শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৮ নভেম্বর, ২০১৯ ২৩:৩৬

বিদেশে যা নিয়ে ব্যস্ত বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিদেশে যা নিয়ে ব্যস্ত বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রায় অর্ধশত প্রতিনিধির দল নিয়ে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড সফর করছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। ১১ নভেম্বর অস্ট্রেলিয়া যাওয়া বাণিজ্যমন্ত্রী এবারের সফরে ১০ দিন থাকছেন দেশের বাইরে। তিনি ইতিমধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় একটি ফাইভ স্টার হোটেলে বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে আয়োজিত সম্মেলনের উদ্বোধন করেছেন। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়ার একজন সহকারী মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে বাণিজ্যমন্ত্রী এখন নিউজিল্যান্ড রয়েছেন। আশা করা হচ্ছে ২১ নভেম্বর দেশে ফিরবেন তিনি।

ঢাকায় মন্ত্রীর দফতর থেকে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের সামগ্রিক আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বিবেচনায় অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিযোগ সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রীর সফরের মাধ্যমে উভয় দেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ ট্রেড কনফারেন্স এবং নিউজিল্যান্ডের বাণিজ্য ও রপ্তানি প্রবৃদ্ধিবিষয়ক মন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সভায় যোগদানে ৩৯ সদস্যের বাংলাদেশ বিজনেস ডেলিগেশনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এর মধ্যে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক বাধা দূর করে বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য ইতিবাচক অভিপ্রায় নিয়ে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ প্রথম বাণিজ্য সম্মেলন ১৫ নভেম্বর শেষ হয়েছে। দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনে বৃহত্তর পরিসরে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ার উদ্দেশ্যে সম্ভাবনা ও বাধা চিহ্নিত করা হয়। সম্মেলনের প্রথম দিনে টেক্সটাইল, কৃষিপণ্য, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিবিষয়ক তিনটি থিমেটিক ও ফার্মাসিউটিক্যাল এবং চামড়াজাত পণ্যের ওপর পৃথক সেশন অনুষ্ঠিত হয়। টেক্সটাইল সেশনে এলডিসি থেকে উত্তরণ-পরবর্তী পর্যায়ে বাংলাদেশ যেসব চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হবে তা নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং বাংলাদেশ নতুন টেকনোলজি, অটোমেশন, পণ্য বহুমুখীকরণের প্রতি গুরুত্বারোপের সুপারিশ করা হয়। কৃষিবিষয়ক সেশনে নতুন কৃষিপণ্য চিহ্নিতকরণ, বাজারজাতকরণ যা দুই দেশকে লাভবান করবে সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আলোচকরা কৃষি খামার ও মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য যৌথ উদ্যোগে কর্মসূচি গ্রহণ করার জন্য বিশেষভাবে সুপারিশ করেন। বাংলাদেশে বর্তমানে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বিরাজ করছে উল্লেখ করে অস্ট্রেলিয়ান বিনিয়োগকারীদের মানসম্পন্ন বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়। বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য আর্থিক ও অন্যান্য বাধা দূরীকরণের প্রতি নজর দেওয়ার প্রয়োজনের কথা বলা হয়। এ ছাড়া বাংলাদেশি পণ্যের মানোন্নয়নের জন্য আন্তর্জাতিক কারিগরি সহায়তা ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার এবং এ বিষয়ে প্রযুক্তি ও কারিগরি সহযোগিতা প্রদানের ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়া সহায়তা প্রদান করতে পারে মর্মে আলোচনা করা হয়। নিউজিল্যান্ডে তিন দিনের সফরের সূচিতে বাণিজ্য ও রপ্তানি প্রবৃদ্ধিবিষয়ক মন্ত্রীর সঙ্গে একটি বৈঠক ছাড়া আর কোনো কর্মসূচির তথ্য জানা সম্ভব হয়নি।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর