শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ৩১ মে, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩০ মে, ২০২০ ২৩:৪২

লিবিয়া যেন মৃত্যুফাঁদ

দেশে আসছে না ২৬ লাশ, হামলাকারীরা খুঁজছে অন্য বাংলাদেশিদেরও, বিচার পাওয়া নিয়ে সংশয়

জুলকার নাইন

লিবিয়া যেন মৃত্যুফাঁদ
লিবিয়ায় নিহত সজীবের পাঁচ মাসের সন্তানকে নিয়ে স্ত্রী-স্বজনের আহাজারি। মাদারীপুরে গতকাল -বাংলাদেশ প্রতিদিন

কোনো একক সরকারের নিয়ন্ত্রণে না থাকা লিবিয়ায় একসঙ্গে এতজন বাংলাদেশি খুন হওয়ার পরও বিচার পাওয়া নিয়ে সংশয় আছে। লিবিয়ায় থাকা তিনটি সরকারের মধ্যে জাতিসংঘ সমর্থিত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করছে বাংলাদেশ সরকার। লিবিয়ার জাতিসংঘ সমর্থিত সরকারের পক্ষ থেকে হত্যাকারীদের ধরতে ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হয়েছে। কিন্তু ঘটনাস্থল ও হত্যাকারীদের আবাসস্থলের এলাকায় কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই এই সরকারের। এর মধ্যে সেখানে চলছে যুদ্ধ। মিসাইল হামলা চলছে প্রতিনিয়ত। স্থানীয় একাধিক বাংলাদেশি বলছেন, ২৬ বাংলাদেশির মরদেহ সেখানকার মিজদা শহরেই কবর দেওয়া হচ্ছে। মরদেহগুলো পচে গন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধাবস্থা চলমান থাকায় এবং হামলাকারী লিবিয়ান ওই গোষ্ঠী চরম বিক্ষুব্ধ হয়ে থাকায় বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা সেখানে যেতে পারেননি।  দূতাবাসের শ্রমবিষয়ক কাউন্সিলর আশরাফুল ইসলাম জানান, নিহতদের পরিবারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে মিজদা শহরেই মরদেহগুলো দাফনের প্রক্রিয়া চলছে। লাশগুলো সেখানে (মিজদায়) দাফন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। কাজেই এটা মেনে নিতেই হচ্ছে। মিজদা খুবই ছোট একটি অনুন্নত শহর, সেখানে লাশগুলো সংরক্ষণের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নেই। এ ছাড়া যুদ্ধকবলিত এলাকা হওয়ায় এবং লিবিয়ার জাতিসংঘ সমর্থিত সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরের এলাকা হওয়ায় রাজধানী ত্রিপোলির সঙ্গে মিজদা শহরের যোগাযোগের ব্যবস্থাও বেশ খারাপ। আর করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে সব ধরনের আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল বন্ধ থাকায় লাশগুলো মিজদা শহর থেকে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। এসব কারণে লাশ হস্তান্তর করার বা লাশ বাংলাদেশে পাঠানোর কোনো সুযোগ আমরা দেখছি না। তাই আমরা লাশগুলো দাফন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং তাদের পরিবারের সঙ্গে কথাবার্তা বলছি। গতকাল থেকেই লাশগুলো দাফনের প্রক্রিয়া শুরুর কথাও বলেন শ্রম কাউন্সিলর। অন্যদিকে, হামলাকারীরা অন্য বাংলাদেশিদেরও খুঁজছে বলে জানান স্থানীয় বাংলাদেশিরা। লিবিয়ার বেনগাজীর বাংলাদেশ কমিউনিটির সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক বলেন, লিবিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের অবস্থা ভালো নয়। পরিস্থিতি এত খারাপ যে, এখনো অক্ষত অবস্থায় পালাতে সক্ষম হওয়া বাংলাদেশিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। হামলাকারীরা জীবিত বাংলাদেশিদের অবস্থান জেনে যাওয়ায় ওই অঞ্চলে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে এবং আশ্রয়দাতাসহ অনেকেই হুমকির মুখে থাকাতে উদ্ধার কাজে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেছেন, ‘লিবিয়ায় আমাদের মিশন ত্রিপোলি সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং জরুরি তদন্ত ও হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। বাংলাদেশ দূতাবাস জাতিসংঘ স্বীকৃত ত্রিপোলিভিত্তিক গভর্নমেন্ট অব ন্যাশনাল অ্যাকর্ডকে (জিএনএ) এই হত্যাযজ্ঞের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় ঢাকাকে জানাতে বলেছে। লিবিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দুষ্কৃতকারীদের গ্রেফতার করে শাস্তির মুখোমুখি করার নির্দেশ দিয়েছে। তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, রাজধানী ত্রিপোলি থেকে ১৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে মিজদা শহরে এই হত্যাকান্ড ঘটেছে, এটি গোলযোগপূর্ণ এলাকা, মাত্র এক সপ্তাহ আগে প্রতিপক্ষ বাহিনীর সঙ্গে লড়াইয়ের পর জিএনএ এই শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। হটিয়ে দেওয়া প্রতিপক্ষ বাহিনী দুই দিন আগেও বোমা হামলা চালিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অপরাধীদের কখন কীভাবে আটক করা যাবে, সে বিষয়ে ধারণা করা কঠিন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ২৬ বাংলাদেশির মৃতদেহ দেশে নিয়ে আসার জন্য ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশনের (আইওএম) সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। বাংলাদেশ মিশন লিবিয়া সরকারের ডিরেক্টর জেনারেল অব হেলথ অ্যান্ড আইওএমের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তারা আহত বাংলাদেশিদের চিকিৎসায় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। আহত ১১ বাংলাদেশির মধ্যে ৫ জনের অবস্থা গুরুতর। তবে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা অপর ৬ জনকে ঝুঁকিমুক্ত বলে জানিয়েছেন। গুরুতর আহত ৫ জনের মধ্যে ৩ জনের সার্জারি হয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ লিবিয়া যেন বাংলাদেশি তরুণ ও যুবকদের মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। অবৈধভাবে ইউরোপে যেতে গিয়ে লিবিয়ায় সলিলসমাধি হচ্ছে। কখনো ভূমধ্যসাগরে ডুবে কখনো মরুভূমিতে অপহরণকারীদের নির্মম নির্যাতনে মৃত্যুকোলে ঢলে পড়তে হচ্ছে উন্নত জীবনের আশায় থাকা তরুণদের। প্রলোভন দেখিয়ে লিবিয়ায় নিয়ে অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়ে অর্থ আদায় করা হচ্ছে দফায় দফায়। পরে ইউরোপে পাঠানোর নামে ডিঙ্গি নৌকায় তুলে ভাসিয়ে দেওয়া হচ্ছে উত্তাল সাগরে। গত পাঁচ বছরে নৌকাডুবি ও নির্যাতনে কয়েকশ বাংলাদেশির মৃত্যুই শুধু হয়নি, নিখোঁজও আছেন অনেকে। এর মধ্যেই মানব পাচারকারী ও অপহরণকারীদের অভয়ারণ্য হয়ে ওঠা লিবিয়ার মিজদা শহরে অপহরণকারীরা ২৬ জন বাংলাদেশিসহ ৩০ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করল। জানা যায়, লিবিয়ায় মাঝে-মধ্যেই বাংলাদেশিদের পণবন্দী করে নির্যাতন ও অর্থ আদায়ের ঘটনা ঘটে। প্রায়ই সেখানে দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিরা প্রাণ হারাচ্ছেন। সর্বশেষ ২৬ জন নিহতের ঘটনায় বেঁচে যাওয়া একজন বাংলাদেশি ঘটনার যে বিবরণ দিয়েছেন তা ছিল রোমহর্ষক। তারা দুই দলে ৩৮ জন গত ডিসেম্বর মাসে ভারত, দুবাই ও মিসর হয়ে লিবিয়ার বেনগাজিতে পৌঁছান। পরে যুদ্ধ বেড়ে যাওয়া ও করোনা পরিস্থিতির কারণে তাদের বেনগাজির বিভিন্ন স্থানে রাখা হয়। এর মধ্যেই দুই দফায় এই ৩৮ জন অপহৃত হন। একদল অপহরণ করে বাংলাদেশ থেকে স্বজনদের কাছ থেকে মুক্তিপণ নিয়ে ছেড়ে দিলে আরেক দল তাদের অপহরণ করে। দ্বিতীয় দফার অপহরণকারীরা টাকা না পেয়ে ঝুলিয়ে রড দিয়ে পেটায়। ছুড়ি দিয়ে খোঁচায়। নির্যাতনের একপর্যায়ে অপহরণকারীদের দুজনকে পিটিয়ে হত্যা করে বাংলাদেশিদের সঙ্গে থাকা সুদানিদের দলটি। পরে অন্য অপহরণকারীরা নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করে বাংলাদেশি ও সুদানিদের। প্রাথমিকভাবে পাচারকারীদের পরিকল্পনা ছিল, এই বাংলাদেশিদের ভূমধ্যসাগরে নৌকায় তুলে দেওয়ার। মে মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ভূমধ্যসাগর কিছুটা শান্ত থাকায় এই সময়কে মৌসুম হিসেবে ব্যবহার করে থাকে পাচারকারীদের শত শত গ্রুপ।

যেভাবে হয়ে উঠল মৃত্যুফাঁদ : গবেষণা প্রতিষ্ঠান রামরুর প্রধান তাসনিম সিদ্দিকী মনে করেন, শুধু বাংলাদেশিদের কাছে নয়, এশিয়া ও আফ্রিকার আরও বহু দেশের অবৈধ অভিবাসীদের জন্য ট্রানজিট পয়েন্ট লিবিয়া। এর শুরুটা দুই?হাজার সালের দিকে। তখন ইংল্যান্ডে অবৈধ অভিবাসীদের ধরপাকড় শুরু হলে তাদের অনেকেই স্পেন এবং ইতালি চলে যান। অন্যদিকে, লিবিয়ার ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর ২০০৮ সালের দিকে প্রচুর বাংলাদেশি লিবিয়ায় কাজের জন্য যেতে শুরু করেন। তখনই ইতালিতে থাকা বাংলাদেশিরা তাদের আত্মীয়স্বজনদের সেখানে নিয়ে যেতে, অথবা টাকার বিনিময়ে ইউরোপে লোকজন নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করতে শুরু করেন। এ সময়ই তারা লিবিয়াকে একটা রুট হিসেবে বেছে নেন। তারা সুদান এবং আফ্রিকার নানা দেশ হয়ে প্রথমে লিবিয়ায় যান। তারপর লিবিয়া থেকে ডিঙ্গি নৌকায় করে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালি বা অন্য কোনো ইউরোপীয় দেশে যেতে থাকেন। প্রথমে এটা হয়তো ইতালিতে থাকা বাংলাদেশিদের আত্মীয়স্বজনকে ইউরোপে নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হতো। কিন্তু পরে এই রুটে মানব পাচারের সংগঠিত চক্র আত্মপ্রকাশ করে। এই চক্রগুলোর সঙ্গে সুদান, মিসর, এবং লিবিয়াসহ নানা দেশের লোক জড়িত। প্রতিটি জায়গাতেই পাচারকারীদের এক চক্রের হাত থেকে অবৈধ অভিবাসীদের দলগুলোকে আরেক চক্রের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এ মুহূর্তে বাংলাদেশিদের সব রুটই গেছে আফ্রিকার নানা দেশের মধ্যে দিয়ে। বাংলাদেশের কিছু অসাধু জনশক্তি রিক্রুটিং এজেন্সি আছে যারা সুদানে লোক পাঠাচ্ছে। সুদানে তো গৃহযুদ্ধ চলছে, এখানে তো কাজ নেই। তারপরও সেখানে লোক যাচ্ছে। ফলে বোঝাই যাচ্ছে- এর আড়ালে একটা কিছু হচ্ছে। আসলে সুদান পর্যন্ত একটা বৈধ ট্রাভেল ডকুমেন্ট দিয়ে লোক নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সুদান থেকে তারা যাচ্ছে লিবিয়ার বেনগাজি। সুদান থেকে তারা ট্রাকে করে সীমান্ত পার হয়ে লিবিয়া ঢুকছেন। এ সীমান্ত পার হতে গিয়ে অনেকে মারাও গেছেন। পথে নানান জায়গায় তাদের দীর্ঘ সময় থাকতে হয় এক মাস-দুই মাস পর্যন্ত। আমার কাছে এমন তথ্যও আছে যে কারও কারও পাঁচ বছর লেগে গেছে ইউরোপ পর্যন্ত পৌঁছাতে। তারা ইউরোপে ঢোকেন প্রধানত ইতালি দিয়ে। তাসনিম সিদ্দিকী জানান, ২০০০ সালের দিকে যখন স্পেন ও ইতালিতে কৃষি ক্ষেত্রে কাজের সুযোগ তৈরি হলো, তখন তারা নিয়মিত শ্রমিক না নিয়ে অবৈধ অভিবাসীদের এসব কাজে লাগিয়েছে। পরবর্তীকালে এসব অভিবাসীকে তারা বৈধ করে নিয়েছে। ফলে কিছু বাংলাদেশির মনে ধারণা তৈরি হয়েছে যে, কষ্ট করে একবার ইতালি যেতে পারলে কিছু দিন পরই বৈধ হয়ে যাব। এভাবেই অবৈধ অভিবাসনের ক্ষেত্রটা তৈরি হয়েছে।

দায় অনেকেরই : গবেষণা প্রতিষ্ঠান রামরুর প্রধান তাসনিম সিদ্দিকী বলেন, যেসব রিক্রুটিং এজেন্সি লোকজনকে সুদান নিয়ে যাচ্ছেন, তারা কি জানেন না যে সুদানের পর এসব লোকেরা কীভাবে কোথায় যাবে? বহু এজেন্সি আছেন যারা এ চক্রের সঙ্গে জড়িত। এয়ারপোর্টে ইমিগ্রেশন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সিভিল এভিয়েশন- এসবের কিছু অসাধু ব্যক্তির সঙ্গে যোগসাজশে এটা চলছে। তারা বুঝে বা না বুঝে, চোখ বন্ধ করে থেকে এই মানুষগুলোকে যেতে দিচ্ছেন। এটা যদি থামাতে হয়, তাহলে সবার আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে দায়বদ্ধ হতে হবে। তাদের বুঝতে হবে যে এ মানুষগুলো ক্রমাগত লাশে পরিণত হচ্ছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, মানব পাচারের যে আইন আছে, তা বেশ কঠিন। এতে পাচারকারীদের কঠোর শাস্তি হওয়ার কথা। কিন্তু এ সংক্রান্ত মামলাগুলোর যে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়, তা এতটাই দুর্বল হয় যে বিচারকরা তাদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। এক্ষেত্রে দায় সবারই। বিমানবন্দর, পুলিশ, প্রশাসন সবারই। সবাই মিলে সঠিক দায়িত্ব পালন না করলে মানব পাচার বন্ধ হবে না। বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশনের লোকজন বহু লোককে হেস্তনেস্ত করে, কিন্তু এরপরও এই পাচারকারীরা লোক পাঠায় কীভাবে। শুনেছি যারা গেছে তারা ঢাকা বিমানবন্দর দিয়ে বা বিভিন্ন বিমানবন্দর থেকে দুবাই হয়ে আলজেরিয়া হয়ে তারপর গেছে লিবিয়ার মরুভূমিতে। এই ব্যবসা বন্ধ করতে হবে। এটা আমাদের বদনাম, দেশের জন্য লজ্জা। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুঃখজনক যে যারা বিদেশে গিয়ে এ ধরনের পরিস্থিতিতে পড়ছেন তারা যখন  দেশে থাকতে ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য ১০-১২ লাখ টাকা চাইছেন, সেটা তারা পাচ্ছেন না। আবার বিদেশে যাওয়ার জন্য হলে সঙ্গে সঙ্গে তা পাচ্ছেন। এ জন্য গণসচেতনতা প্রয়োজন। মা-বাবা-ভাই-বোন যারা টাকা দিয়ে থাকেন তাদেরও টাকা দেওয়া বন্ধ করতে হবে। বিদেশে যেতে হলে বৈধভাবেই যেতে হবে।

 


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর