Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৪ এপ্রিল, ২০১৯ ২৩:৪৩

ভোটের পর মাঠে ঘুরছেন একরাম

নোয়াখালী প্রতিনিধি

ভোটের পর মাঠে ঘুরছেন একরাম

সংসদ নির্বাচন হয়ে গেল ৩০ ডিসেম্বর। তবু দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করতে এবং প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন কর্মকা- জনসাধারণের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য মাঠে রয়েছেন তিনবারের নির্বাচিত নোয়াখালী-৪ আসনের এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী। তিনি উপকূলীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক জোন, বিমানবন্দর নির্মাণ ও সাংগঠনিক কার্যক্রম বিষয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সভা-সমাবেশ করছেন। নির্বাচনের পর অনেক নেতাকে মাঠে দেখা না গেলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত শক্তিশালী করার জন্য তিনি জেলা আওয়ামী লীগ অফিসে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি তার নির্বাচনী এলাকায় মোটরসাইকেল নিয়ে প্রতিনিয়ত ছুটে বেড়ান, গরিব-অসহায়দের খোঁজখবর নেন ও তৎক্ষণাৎ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। ইভ টিজিং, মাদক, ইয়াবা সেবনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। জেলা শহরের স্কুল-কলেজের পাশ থেকে সম্প্রতি কয়েকজন বখাটেকে পাকড়াও করে পুলিশে দিয়েছেন। এমপির এই ঝটিকা হস্তক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেছে অভিভাবক মহল। এ ছাড়া তিনি হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবার খোঁজখবর নেন এবং গরিব রোগীদের সাহায্য-সহযোগিতা করেন। এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মাহমুদুর রহমান জাবেদ জানান, একরামুল করিম চৌধুরীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগ সুসংগঠিত। তিনি দলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ। সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক জানান, এমপি একরামুল করিম চৌধুরী উপকূলীয় অঞ্চলে বহু রাস্তাঘাট ও স্কুল-কলেজ নির্মাণ করেছেন।

পাশাপাশি দলকে সুসংগঠিত করছেন। নির্বাচনের পর তিনি একমাত্র এমপি যিনি দলীয় নেতা-কর্মীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের খোঁজখবর নিচ্ছেন। জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ভিপি সুমন জানান, দলের ত্যাগী মানুষের বিপদাপদে সবসময় আমরা তাকে পাশে চাই। জানতে চাইলে এমপি একরামুল করিম চৌধুরী তার জনকল্যাণী কাজগুলোর বর্ণনা দিয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, তিনি উপকূলীয় অঞ্চলে অর্থনৈতিক জোন ও বিমানবন্দর নির্মাণের বিষয়ে বিরামহীন কাজ করছেন। তিনি জানান, খুব দ্রুত বিমানবন্দর হবে। এখানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ ও সেনা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আছে, ভাসানচরেও নতুন নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে। এখানকার হাজার হাজার লোক প্রবাসে থাকে, বিমানবন্দর হলে এসব মানুষের যাতায়াত সহজ হবে। ফলে এ অঞ্চলের চিত্র পাল্টে যাবে।


আপনার মন্তব্য