শিরোনাম
প্রকাশ: ২৩:৫১, বুধবার, ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ আপডেট:

আমেরিকার আমিশ সম্প্রদায়

ডা. মাহবুবর রহমান
অনলাইন ভার্সন
আমেরিকার আমিশ সম্প্রদায়

বহুদিন থেকে আমেরিকার আমিশ সম্প্রদায় সম্পর্কে শুনে আসছিলাম। এবারের আমেরিকা যাত্রায় এদের জীবনযাপন সামনাসামনি থেকে অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ চলে এলো।

মেরিল্যান্ড থেকে সোজা উত্তর দিকে টানা তিন ঘণ্টার গাড়ি ভ্রমণ শেষে পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের ল্যাংকাস্টার কাউন্টিতে পৌঁছালাম। মেরিল্যান্ডের তুলনামূলক সমতল ভূমি পার হয়ে ছোট ছোট পাহাড় ঘেরা ঢেউ খেলানো পেনসিলভানিয়া প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। এখানে এখন গ্রীষ্মকাল হওয়ায় চারিদিকে ঘন সবুজের উৎসব। ফসিল ফুয়েলের ব্যবহার মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা অস্বাভাবিক হারে বেড়ে চলেছে। ফলে আগের চেয়ে এই অঞ্চলের উত্তাপও বেড়ে গেছে। তবে বাতাসে জলীয় বাষ্পের আর্দ্রতা কম থাকায় এখানের গরম অনেকটা সহনীয়।

কারা এই আমিশ সম্প্রদায়?

এখন থেকে প্রায় পাঁচশ বছর আগে সুইজারল্যান্ডে ক্যাথলিক চার্চের একটি ক্ষুদ্র অংশ বাইবেলের মৌলিক  নির্দেশনা  এবং প্রকৃতির সাথে ঘনিষ্ঠ  জীবনযাপন পদ্ধতি নিয়ে মূল চার্চের সাথে মতপার্থক্য দেখা দেয়ায় ব্যাপটিজম বিরোধী (অ্যানাব্যাপটিস্ট) একটি সম্প্রদায়ের উদ্ভব হয়। এরই একটি শাখা জ্যাকব আম্মান এর নেতৃত্বে আমিশ গোষ্ঠীর উৎপত্তি। ক্যাথলিক  চার্চের রীতি অনুযায়ী জন্মের পরপর শিশুকে পবিত্র পানি দিয়ে গোসল করিয়ে খৃষ্ট ধর্মে দীক্ষিত করা হয় যাকে ব্যাপটিজম নামে অভিহিত করা হয়। আমিশ মতে যেহেতু শিশু নিষ্পাপ হয়েই জন্মগ্রহণ করে তাই তাকে জন্মের পরপর  ব্যাপটিজম করার প্রয়োজন নেই। আমিশ মতে শিশু যখন বয়ঃসন্ধিকাল প্রাপ্ত হয় তখনই তার ব্যাপটিজম সম্পন্ন হয়। এইরূপ কিছু ধর্মাচার ও জীবনযাপন পদ্ধতি নিয়ে মতপার্থক্য তৈরী হওয়ায় মূল চার্চের সাথে আমিশদের দ্বন্দ্ব ক্রমেই বেড়ে চলে।

যেহেতু রাষ্ট্রের উপর চার্চের কর্তৃত্ব ছিল অপরিসীম তাই আমিশদের উপর রাষ্ট্র তথা চার্চের অত্যাচার ও নিপীড়ন ক্রমেই অসহনীয় হয়ে পড়ে।  ভিন্নমত পোষণ করার জন্য বহু আমিশ সম্প্রদায়ের মানুষকে হত্যা করা হয় ( স্মর্তব্যঃ আমাদের অঞ্চলের আহমাদিয়া সম্প্রদায়! )। তারা ধর্ম ও জীবন বাঁচাতে জার্মানী, হল্যান্ড সহ ইউরোপের অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু ধীরে ধীরে ঐসব দেশের সরকার ও চার্চের অত্যাচারও বৃদ্ধি পেতে থাকে। ফলে ১৭২০ সালের দিকে আমিশরা দলে দলে আমেরিকায় পাড়ি জমাতে থাকে। আজকের আমেরিকার পেনসিলভানিয়া, ওহাইও সহ বিভিন্ন রাজ্যে তারা বসবাস করছে। তবে সবচেয়ে বড় সমাবেশ হলো পেনসিলভানিয়া রাজ্যের ল্যাংকাস্টার কাউন্টিতে। (কাউন্টি হলো আমাদের দেশের জেলাসদৃশ প্রশাসনিক ইউনিট)। শুধু এই কাউন্টিতেই রয়েছে প্রায় তিন লক্ষ আমিশ সম্প্রদায়ের বসবাস।

ঈশ্বর, পরিবার , কমিউনিটি ও প্রকৃতিঃ আমিশ দর্শনের মূল ফোকাস

আমিশদের কাছে সবার আগে ঈশ্বরের আদেশ শিরোধার্য। তারা বাইবেলের সব অনুশাসন এবং নির্দেশাবলী অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে বদ্ধপরিকর। এরপর আসে কমিউনিটি বা সম্প্রদায়ের মংগলার্থে  বিভিন্ন কার্যক্রম। আমিশরা মনে করে প্রকৃতি ঈশ্বরের প্রতিভূ। প্রকৃতির মধ্য দিয়ে ঈশ্বরের প্রকাশ। তাই প্রকৃতির কোন মৌলিক পরিবর্তন কাম্য নয়। এজন্য তারা অযান্ত্রিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে। প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে চলে আসা ঘোড়া দিয়ে হালচাষ করে ফসল উৎপাদন করে। ফসল উৎপাদন, কুটিরশিল্প এবং নিজেদের ব্যবহার্য পোষাক নিজেরাই উৎপাদন করে থাকে। তারা গৃহস্থালী কোন কাজে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে না। ঘরে কোন ফোন ব্যবহার করে না। ব্যবসায়িক কাজে ফোন জরুরি হলে ঘরের বাইরে নির্দিষ্ট একটি স্থানে ফোন রেখে দেয়। তারা ব্যক্তিকে কোনভাবে ফোকাস করে না। এজন্য পুরুষ মহিলারা একরঙা সাদাসিধে কাপড় পরিধান করে থাকে।

আমিশরা মনে করে মানুষ তার কাজের মধ্যে বেঁচে থাকে, তার বাহ্যিক অবয়ব বা চাকচিক্য দিয়ে নয়। ব্যক্তি স্বাতন্ত্র ইহজাগতিক বিষয়, যা বাইবেলের শিক্ষার সাথে সাংঘর্ষিক। এজন্য আমিশ সম্প্রদায় কোনো প্রকার ফটোগ্রাফ, প্রতিকৃতি , টেলিভিশন ইত্যাদি পছন্দ করে না। তারা চায় না তাদের ছবি কেউ ক্যামেরাবন্দী করুক। ইহলৌকিক জগৎ থেকে একটা দূরত্ব, একটা মোহমুক্ত, উচ্চাভিলাষহীন সাদামাটা রহস্যঘেরা  জীবনযাপনই তাদের কাঙ্খিত দর্শন। ইহজাগতিক সেক্যুলার দর্শনের কারণে তারা আমেরিকার জাতীয় দিবসসমূহ যেমন স্বাধীনতা দিবস, শ্রমদিবস ইত্যাদি পালন করে না।

আমিশদের পরিবার:

আমিশদের পরিবার অনেকটা আমাদের দেশের হারিয়ে যাওয়া যৌথপরিবারের মত। বাবা মা সন্তান নিয়ে একান্নবর্তী পরিবার। বয়স্ক বাবামায়ের যত্ন নেয়া আমিশদের বাইবেল নির্দেশিত কর্তব্য। বাবা মা বৃদ্ধ হলে তাঁদের জন্য একটি টেকসই ঘর তৈরি করে তাদের সার্বক্ষণিক যত্ন নেয় তারা। নাতি নাতনিদের সাহচর্যে তাঁরা শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন করেন।

জীবন যেহেতু ঈশ্বরের দান তাই আমিশ সম্প্রদায় কোনধরণের পরিবার সংকোচন নীতি মেনে চলে না। ফলে প্রতি পরিবারে ৮/১০ জন বাচ্চা জন্ম গ্রহণ করে। বাচ্চারা নিজেদের মধ্যে খেলাধূলা করে আনন্দময় সময় পার করে। অবসরে ছেলে বাচ্চারা পিতার চাষবাসে সহযোগিতা করে। মেয়ে বাচ্চারা মাকে কাপড় কাচাসহ গৃহস্থালী কাজে সাহায্য করে। 

শিক্ষা:

জীবনের প্রথম ছয়টি বছর আমিশ শিশুরা বাড়িতে একটি বিবর্তিত ডাচ ভাষায় কথা বলে। এরা এটাকে বলে পেনসিলভানিয়া ডাচ। কোনো ইংরেজি ভাষা বাড়িতে ব্যবহার করে না এবং স্কুলে না যাওয়া পর্যন্ত শিশুরা ইংরেজী জানে না, বোঝেও না।

আমিশদের লেখাপড়া খুবই মৌলিক। তারা একটা বড়  ক্লাসরুমে একসাথে পাঠ গ্রহণ করে। জীবনযাপনের জন্য শুধু প্রাথমিক জ্ঞানটুকু তারা অর্জন করে। সর্বোচ্চ অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত তাদের লেখাপড়া। তাদের শিক্ষকরাও অষ্টম শ্রেণি পাশ।  স্কুলের শিক্ষার মাধ্যম ইংরেজি। 

ব্যাপটিজম, বিবাহ এবং সংস্কৃতি:

সাধারণত ১৬ বছর পূর্ণ হলে আমিশ ছেলেমেয়েরা খ্রীষ্ট ধর্মে এবং আমিশ দর্শনের জীবনযাপন পদ্ধতিতে নিজেদেরকে দীক্ষিত করে। কেউ যদি আধুনিক জীবনযাপন পদ্ধতির মূলস্রোতে যেতে চায় তাহলে সেই সুযোগ তাকে দেয়া হয়। তবে প্রতি পাঁচজনের চারজনই আমিশ দর্শনের জীবনযাপন পদ্ধতি গ্রহণ করে। বাকীরা আমেরিকার মূলস্রোতে মিশে যায় এবং পরিবার থেকে স্থায়ীভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

আমিশ ছেলেরা খৃষ্ট ধর্মে দীক্ষিত হলে দাড়ি রেখে দেয় কিন্তু গোঁফ কেটে ফেলে। বিবাহিত ছেলেদের চেনার উপায় হলো গোঁফহীন বিশাল দাড়ি।

সাধারণত ২১/২২ বছরের মধ্যে আমিশ ছেলেমেয়েরা বিয়ে করে ফেলে। কনে নিজে থেকে বর পছন্দ করতে পারে। তবে তা চার্চের কাছে অনুমোদনপ্রাপ্ত হতে হবে। নির্দিষ্ট দিনে চার্চ সব পাত্রপাত্রীর তালিকা প্রকাশ করে। তারপর বর-কনের পরিবার নিজস্ব নিয়মে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিবাহকার্য সম্পন্ন করে।

আগেই বলেছি যে, আমিশ সম্প্রদায় যান্ত্রিক জীবনযাপন পছন্দ করে না। পরিবহনের জন্য তারা ঘোড়ার গাড়ি ব্যবহার করে। এজন্য তাদের মধ্যে ছুতার কামার ইত্যাদি নানান পেশার মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তারা নিজেদের প্রয়োজন মিটিয়ে অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী হতে বাণিজ্যিকভাবে পল্ট্রি, ডেইরী এবং গৃহনির্মাণ শিল্প গড়ে তুলেছে। কিন্তু তাদের মধ্যে কোন অর্থলোভ কাজ করে না। তারা অর্থ উপার্জনের জন্য বাইরের কোন চাকরি করে না। তারা সরকারকে বিধি অনুযায়ী ট্যাক্স দেয় কিন্তু সরকারের কাছ থেকে সোশ্যাল সিকিউরিটিসহ অন্যান্য সুবিধা গ্রহণ করে না।

আমিশ সম্প্রদায় বিভিন্ন খেলাধুলা, কমিউনিটিভিত্তিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান করে থাকে। তারা সংগীত পরিবেশন করে কিন্তু কোন বাজনা বা যন্ত্রসংগীত ব্যবহার করে না। আমেরিকার আধুনিকতার এই চরম উৎকর্ষে আমিশদের জীবনযাপন সত্যিই একটি বিস্ময়কর ব্যাপার। একদিকে চরম ব্যক্তি স্বাধীনতা, অন্যদিকে পরিবার ও সম্প্রদায়ের স্বার্থে ব্যক্তি স্বাধীনতা স্বেচ্ছায় বিসর্জন। একদিকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির চরম ঝলকানি, অন্যদিকে মাটি ও প্রকৃতির মায়াবী কোলে মিটমিট করে জ্বলা মোমের প্রদীপ।

আমাদের গাড়িচালক কাম গাইড এমনভাবে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন যে, স্থির মত কোন আমিশ মানুষের অবয়ব দেখা যাচ্ছিল না। ফলে তাদের কোন ছবিও তোলা যাচ্ছিল না। সবকিছু একটা রহস্যময়তা ধূম্রজালে আচ্ছন্ন মনে হচ্ছিল। তবে যেখানে নিষেধের বেড়াজাল সেখানেই মানবমনের সব আগ্রহ দানা বাঁধে। তাই আমাদের গাড়ি যখন একটি আইসক্রীম কাম বেকারীর দোকানে এসে দাঁড়ালো তখন সামনাসামনি দুটো আমিশ মেয়েকে দেখতে পেলাম। অবাক চোখে তাকিয়ে দেখি তারা আমাদের মতই রক্তমাংসের মানুষ। তারা আমাদের সাথে ইংরেজিতে কথা বলছে। তাদের নীল চোখের তারায় আমাদের মতই আলোর ঝিলিক। সাহস করে ছবি তোলার অনুরোধ জানাতেই মধুর হাসিতে রাজী হয়ে গেল !

সময় নষ্ট না করে ক্লিক ক্লিক !

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ 

এই বিভাগের আরও খবর
এক হাজার কোটি টাকার মালিক সুমন, ফেসবুকে জাওয়াদ নির্ঝর
এক হাজার কোটি টাকার মালিক সুমন, ফেসবুকে জাওয়াদ নির্ঝর
‌‘এতো আশ্চর্য আর কোনোদিন হইনি’
‌‘এতো আশ্চর্য আর কোনোদিন হইনি’
আশিক চৌধুরী ইস্যুতে ক্ষমা চাইলেন ছাত্রদলের সেই নেত্রী
আশিক চৌধুরী ইস্যুতে ক্ষমা চাইলেন ছাত্রদলের সেই নেত্রী
‘কত বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রি ডুবাচ্ছেন সেটা একবার ভাবেন’
‘কত বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রি ডুবাচ্ছেন সেটা একবার ভাবেন’
‘একটা সিনেমা আটকে দেয়া মানে কতগুলো স্বপ্নকে দাফন করে দেয়া’
‘একটা সিনেমা আটকে দেয়া মানে কতগুলো স্বপ্নকে দাফন করে দেয়া’
‌এবারের শোভাযাত্রা কেবল আরও ইনক্লুসিভ হবে তা না, আরও কালারফুল হবে
‌এবারের শোভাযাত্রা কেবল আরও ইনক্লুসিভ হবে তা না, আরও কালারফুল হবে
ফেব্রুয়ারিতে ইন্টারনেটে ২৬৮ ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে রিউমার স্ক্যানার
ফেব্রুয়ারিতে ইন্টারনেটে ২৬৮ ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে রিউমার স্ক্যানার
নতুন জীবনের জন্য দোয়া চাইলেন সারজিস
নতুন জীবনের জন্য দোয়া চাইলেন সারজিস
আগে সুন্দর করে একটু বাঁচি, তারপর হাজারো প্রশ্নের উত্তর দেব
আগে সুন্দর করে একটু বাঁচি, তারপর হাজারো প্রশ্নের উত্তর দেব
হাসিনার কারণে বিএনপিতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন তার স্বামী ড. ওয়াজেদ!
হাসিনার কারণে বিএনপিতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন তার স্বামী ড. ওয়াজেদ!
জামায়াত নেতাদের প্রশংসা করে ফেসবুকে যা লিখলেন গোলাম রাব্বানী
জামায়াত নেতাদের প্রশংসা করে ফেসবুকে যা লিখলেন গোলাম রাব্বানী
‘যে বলে কেন প্রেমে পড়েছি জানি না, ওরা মিথ্যা বলে’
‘যে বলে কেন প্রেমে পড়েছি জানি না, ওরা মিথ্যা বলে’
সর্বশেষ খবর
প্রথম ম্যাচ হারলেও সিরিজ জিততে চায় নেদারল্যান্ডস
প্রথম ম্যাচ হারলেও সিরিজ জিততে চায় নেদারল্যান্ডস

এই মাত্র | মাঠে ময়দানে

চুয়াডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১
চুয়াডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

৩৫ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

প্রথম ম্যাচ হারলেও সিরিজ জিততে চায় নেদারল্যান্ডস
প্রথম ম্যাচ হারলেও সিরিজ জিততে চায় নেদারল্যান্ডস

১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাদক মামলায় অটোচালকের যাবজ্জীবন, অস্ত্র মামলায় যুবকের ১০ বছর কারাদণ্ড
মাদক মামলায় অটোচালকের যাবজ্জীবন, অস্ত্র মামলায় যুবকের ১০ বছর কারাদণ্ড

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’
‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’

৩ মিনিট আগে | জাতীয়

দেশে ভোটার ১২ কোটি ৬৩ লাখ
দেশে ভোটার ১২ কোটি ৬৩ লাখ

৪ মিনিট আগে | জাতীয়

মোংলা-খুলনা জাতীয় মহাসড়ক এখন মৃত্যু ফাঁদ!
মোংলা-খুলনা জাতীয় মহাসড়ক এখন মৃত্যু ফাঁদ!

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মোংলায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
মোংলায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা
পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা

১৯ মিনিট আগে | জাতীয়

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

২০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

একটি গোষ্ঠী সু-কৌশলে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে : দুদু
একটি গোষ্ঠী সু-কৌশলে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে : দুদু

২১ মিনিট আগে | রাজনীতি

ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অটোরিকশা চালককে হত্যা, গ্রেফতার ২
ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অটোরিকশা চালককে হত্যা, গ্রেফতার ২

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অটোরিকশা চালককে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২
অটোরিকশা চালককে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় অপু গ্রেফতার
কুমিল্লায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় অপু গ্রেফতার

২৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশ হচ্ছে একটা এক্সিডেন্টের ডিপো: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা
বাংলাদেশ হচ্ছে একটা এক্সিডেন্টের ডিপো: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

২৭ মিনিট আগে | জাতীয়

বিক্ষোভের মুখে চীন সফর বাতিল করলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট
বিক্ষোভের মুখে চীন সফর বাতিল করলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট

২৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর খুলছে সুন্দরবন, জেলে ও পর্যটন ব্যবসায়ীদের প্রাণচাঞ্চল্য
তিন মাস পর খুলছে সুন্দরবন, জেলে ও পর্যটন ব্যবসায়ীদের প্রাণচাঞ্চল্য

৩৬ মিনিট আগে | পর্যটন

নাটোরে চোর সন্দেহে সংঘবদ্ধ পিটুনিতে প্রাণ গেল বৃদ্ধের
নাটোরে চোর সন্দেহে সংঘবদ্ধ পিটুনিতে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি
চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

৪৭ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

সুষ্ঠু ও নিরাপদ নির্বাচন নির্ভর করে রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সুষ্ঠু ও নিরাপদ নির্বাচন নির্ভর করে রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের জন্য সকল শ্রেণির অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ: ইসি সানাউল্লাহ
অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের জন্য সকল শ্রেণির অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ: ইসি সানাউল্লাহ

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

শাবিতে রক্তদানে উৎসাহিত করতে ‘সঞ্চালন’-এর নতুন উদ্যোগ
শাবিতে রক্তদানে উৎসাহিত করতে ‘সঞ্চালন’-এর নতুন উদ্যোগ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান
উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কানাডার মন্ট্রিয়লে দু’দিনব্যাপী ৩৯তম ফোবানা সম্মেলন শুরু
কানাডার মন্ট্রিয়লে দু’দিনব্যাপী ৩৯তম ফোবানা সম্মেলন শুরু

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

সম্পর্ক জোরদারে চীন সফরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী
সম্পর্ক জোরদারে চীন সফরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৈয়দ হাবিবুল বশর মাইজভান্ডারীর মৃত্যুতে বিএফইউজে মহাসচিবের শোক
সৈয়দ হাবিবুল বশর মাইজভান্ডারীর মৃত্যুতে বিএফইউজে মহাসচিবের শোক

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিন দাবিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের রেলপথ অবরোধ
তিন দাবিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের রেলপথ অবরোধ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মালয়েশিয়ায় উদযাপিত হচ্ছে ৬৮তম স্বাধীনতা দিবস
মালয়েশিয়ায় উদযাপিত হচ্ছে ৬৮তম স্বাধীনতা দিবস

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

লেবাননে দুই দফা বিমান হামলা ইসরায়েলের
লেবাননে দুই দফা বিমান হামলা ইসরায়েলের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

১২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা
নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ
এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

পেছনের পৃষ্ঠা

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন