শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১১ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১০ মার্চ, ২০১৯ ২২:৫০

ভারতে লোকসভা ভোট ১১ এপ্রিল শুরু ফলাফল ২৩ মে

গৌতম লাহিড়ী, নয়াদিল্লি

ভারতে লোকসভা ভোট ১১ এপ্রিল শুরু ফলাফল ২৩ মে

ভারতের সপ্তদশ লোকসভা ভোটের দিন ঘোষণা করলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা। মোট ৫৪৩ লোকসভা কেন্দ্রের জন্য ভোট গ্রহণ করা হবে সাত পর্যায়ে। আগে হয়েছে নয় পর্যায়ে। এপ্রিল থেকে মে মাস পর্যন্ত চল্লিশ দিন জুড়ে। ভোট গণনা ২৩ মে। প্রথম ভোট হবে ১১ এপ্রিল। দ্বিতীয় পর্যায় হবে ১৮ এপ্রিল। তৃতীয় পর্যায় ২৩ এপ্রিল। চতুর্থ পর্যায় ২৯ এপ্রিল। পঞ্চম পর্যায় ৬ মে। ষষ্ঠ পর্যায় ১২ মে। সপ্তম   পর্যায় ১৯ মে। এই সঙ্গে অন্ধ্র, উড়িষ্যা, অরুণাচল এবং সিকিমে বিধানসভার ভোট একসঙ্গে হবে। ভারতের ঊনত্রিশটি প্রদেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ এবং বিহারে ভোট হবে সাত পর্যায়ে। তবে প্রত্যেক প্রদেশের ভোটের ফল ঘোষণা হবে একসঙ্গে তেইশ মে। জন্মু ও কাশ্মীরে ভোট হবে পাঁচ পর্যায়ে। চার পর্যায়ে ভোট হবে ঝাড়খন্ড, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র ও উড়িষ্যায়। তৃতীয় পর্যায়ে হবে আসাম ও ছত্তিশগড়, দুই পর্যায়ে হবে কর্ণাটক, মণিপুর, রাজস্থান ও ত্রিপুরায়। অবশিষ্ট বাইশটি রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে ভোট হবে একদিনে। তার মধ্যে তামিলনাড়–, অন্ধ্র দিল্লিতে ভোট হবে একদিনে। অন্ধ্রর, তামিলনাড়ুতে মোট আসন চল্লিশ হওয়া সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গে কেন সাত পর্যায়ে করা হলো তার জবাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করার সুবিধার জন্যই করা হয়েছে। তিনি জানান, ভারতে মোট ভোটারের সংখ্যা এবার নব্বই কোটি। গতবারের তুলনায় সাড়ে আট কোটি বেড়েছে। প্রত্যেক প্রার্থীকে তাদের অপরাধমূলক কাজের রেকর্ড, আয়, শিক্ষাগত যোগ্যতা ঘোষণা করতে হবে। ইভিএম মেশিন সব কেন্দ্রে প্রযোজ্য হবে। তাতে প্রার্থীদের ছবি থাকবে। পশ্চিমবঙ্গ বেয়াল্লিশটি আসন ভাগ করা হয়েছে একটি বা দুটি করে। প্রথম পর্যায়ে মাত্র দুটি আসনে ভোট হবে। তেমনি ছত্তিশগড়ের কুড়িটি আসনের ক্ষেত্রে প্রথম পর্যায়ে হবে একটি আসনে। পশ্চিমবঙ্গের মতো উত্তরপ্রদেশে হবে সাত পর্যায়ে। সেখানে মোট আসন আশিটি। বিরোধী দলগুলো দাবি জানিয়েছিল প্রত্যেক ইভিএম মেশিনের সঙ্গে ভিভিপ্যাড রাখা। অর্থ্যাৎ প্রত্যেক ভোটের সঙ্গে কাগজের ভোট হবে। তবে নির্বাচন কমিশনার জানিয়েছেন এই বিষয় তাঁরা কিছুদিনের মধ্যেই সিদ্ধান্ত নেবেন। বর্তমান ষষ্ঠ লোকসভার মেয়াদ উত্তীর্ণ হবে ২ জুন। তার মধ্যেই নতুন সরকার গঠিত হতে হবে। ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্যুইট করে বলেন, ‘এটা গণতন্ত্রের উৎসব। সব দল যোগদান করবে।’


আপনার মন্তব্য