শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ মার্চ, ২০২০ ২৩:৪২

বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন

সামনে আরও চ্যালেঞ্জ

-ডা. মুশতাক হোসেন

জয়শ্রী ভাদুড়ী

সামনে আরও চ্যালেঞ্জ

ডাকসুর সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, কোনো প্রস্তুতিই পর্যাপ্ত নয়। বিদেশফেরত আক্রান্ত ব্যক্তিদের কাছে থেকে তাদের পরিবার, আত্মীয়-স্বজন আক্রান্ত হচ্ছেন। এতে স্থানীয় সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে। সামনে আরও চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে তিনি আরও বলেন, এ সংক্রমণ আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়ির মানুষ থেকে ছড়িয়ে প্রতিবেশীদের আক্রান্ত করছে। আস্তে আস্তে সমাজে ছড়িয়ে পড়বে। প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে কিন্তু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লে তা পর্যাপ্ত হবে না। আমরা চাইব এ পর্যায়েই আটকে দিতে। সে জন্য প্রস্তুতির কোনো ঘাটতি রাখা যাবে না। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার আগেই নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।  চিকিৎসকদের সুরক্ষার ব্যাপারে আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বলেন, যেসব চিকিৎসক আক্রান্ত রোগীদের কাছে যাবেন লালা সংগ্রহ করতে কিংবা সেবা দিতে তাদের সব সুরক্ষা সামগ্রী পরতে হবে। অন্যদের মাস্ক পড়তে হবে। আমার জানা মতে, দেশে মাস্ক কিংবা সুরক্ষা সামগ্রীর ঘাটতি নেই। এ ধরনের সংক্রমণে চিকিৎসকরা আক্রান্ত হয়ে যান। তাই নিরাপদ থাকতে সচেতনতার বিকল্প নেই। আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় হাসপাতাল প্রস্তুত রয়েছে জানিয়ে ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে ২০০ শয্যা প্রস্তুত রয়েছে। আমাদের এখনো অত রোগী হয়নি। রোগী বাড়লে মহানগর হাসপাতাল, মুগদা হাসপাতাল, সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখার।


আপনার মন্তব্য