুবিধার্থে মারজুকের পরিচয় নিচে সংযুক্ত করা হইলো :

নাম : মারজুক রাসেল
মাতা : হোসনে আরা
পিতা : শেখ সিকান্দার
সাং : টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ
জন্ম : ১৫ আগস্ট, কোনো এক সময়।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য