শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২৩:৪০

যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা খালেদের বিচার শুরু

আদালত প্রতিবেদক

যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা খালেদের বিচার শুরু

রাজধানীর গুলশান থানার মাদক মামলায় ঢাকা মহানগরী যুবলীগ দক্ষিণের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে আদালত। একই সঙ্গে আগামী ১ এপ্রিল সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য করা  হয়েছে। গতকাল ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রবিউল আলম এ আদেশ দেন। এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. সালাহউদ্দিন হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, অভিযোগ গঠনের শুনানির আগে আসামি খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। অভিযোগ গঠনের শুনানির সময় নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। তার বিরুদ্ধে গত বছরের ১৭ নভেম্বর অভিযোগপত্র দাখিল করে র‌্যাব। তার বাসা থেকে ৫৮০টি ইয়াবা বড়ি জব্দ করা হয়। উদ্ধার করা হয় মাদক বিক্রির ১০ লাখ ৩৪ হাজার ৫৫০ টাকা।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ১৯৯৬ সালে খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ঢাকা মহানগরী যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হন। ২০১২ সালে ঢাকা মহানগরী যুবলীগ দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পান। তখন থেকে তিনি বিশাল সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তোলেন। ঢাকার মতিঝিলের ইয়ংমেন্স ক্লাব, আরামবাগ ক্লাবসহ ফকিরাপুলের অনেক ক্লাবে ক্যাসিনোর আসর বসিয়ে রমরমা মাদক ব্যবসাসহ নানা অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে আসছিলেন তিনি। এসব অবৈধ ব্যবসার মাধ্যমে খালেদ কোটি কোটি টাকা আয় করেন। এ ছাড়া খিলগাঁও-শাহজাহানপুরে চলাচলকারী গণপরিবহন থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করতেন। কোরবানি ঈদের সময় শাহজাহানপুর কলোনি মাঠ, মেরাদিয়া, কমলাপুর, সবুজবাগ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সেখান থেকে কোটি কোটি টাকা চাঁদা আদায় করতেন। সরকারি প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে রাজউক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, রেল ভবন, ক্রীড়া পরিষদ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, যুব ভবন, কৃষি ভবনের টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করতেন খালেদ। মাদক ব্যবসা, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি করার জন্য গড়ে তোলেন বিশাল সন্ত্রাসী বাহিনী। অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, দুটি অস্ত্রের লাইসেন্সে ৫০টি করে গুলি কেনার হিসাব থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে তার হেফাজত থেকে শটগানের সাতটি ও পিস্তলের নয়টি অতিরিক্ত গুলি উদ্ধার করা হয়। এগুলো ২০১৭ সালের পর নবায়ন করা হয়নি। এগুলো অবৈধ অস্ত্র। টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা পরিচালনার জন্য খালেদ ব্যবহার করতেন এসব অবৈধ অস্ত্র। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, অর্থ পাচার ও দুর্নীতির আরও তিনটি পৃথক মামলা রয়েছে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর