শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২১ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা
আপলোড : ২০ জুন, ২০১৬ ২৩:১৮

প্রস্তাবিত বাজেট বৈষম্য বাড়াবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রস্তাবিত বাজেট বৈষম্য বাড়াবে

প্রস্তাবিত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়ন হলে দেশে আর্থ-সামাজিক বৈষম্য আরও প্রকট আকার ধারণ করবে বলে মনে করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। এ বাজেটে রাজস্ব আদায়ের চাপ বাড়ার প্রভাব পড়বে সীমিত আয়ের মানুষ, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী ও সাধারণ জনগণের ওপর। এতে আর্থ-সামাজিক বৈষম্য, ক্ষোভ ও অস্থিতিশীলতা বাড়বে। এ জন্য বাজেট পাসের আগে   নিম্ন ও মধ্য শ্রেণির ওপর করের বোঝা চাপে এ ধরনের প্রস্তাবগুলোতে সংশোধনী আনার দাবি জানিয়েছে টিআইবি। গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।  তিনি বলেন, রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বোঝা সীমিত আয়ের মানুষ, ক্ষুদ্র সঞ্চয়ী ও বিনিয়োগকারী এবং পেনশনভোগীসহ সাধারণ নাগরিকের ওপর বিভিন্ন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ পদ্ধতিতে চাপিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। তিনি বলেন, স্বল্পআয়ের মানুষের অন্যতম নির্ভরযোগ্য বিনিয়োগের উপায় সঞ্চয়পত্রের ওপর অতিরিক্ত করারোপ করে তাদের জন্য বৈধ পথে সামান্যতম বাড়তি আয়ের পথ রুদ্ধ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিত্তশালী ও ধনীদের তুলনায় সীমিত ও কম আয়ের মানুষের জন্য কর রেয়াত ব্যাপকহারে কমানোর প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এর মাধ্যমে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ করের বোঝা চাপানো হয়েছে, যা একদিকে বৈষম্যমূলক। অন্যদিকে এসব পন্থা রাজস্ব বৃদ্ধির টেকসই পথ হতে পারে না। রেয়াত কাঠামো পুনর্গঠন করে এমন বৈষম্য প্রস্তাব করা হয়েছে। যাদের করযোগ্য আয় সর্বোচ্চ পর্যায়ের তাদের তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি করের বোঝা বইতে হবে এমন করদাতাদের যাদের করযোগ্য আয় সর্বনিম্ন পর্যায়ে। এদিকে প্রস্তাবিত প্যাকেজ মূল্য সংযোজন কর ব্যবস্থা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে। যার ফল ভোগ করবেন মূলত ক্রেতা সাধারণ।

তিনি আরও বলেন, এবারের বাজেটেও যেভাবে কালো টাকাকে বৈধতা প্রদানের অসাংবিধানিক, অনৈতিক ও বৈষম্যমূলক সুবিধা অব্যাহত রাখা হয়েছে তার প্রতিবাদ জানাচ্ছে টিআইবি। এ সুযোগ বন্ধ করাসহ বাজেটে উল্লিখিত বৈষম্যমূলক প্রস্তাবনাগুলো প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।


আপনার মন্তব্য