শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৯ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:৩৭

ক্ষতিগ্রস্তদের দীর্ঘমেয়াদি নগদ অর্থ সহায়তা দিতে হবে : সিপিডি

নিজস্ব প্রতিবেদক

আগের বছরের ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই করোনার নতুন প্রাদুর্ভাবে নতুন করে সংকটে পড়েছে বিপুল মানুষ। আগামী অর্থবছরের বাজেটে এই ক্ষতিগ্রস্তদের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক নগদ সহায়তা দেওয়া উচিত। নিত্য প্রয়োজনীয় সব পণ্যের ওপর করের হার কমিয়ে আনা দরকার। গতকাল বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এই সুপারিশ তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে সিডিপির সুপারিশের মূল প্রতিবেদন তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানটির রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান। বক্তব্য রাখেন সিপিডির ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। সংবাদ সম্মেলনে করোনা মোকাবিলায় সরকারকে স্বাস্থ্য এবং সামাজিক নিরাপত্তা খাত প্রাধান্য দিয়ে বরাদ্দ বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। বর্তমান করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) জিডিপির দুই থেকে তিন শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে এবং চার থেকে ছয় শতাংশ সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ দেওয়ার সুপারিশ করেন তারা। 

অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, করোনার কারণে দেশের দরিদ্রের হার বেড়েছে। সরকারেরও বিভিন্ন উৎস থেকে কর আদায় আশানুরূপ হয়নি। ফলে সরকারকে উচ্চবিত্তদের কাছ  থেকে বেশি পরিমাণে কর আদায় করে দরিদ্রদের মধ্যে নগদ সহায়তা হিসেবে দিতে হবে। এ সহায়তা এককালীন না হয়ে বছরে অন্তত দুই থেকে চারবার করে দীর্ঘ সময় ধরে দিতে হবে। কারণ করোনার সার্বিক পরিস্থিতি থেকে মনে হচ্ছে তা আরও কয়েক বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তিনি বলেন, আগামী বাজেটে বড় বড় প্রকল্প না নিয়ে কর্মসংস্থান বাড়ানো যায় এমন খাতে বরাদ্দ বাড়ানো প্রয়োজন। আর্থিক সহায়তা বাড়ানোর জন্য সরকার সর্বোচ্চ কর হার ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে আগের অবস্থানে অর্থাৎ ৩০ শতাংশে নিয়ে যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, গত বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়ায় সরকার হয়তো এককালীন কিছু টাকা আদায় করতে পেরেছে। কিন্তু তা দীর্ঘমেয়াদি সুফল বয়ে আনতে পারবে না। সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষায় বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। কারণ ইন্টারনেট সেবার মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণ এখনো দেশের বেশিরভাগ মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়।

এই বিভাগের আরও খবর