শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২১ নভেম্বর, ২০২০ ২৩:০৪

ভারত সব সময় বন্ধুর প্রয়োজন ও বাস্তবতাকে অগ্রাধিকার দেয়

কূটনৈতিক প্রতিবেদক

ভারত সব সময় বন্ধুর প্রয়োজন ও বাস্তবতাকে অগ্রাধিকার দেয়
হর্ষবর্ধন শ্রিংলা

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বলেছেন, চলতি বছরের শুরুতে কভিড-১৯ মহামারী শুরুর পর থেকেই ভারত তার বন্ধুদের সহায়তা করতে সম্ভব সব কাজই করেছে। কুয়েত এবং মালদ্বীপে দ্রুত মেডিকেল দল পাঠানো হয়েছিল। উপসাগরীয় দেশগুলোর পাশাপাশি মরিশাস, সেশেলস, মাদাগাস্কার এবং কোমোরোসের মতো ছোট দ্বীপরাষ্ট্রগুলোতে খাদ্য সরবরাহের সেবা সচল ছিল। ভারত এ অঞ্চলে অবকাঠামো, সংযোগ, অর্থনৈতিক প্রকল্প এবং সরবরাহ চেইনে অবদান রেখেছে। ভারত সবমসময় বন্ধু দেশগুলোর প্রয়োজন, সাম্যতা, পরিবেশগত ও সামাজিক বাস্তবতাকে অগ্রাধিকার দেয়। সম্প্রতি লন্ডন সফরে গিয়ে কভিড পরবর্তী ভারতের পররাষ্ট্রনীতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে দীর্ঘ বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেন, জার্মানির সম্প্রতি প্রকাশিত ‘ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নীতি নির্দেশিকা’ পড়ে আমি বিস্মিত হয়েছিলাম। কারণ সেখানে ছিল ‘কানেকটিভি স্থাপনের সময় ন্যায্যতার ভিত্তিতে অধিকার থাকা প্রয়োজন। সেই সঙ্গে প্রয়োজন স্বচ্ছতা ও স্থায়িত্ব।’ আমি বিস্মিত হয়েছিলাম কারণ ভারত এ নীতিগুলোই সমর্থন করে চলে। তবে বিস্ময়ের পাশাপাশি আমি আনন্দিত কারণ এখন অন্যরা আমাদের নীতিগুলোকে সমর্থন দিচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের অবশ্যই ভুলে যাওয়া উচিত নয় ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোর অনেকগুলোই ঔপনিবেশিক রাষ্ট্র ছিল। শ্রিংলা বলেন, যেকোনোভাবে সংযুক্ত থাকা অংশীদারিত্বের প্রক্রিয়া শুরু করেছে ভারত। এটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ থেকে পশ্চিম ভারত মহাসাগরের দ্বীপপুঞ্জ এবং আফ্রিকার পূর্ব উপকূল পর্যন্ত অংশগ্রহীতা হিসেবে ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া এবং ভারত-জাপান-মার্কিন, ভারত-ফ্রান্স-অস্ট্রেলিয়া এবং ভারত-ইন্দোনেশিয়া-অস্ট্রেলিয়া দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থা যেমন কোয়াডের মতো নেটওয়ার্ক।


আপনার মন্তব্য