Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১৩ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১২ মার্চ, ২০১৯ ২২:৪১

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

হাসপাতালেই হবে প্রাইভেট প্র্যাকটিস

একনেকে ছয় প্রকল্প অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক

হাসপাতালেই হবে প্রাইভেট প্র্যাকটিস

জামালপুরে শেখ হাসিনা নকশী পল্লীসহ ছয় প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ২ হাজার ৬৫০ কোটি ৭৬ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। গতকাল রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা যাতে হাসপাতালে বসেই প্রাইভেট প্রাকটিস করতে পারেন সে জন্য সরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একনেক সভায় ‘সরকারি কর্মচারী হাসপাতালকে ৫০০ শয্যায় উন্নীতকরণ’ শীর্ষক প্রকল্প অনুমোদনের সময় প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সরকারি হাসপাতালেই যাতে চিকিৎসকরা একটা উইং (শাখা) নিয়ে বসে প্রাইভেট প্রাকটিস করতে পারেন। সেভাবেই হাসপাতালের অবকাঠামো তৈরি করতে হবে। মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, চিকিৎসক ও রোগীরা বাইরে বাইরে দৌড়ায়। এখানেই (হাসপাতালে) তাদেরকে একটা সুন্দর জায়গা দিয়ে দেন। এখানেই তারা প্রাকটিস করুক, যাতে চিকিৎসকদের বাইরে যেতে না হয় এবং রোগীরাও সরকারি হাসপাতালেই সেবা পান। তাই প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালের ভিতরই চিকিৎসকদের জন্য আলাদা চেম্বার করে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালে ডে-কেয়ার সেন্টার, কিডনি, হার্ট, ক্যান্সার ও পক্ষাঘাতগ্রস্তদের জন্য আলাদা আলাদা ব্লক তৈরি এবং রোগীরা যাতে আলো-বাতাস পায়, এমনভাবে হাসপাতালের অবকাঠামো তৈরিরও নির্দেশ দিয়েছেন। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, দেশের নকশী শিল্পী ও শিল্পকে পুনর্বাসনে জামালপুরে ৩০০ একর জমিতে নির্মাণ করা হবে শেখ হাসিনা নকশী পল্লী। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৭২২ কোটি টাকা। নানা প্রতিকূলতা ও পুনর্বাসনের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে দেশের এই ঐতিহ্যবাহী শিল্পী ও শিল্প। তাই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এসব শিল্পীদের একই ছাদের নিচে আনার উদ্যোগ নিয়েছি। অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হচ্ছে- সরকারি কর্মচারী হাসপাতালকে ৫০০ শয্যায় উন্নীতকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৩৭৯ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। বরিশাল-ভোলা-লক্ষ্মীপুর জাতীয় মহাসড়কের বরিশাল হতে ভোলা হয়ে লক্ষ্মীপুর পর্যন্ত যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৩১২ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। শরীয়তপুর-ইব্রাহিমপুর ফেরিঘাট পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৮৫৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। নীলফামারী-ডোমার সড়ক ও বোদা-দেবীগঞ্জ সড়ক এবং ফুলবাড়ী-পার্বতীপুর যথাযথ মানে উন্নীতকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ২৫০ কোটি ২৪ লাখ টাকা। এ ছাড়া লেবুজাতীয় ফসলের সম্প্রসারণ, ব্যবস্থাপনা ও উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১২৬ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।


আপনার মন্তব্য