শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ মার্চ, ২০২১ ২৩:২৩

নেপালকে সৈয়দপুর মোংলা ও চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারের অনুমতি

চার এমওইউ-এলওই স্বাক্ষর

কূটনৈতিক প্রতিবেদক

Google News

নেপালকে সৈয়দপুর আঞ্চলিক বিমানবন্দর, মোংলা ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডের ভাষণে তিনি এ তথ্য জানান। শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য, সড়ক, রেল ও বিমান যোগাযোগ এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি, বিশেষ করে পানি-বিদ্যুৎ খাত, পর্যটন ও পানি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সহযোগিতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা ইতিমধ্যে বিবিআইএন চুক্তি স্বাক্ষর করেছি। এর ফলে এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে। নেপালকে আমরা আমাদের  সৈয়দপুর আঞ্চলিক বিমানবন্দর এবং মোংলা ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছি।’ অন্যদিকে এই অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিয়েছেন নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যাদেবী ভান্ডারী। প্যারেড গ্রাউন্ডে ভাষণের আগে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে এই ধন্যবাদ দেন নেপালের রাষ্ট্রপতি। রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে শেখ হাসিনা ও বিদ্যাদেবী ভান্ডারীর সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, নেপালকে বাংলাদেশের বন্দর সুবিধা এবং সৈয়দপুর বিমানবন্দর ব্যবহার করার প্রস্তাবের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নেপালের প্রেসিডেন্ট। সারের প্রয়োজনের সময় বাংলাদেশের তাৎক্ষণিক সহায়তার জন্যও তিনি ধন্যবাদ জানান। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, ‘আপনি বিশ্বের দারুণ এক অনুপ্রেরণাদায়ী নেতা। আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উল্লখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।’

৪ এমওইউ-এলওই স্বাক্ষর :  পর্যটন, স্যানিটেশন, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও রেল ট্রানজিট বিষয়ে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে তিনটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং একটি লেটার অব এক্সচেঞ্জ (এলওই) স্বাক্ষরিত হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভান্ডারীর শীর্ষ বৈঠকের পর তাদের উপস্থিতিতে এসব স্বাক্ষর হয়। পর্যটন সহযোগিতা শীর্ষক এমওইউতে বাংলাদেশের পক্ষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব মোকাম্মেল হোসেন এবং নেপালের পক্ষে সংস্কৃতি, পর্যটন ও সিভিল অ্যাভিয়েশন সচিব যাদব প্রসাদ কৈরালা সই করেন। স্যানিটারি ও ফাইটোস্যানিটারি বিষয়ক এমওইউতে বাংলাদেশের পক্ষে কৃষি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মেসবাহুল ইসলাম এবং নেপালের শিল্প, বাণিজ্য ও সরবরাহ সচিব দিনেশ ভট্টারি সই করেন।

 ২০২২-২০২৫ সাল পর্যন্ত সাংস্কৃতিক বিনিময়ের বিষয়ে এমওইউতে বাংলাদেশের পক্ষে সংস্কৃতি সচিব বদরুল আরেফীন এবং নেপালের পক্ষে  দেশটির সংস্কৃতি, পর্যটন ও সিভিল অ্যাভিয়েশন সচিব যাদব প্রসাদ কৈরালা সই করেন।

লেটার অব এক্সচেঞ্জ অন রোহানপুর-সিংঘাবাদ রেলওয়ে রুট (অ্যামেন্ডমেন্ট টু নেপাল-বাংলাদেশ ট্রানজিট অ্যাগ্রিমেন্ট) শীর্ষক বিনিময়পত্র বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য সচিব জাফর উদ্দীন এবং নেপালের পক্ষে শিল্প, বাণিজ্য ও সরবরাহ সচিব দিনেশ ভট্টারি সই করেন।

এই বিভাগের আরও খবর