শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৮ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:১৪

হেফাজত তান্ডবের আসামি ছাড়ালেন আওয়ামী লীগ নেত্রী!

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

হেফাজত তান্ডবের আসামি ছাড়ালেন আওয়ামী লীগ নেত্রী!

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবের ঘটনায় জড়িত অভিযোগে আটক দুলাল নামে একজনকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। জেলার আশুগঞ্জ উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোসনা চৌধুরী তাকে ছাড়িয়ে নেন বলে অভিযোগ করেন উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার। জোসনার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে শনিবার বিকালে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে লিখিত আবেদন করেন তিনি। আবেদনের অনুলিপি দেওয়া হয়েছে উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও যুগ্ম আহ্বায়ক  এবং জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দকে।

আশুগঞ্জ উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোসনা চৌধুরী তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগের ব্যাপারে বলেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগে দুটি গ্রুপ। যারা আমাদের সঙ্গে চলাফেরা করছেন-তাদের বিএনপির তালিকায় নাম দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। দুলালের বাবা দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগ করেন। যাচাই-বাছাই করে পুলিশ তাকে ছেড়েছে। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার বলেন, আশুগঞ্জে আমি কথা বলেছি। এগুলো স্থানীয় অভিযোগ। এরা একজন আরেকজনের প্রতিপক্ষ। অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হবে। অভিযোগকারী তার আবেদনে উল্লেখ করেন, গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে বিএনপি-জামায়াত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক তান্ডব চালায়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে তান্ডব চালানোর জন্য আশুগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ তারুয়া গ্রামের বিএনপি সমর্থক দুলাল মিয়া লোক সরবরাহ করেন। বিষয়টি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা অবগত আছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার দুলালকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

আবেদনে আরও বলা হয়, জোসনা চৌধুরী দলীয় প্রভাব খাটিয়ে দুলালকে আওয়ামী পরিবারের সদস্য প্রত্যয়ন দিয়ে থানা থেকে ছাড়িয়ে আনেন। যা স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের জন্য লজ্জাজনক। তিনি স্থানীয় বিএনপি-জামায়াতের সমর্থকদের আওয়ামী লীগে একে একে অনুপ্রবেশ করান। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগকে বিভক্ত করার জন্য নিজেই একটি গ্রুপ তৈরি করেন জোসনা।

অভিযোগকারী শরীফপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার বলেন, আওয়ামী লীগের নেত্রী হয়ে জোসনার এমন কর্মকান্ডে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। সে জন্য লিখিত অভিযোগ করেছি। দেখি কী হয়।

এই বিভাগের আরও খবর