শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ২৫ মে, ২০২৫ আপডেট: ০২:১৩, রবিবার, ২৫ মে, ২০২৫

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে নানান আলোচনা

পদত্যাগ করছেন না ড. ইউনূস

♦ জাতীয় সরকার গঠন ও উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন নিয়ে ভাবনা ♦ নির্বাচন প্রসঙ্গে আগের অবস্থানেই প্রধান উপদেষ্টা ♦ আসিফ ও মাহফুজকে এনসিপির সঙ্গে সম্পর্ক না রাখার পরামর্শ ♦ দায়িত্ব পালন অসম্ভব করে তুললে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার : বিবৃতি ♦ ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
পদত্যাগ করছেন না ড. ইউনূস

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগের গুঞ্জন নাকচ করেছেন তিনি নিজেই। গতকাল আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি মিলনায়তনে উপদেষ্টা পরিষদের অনির্ধারিত সভায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান। সভার দায়িত্বশীল সূত্রে এ খবর জানা গেছে। সভায় একনেক চেয়ারপারসন ড. মুহাম্মদ ইউনূস সভাপতিত্ব করেন। উপদেষ্টা পরিষদের একটি সূত্র জানায়, প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টা পরিষদের অন্য একাধিক সদস্যের পদত্যাগের গুঞ্জন নিয়ে অনির্ধারিত আলোচনা হয়। সভায় ১৯ জন উপদেষ্টা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া গতকাল সন্ধ্যায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে।

একনেক সভার সূত্র জানান, সভায় প্রধান উপদেষ্টাসহ অন্য কয়েকজন উপদেষ্টার পদত্যাগ করা-না করা, জাতীয় সংসদ নির্বাচন, চলমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট, বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম, অর্থনৈতিক সংকট এবং উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। একনেকের নিয়মিত সভা শেষে মন্ত্রণালয়, বিভাগগুলোর সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বেরিয়ে যান। এরপর কেবল উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা বৈঠক করেন। সভা শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কথা বলেন।

সূত্র আরও জানান, সভার শুরুতে সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রারম্ভিক বক্তব্য দেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় তিনি নিজ পদ থেকে পদত্যাগ না করার কথা বলেন। একই সঙ্গে বলেন, আমরা তো এখানে নিজ থেকে দায়িত্বে আসিনি। আমাদের ছাত্ররা ডেকে এনেছেন। আর জুলাই অভ্যুত্থানে যারা প্রাণ দিয়েছেন এবং যারা এ আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত তাদের কথামতো আমরা দেশ পুনর্গঠনের দায়িত্ব নিয়েছি। পরাজিত ফ্যাসিস্ট শক্তি আমাদের সরানোর জন্য নানান ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তারাই আমাদের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছে, যা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। দায়িত্ব নেওয়ার পর আমরা নানান খাতে সংস্কার কার্যক্রম শুরু করেছি। এতে প্রতিনিয়ত নানা রকম প্রতিবন্ধকতা আসছে। কিন্তু সেসব প্রতিবন্ধকতা প্রতিরোধ করেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। দেশটাকে একটা সুন্দর অবস্থানে নিতে হলে আমরা যেসব সংস্কার কার্যক্রম নিয়েছি, সেগুলো শেষ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের ওপর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের চাপও রয়েছে। এর মধ্যে নির্বাচন নিয়ে চাপ রয়েছে সবচেয়ে বেশি। এ ছাড়া জাতীয় সরকার গঠনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর দেওয়া প্রস্তাব ও উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন নিয়েও আমাদের ওপর চাপ রয়েছে। এ নির্বাচন প্রসঙ্গে আমি আমার আগের অবস্থানের কথাই আপনাদের কাছে ব্যক্ত করছি। এরপর উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা নানান ইস্যুতে তাঁদের মতামত একে একে তুলে ধরেন।

প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যের পর প্রবীণ একজন উপদেষ্টা বলেন, যেহেতু ছাত্রদের আন্দোলনে স্বৈরশাসকের পতনের মাধ্যমে আমরা এ দায়িত্ব নিয়েছি, তাই ছাত্রদের অবমূল্যায়ন করা যাবে না। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে থাকার কারণে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলমকে ছাত্রদের রাজনৈতিক সংগঠন এনসিপি এবং অন্যান্য সংগঠনের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক না রাখার পরামর্শ দেন এই উপদেষ্টা। অবশ্য তাঁর এ বক্তব্যের সঙ্গে আরেকজন উপদেষ্টা কিছুটা দ্বিমত পোষণ করে বলেন, নাহিদ ইসলাম তো আগেই পদত্যাগ করেছেন। এখন যে দুজন রয়েছেন তাঁরা তো এমনিতেই ছাত্রদের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। তাঁরা সরকারেরই গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এরপর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, আলোচিত-সমালোচিত মানবিক করিডর প্রসঙ্গে বক্তব্য তুলে ধরেন। সেখানে দেশের আইনশৃঙ্খলা ও ঈদুল আজহায় ঘরে ফেরার প্রস্তুতির বিষয়ে কথা বলেন তিনি। এ সময় আরেকজন উপদেষ্টা বলেন, ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে থাকা উপদেষ্টারা সরকারে না থাকলেই যে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে এমন তো নয়। এসবের জবাবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, শুধু আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া কিংবা মাহফুজ আলমই নন, উপদেষ্টা পরিষদ থেকে যদি কেউ স্বেচ্ছায় পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিতে চান, সেটার জন্য সবাইকে চিন্তাভাবনা করে জানানোর পরামর্শ দেওয়া হলো। তবে এটা মাথায় রাখতে হবে আমরা কিন্তু ছাত্রদের অনুরোধেই এসেছি। এ সময় বৈঠকে মৃদু তর্কবিতর্কের সৃষ্টি হয়।

সমাপনী বক্তব্যে ড. মুহাম্মদ ইউনূস সব উপদেষ্টাকে ধৈর্য ধরে সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর সহায়তা পাবেন বলেও প্রত্যাশা করেন। এ ছাড়া উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন কিংবা জাতীয় সরকার গঠনের রাজনৈতিক চাপের বিষয়েও কথা বলেন তিনি। তবে যে কোনো পরিস্থিতিতে সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব সুচারুভাবে পালনের নির্দেশনা দেন প্রধান উপদেষ্টা।

ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের ব্রিফিং : বৈঠক শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, প্রধান উপদেষ্টা যাচ্ছেন না, তিনি চলে যাবেন বলেননি, অবশ্যই থাকছেন। আমাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব বড় দায়িত্ব, এ দায়িত্ব ছেড়ে আমরা যেতে পারব না। আমাদের যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, আমরা সে দায়িত্ব পালন করতে এসেছি। তিনি বলেন, বড় পরিসরে আগামী নির্বাচন এবং একটা সুশাসিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় উত্তরণের জন্য যে ধরনের ক্ষেত্র তৈরি করা দরকার, সে কাজেও কোথা থেকে কী কী প্রতিবন্ধকতা আসছে সেগুলো আমরা চিহ্নিত করার চেষ্টা করেছি। ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, আমরা আহ্বান জানাব গণ অভ্যুত্থানের সব শক্তিকে, রাষ্ট্রের সব সংস্থাকে আমাদের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করার জন্য। আমরা সব রাজনৈতিক দল, দেশের প্রশাসন, বিচার বিভাগ, বিভিন্ন সংস্থা সবাই মিলে কাজ করব। আমাদের কাজ এগিয়ে নেওয়ার জন্য সবার সহযোগিতা চাই।

উপদেষ্টা পরিষদের বিবৃতি : গতকাল বিকালে উপদেষ্টা পরিষদ থেকে একটি বিবৃতি প্রদান করা হয়। বিবৃতিটি নিম্নরূপ : অর্থনৈতিক পরিষদের সভা শেষে উপদেষ্টা পরিষদের অনির্ধারিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর অর্পিত তিনটি প্রধান দায়িত্ব (নির্বাচন, সংস্কার ও বিচার) বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা কমিশনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসব দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন সময় নানান ধরনের অযৌক্তিক দাবিদাওয়া, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও এখতিয়ারবহির্ভূত বক্তব্য এবং কর্মসূচি দিয়ে যেভাবে স্বাভাবিক কাজের পরিবেশ বাধাগ্রস্ত করে তোলা এবং জনমনে সংশয় ও সন্দেহ সৃষ্টি করা হচ্ছে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বৈঠকে। দেশ স্থিতিশীল রাখতে; নির্বাচন, বিচার ও সংস্কারকাজ এগিয়ে নিতে এবং চিরতরে এ দেশে স্বৈরাচারের আগমন প্রতিহত করতে বৃহত্তর ঐক্য প্রয়োজন বলে মনে করে উপদেষ্টা পরিষদ। এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্য শুনবে এবং সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করবে। এতে আরও বলা হয়, শত বাধার মাঝেও গোষ্ঠীস্বার্থ উপেক্ষা করে অন্তর্বর্তী সরকার তার ওপর দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। যদি পরাজিত শক্তির ইন্ধনে এবং বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সরকারের ওপর আরোপিত দায়িত্ব পালন অসম্ভব করে তোলা হয়, তবে সরকার সব কারণ জনসমক্ষে উত্থাপন করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, আগামী বছরের ৩০ জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে, এর বাইরে যাবে না। প্রধান উপদেষ্টা এক কথার মানুষ, সুতরাং নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। এ বিষয়ে জামায়াত ও এনসিপি সমর্থন জানিয়েছে।

গতকাল রাতে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

প্রেস সচিব বলেন, স্থানীয় নির্বাচনে জোর দিয়েছে এনসিপি। আওয়ামী লীগের আমলের সব নির্বাচন অবৈধ ঘোষণা চেয়েছে তারা। বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগ নয়, তাকে সমর্থন জানিয়েছেন।

জামায়াত ও এনসিপি মনে করে বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড সম্ভব না, তারা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পুনর্গঠনের দাবি জানিয়েছে বলেও জানান তিনি।

শফিকুল আলম আরও বলেন, জুলাই হত্যাযজ্ঞের বিচার প্রক্রিয়া এ মাসেই শুরু হবে। তিনি বলেন, বিএনপির প্রতিনিধিরা উপদেষ্টা পরিষদ থেকে কয়েকজনের পদত্যাগের কথা বলেছেন, আমরা শুনেছি।

বৈঠকে উপস্থিত দলগুলোর শীর্ষ নেতারা নির্বাচন আয়োজন, বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং রাজনৈতিক সংস্কারে ইতিবাচক ভূমিকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে নুরের ওপর হামলার
বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে নুরের ওপর হামলার
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
আল্লাহ ছাড়া কেউ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না
আল্লাহ ছাড়া কেউ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
অপেক্ষা ও কান্নায় গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত
অপেক্ষা ও কান্নায় গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যে বিশ্বাস করে বিএনপি
বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যে বিশ্বাস করে বিএনপি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
সর্বশেষ খবর
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির শেষ ধাপে আবেদন শুরু
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির শেষ ধাপে আবেদন শুরু

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ৮
ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ৮

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৈশ্বিক তালিকায় এক ধাপ পেছাল চট্টগ্রাম বন্দর
বৈশ্বিক তালিকায় এক ধাপ পেছাল চট্টগ্রাম বন্দর

১২ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মধ্যরাতে চবি শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে আহত ৬০
মধ্যরাতে চবি শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে আহত ৬০

১৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

বার্সেলোনায় ১৭ বছর বয়সী মিডফিল্ডার, কে এই ইব্রাহিম বাবায়েভ?
বার্সেলোনায় ১৭ বছর বয়সী মিডফিল্ডার, কে এই ইব্রাহিম বাবায়েভ?

২৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভিয়েতনামের গুহা থেকে উদ্ধার হওয়া কঙ্কাল নিয়ে রহস্যে বিজ্ঞানীরা
ভিয়েতনামের গুহা থেকে উদ্ধার হওয়া কঙ্কাল নিয়ে রহস্যে বিজ্ঞানীরা

৪৪ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির প্রয়োজনীয়তা
বিএনপির প্রয়োজনীয়তা

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনে ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনে ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নরসিংদীতে কারাগার থেকে পলাতক আসামি গ্রেফতার
নরসিংদীতে কারাগার থেকে পলাতক আসামি গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা সিটি থেকে নিরাপদ গণউচ্ছেদ ‘অসম্ভব’: রেড ক্রস প্রধান
গাজা সিটি থেকে নিরাপদ গণউচ্ছেদ ‘অসম্ভব’: রেড ক্রস প্রধান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রিটেনে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ থেকে গ্রেফতার ৩
ব্রিটেনে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ থেকে গ্রেফতার ৩

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্সে ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চাপায় নিহত ১, আহত ৫
ফ্রান্সে ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চাপায় নিহত ১, আহত ৫

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মহানবী (সা.)-এর জীবনাচারে সরলতার সৌন্দর্য
মহানবী (সা.)-এর জীবনাচারে সরলতার সৌন্দর্য

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গুলার-ভিনিসিউসের গোলে রিয়ালের টানা তিন জয়
গুলার-ভিনিসিউসের গোলে রিয়ালের টানা তিন জয়

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সাইম ও নওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়
সাইম ও নওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?
সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?

৮ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব
সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী
নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল
চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল

৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সর্বাধিক পঠিত
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

১২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

২১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না
মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না

নগর জীবন

নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

নগর জীবন