শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ২৮ মে, ২০২৫

অর্থনীতি ধ্বংসের গভীর ষড়যন্ত্র

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
অর্থনীতি ধ্বংসের গভীর ষড়যন্ত্র

ভাত দেবার মুরোদ নেই, কিল দেবার গোঁসাই- বহুলপ্রচলিত ও জনপ্রিয় এই খনার বচনটি যেন এখন এ দেশের মানুষের অনুভূতি। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্র্বর্তী সরকার এ দেশের মানুষকে ন্যূনতম অর্থনৈতিক সহায়তা দিতে পারছে না। বেকারত্ব, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, টানাপোড়েনে মানুষের জীবন অতিষ্ঠ। বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি হলো বেসরকারি খাত। অথচ এই বেসরকারি খাতকে গলা টিপে হত্যা করার আয়োজন চলছে। ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, ৭১-এ বুদ্ধিজীবী হত্যার মতো মেরে ফেলা হচ্ছে শিল্পোদ্যোক্তাদের। একের পর এক হয়রানি, মিথ্যা মামলা এবং নানারকম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে দেশের বিনিয়োগকারী, শিল্পোদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। দুদক, বাংলাদেশ ব্যাংক, মব সন্ত্রাসীরা যেন একযোগে অর্থনীতি ধ্বংসের খেলায় মেতে উঠেছে। সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে পারছে না, ব্যবসায়ীদের সহায়তা দিতে পারছে না, কিন্তু ব্যবসায়ীদের ওপর আক্রমণে যেন অতিউৎসাহ এই সরকারের কোনো কোনো মহলের। বাংলাদেশ এখন ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য সবচেয়ে দুরূহ দেশগুলোর একটি। জ্বালানিসংকটে কলকারখানাগুলোর ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। অনেক শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে আছে। ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহারের কারণে ব্যবসায়ীরা হিসাব মেলাতে পারছেন না। ডলারসংকট আমদানিতে একটি ভয়ংকর প্রভাব ফেলছে। পণ্যের কাঁচামাল আমদানি করতে গিয়ে ব্যবসায়ীরা কপালে হাত দিচ্ছেন। লাভ তো দূরের কথা, ব্যবসার মূলধন টিকিয়ে রাখাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক যেন পণ করেছে, যে কোনো মূল্যে বাংলাদেশের বেসরকারি খাত, ব্যবসা-বাণিজ্য ধ্বংস করা হবে। দুদক যেন ব্যবসায়ীদের হয়রানি করার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হচ্ছে। হত্যা মামলা, বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ- এসব সাঁড়াশি আক্রমণে দিশাহারা ব্যবসায়ী, শিল্পপতিরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বিদেশি দাতাদের পরামর্শক হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। দেশের অর্থনীতির চেয়ে তিনি দাতাদের ইচ্ছা-অনিচ্ছাকে প্রাধান্য দেন। দাতাদের খুশি করার যে তিন দশকের মানসিকতা সেখান থেকে তিনি বেরোতে পারেননি। সারাক্ষণই চিন্তা করেন কীভাবে তিনি আইএমএফকে খুশি করবেন, বিশ্বব্যাংককে খুশি করবেন, অন্যান্য দাতাদের খুশি করবেন। এটি করতে গিয়ে তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ব্যাংক এমন সব নীতি-পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, যে নীতি পদক্ষেপগুলো দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করছে। দেশের স্বার্থ নয়, তিনি দেখছেন আইএমএফের স্বার্থ।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কাঠামো দাঁড়িয়ে আছে বেসরকারি খাতের ওপর। দেশের অর্থনীতির ৯৪ শতাংশ অবদান বেসরকারি খাতের। বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ এবং তাদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির কারণেই দেশের অর্থনীতিতে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু এ সরকার গত ১০ মাসে যেন বেসরকারি খাতকে ধ্বংস করতেই বেশি আগ্রহী। সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর শুরু হয় মব ভায়োলেন্স। একের পর এক বিভিন্ন শিল্পকারখানায় আগুন লাগানো হয়। সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে হামলা করে, শিল্পপ্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মালিকরা কারখানা বন্ধ করে দেন। অনেক মালিক সর্বস্ব হারান।

গত সোমবার সিপিডি বিগত ছয় মাসের যে অর্থনৈতিক চিত্রের তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে বলা হয়েছে যে, ছয় মাসে ২১ লাখ লোক চাকরি হারিয়েছেন। যার মধ্যে শতকরা ৮৬ শতাংশই নারী। সিপিডির এ তথ্য ভয়ংকর। এ তথ্য থেকে বোঝা যায় যে, আমাদের শিল্পকারখানাগুলোর কী অবস্থা। মাসের পর মাস কারখানা বন্ধ রাখতে হয়েছে। ফলে উৎপাদনহীন অবস্থায় তারা ব্যাংক ঋণের কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে পারেনি। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক যেন অন্ধ। তারা বাংলাদেশের বাস্তবতা জানে না। ঋণখেলাপি হলেই ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে তারা নানান রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ফলে ব্যবসায়ীরা সহজেই ঋণখেলাপি হচ্ছেন। উৎপাদন চালিয়ে নেওয়ার মতো পুঁজিও নেই অনেকের। একদিকে কারখানা চলছে না, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করতে পারছেন না, সে ব্যবসায়ী বেতন দেবেন কীভাবে? তখন আবার শ্রম মন্ত্রণালয় হুংকার দিচ্ছে বেতন-ভাতা ঠিকমতো পরিশোধ না করতে পারলে তাদের জেলে ঢোকানো হবে। কী অদ্ভুত কথা! ব্যবসা নেই, ডলারের উচ্চমূল্যের কারণে পণ্য আমদানি করতে পারছে না। নিরাপত্তাহীনতার কারণে কারখানা বন্ধ। জ্বালানিসংকটের জন্য কারখানা অচল। উৎপাদন না হওয়ায় ব্যাংকের ঋণের কিস্তি পরিশোধ পর্যন্ত করতে পারছেন না, সেখানে একজন শিল্পোদ্যোক্তা বেতন দেবেন কীভাবে? বেতন না দিলে জেলে নেওয়ার হুমকি পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বেসরকারি উদ্যোক্তারা সংকটে পড়লে সরকার পাশে দাঁড়ায়, সহায়তা দেয়, দেয় প্রণোদনা। মার্কিন বোয়িং প্রায় দেউলিয়া হতে চলেছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট কাতারে গিয়ে বোয়িং কেনার জন্য ইতিহাসের বৃহত্তম চুক্তি করলেন। অর্থনৈতিক মন্দার সময় বারাক ওবামা দেউলিয়া প্রায় কোম্পানিগুলোর বড় অঙ্কের সহায়তা দিয়ে বাঁচান। অথচ এ দেশে বেসরকারি খাত যেন সরকারের শক্র। তাকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মারাই ভালো। বাংলাদেশ যেন এখন সেই পরিস্থিতির দ্বারপ্রান্তে এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকে কোনো ফাইল গেলে ৪-৫ মাস আটকে থাকছে। ব্যবসায়ীরা চাতক পাখির মতো অপেক্ষা করেন। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে বাস্তবতা বিবেচনা করে ঋণের কিস্তির সমন্বয় করার কোনো উদ্যোগ নেই। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর শুধু আগ্রহী আইএমএফ এবং দাতাদের নিয়ে। দাতাদের সন্তুষ্ট করাই যেন তার একমাত্র কাজ। দাতাদের সন্তুষ্ট করতে গিয়ে তিনি পুরো অর্থনীতিতে একটা তালগোল পাকিয়ে ফেলেছেন। বিশেষ করে এনবিআর বিভক্তি করার সিদ্ধান্ত আমাদের অভ্যন্তরীণ আয়ের ক্ষেত্রে একটি ভয়ংকর সমস্যা তৈরি করবে। এ সংকট এখনো মেটেনি। এমনিতেই অভ্যন্তরীণ আয় কমেছে বহুগুণ। সামনে আমরা কি তাহলে ভিক্ষার টাকায় চলব?

আইএমএফকে খুশি করতে তিনি ডলারের মূল্য নির্ধারণের দায়িত্ব বাজারের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন। এর ফলে সামনের দিনগুলোতে যে কী ভয়াবহ পরিস্থিতি হবে সেটি হয়তো কেউ জানেন না। ডলারের মূল্য যদি ২০০ টাকা হয়ে যায়, তাহলে কাঁচামাল আমদানি করা ব্যবসায়ীদের জন্য অসম্ভব হয়ে যাবে এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজারে তারা টিকে থাকতে পারবেন না।

আমাদের কারখানাগুলো চলার ক্ষেত্রে জ্বালানি একটা গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। কিন্তু তীব্র জ্বালানিসংকটে ভুগছে সব শিল্পকারখানা। আর এ নিয়ে শিল্পকারখানাগুলোর মালিকরা আর্তনাদ করছেন। কিন্তু শিল্পমালিকদের কান্না শুনবে কে?

৫ আগস্টের পর থেকে ব্যবসায়ীদের টার্গেট করা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের হয়রানি করা যেন এ সরকারের কারও কারও অন্যতম মিশনে পরিণত হয়েছে। তারা এমন সব কাণ্ড-কারখানা করছেন, যাতে ব্যবসায়ীরা তাদের কাজকর্ম, ব্যবসা-বাণিজ্য গুটিয়ে ফেলেন। কথায় কথায় দুদক থেকে চিঠি দেওয়া হচ্ছে। চিঠি দিয়ে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে। সম্পদের হিসাব চাওয়ার নামে তা ফলাও করে প্রকাশ করে মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার করা হচ্ছে। দিনের পর দিন বিএফআইইউ তদন্তের নামে ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানগুলোর অ্যাকাউন্ট জব্দ করে রেখেছে। এসব অ্যাকাউন্ট জব্দের ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে শুধু আতঙ্কই সৃষ্টি হয়নি, এক ভয়াবহ অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। একটা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করে তাকে যদি ব্যবসা করতে বলা হয় সেটা তার পক্ষে কীভাবে করা সম্ভব? কিন্তু এটি হচ্ছে বাংলাদেশের বাস্তবতা।

বাংলাদেশে বেসরকারি খাত যে আজকে এ জায়গায় এসেছে, অনেক বড় বড় শিল্প পরিবার তৈরি হয়েছে, যারা আন্তর্জাতিকভাবে সুনাম অর্জন করেছে। বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা করছে। এটার জন্য কোনো সরকারের অবদান খুবই কম। বেসরকারি উদ্যোক্তারা তাদের নিজস্ব মেধা, বুদ্ধি, ত্যাগ তিতিক্ষা, শ্রম ঘামে তারা এ জায়গায় পৌঁছেছেন। তাদের এ মেধা, শ্রমই বাংলাদেশকে আজকের জায়গায় নিয়ে এসেছে। অথচ আজকে বেসরকারি খাতের বিরুদ্ধে এক পরিকল্পিত যুদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। যারা এ যুদ্ধ ঘোষণাকারী, তারা ষড়যন্ত্রকারী। তারা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করতে চায়। বিদেশিদের হাতে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে তুলে দিতে চায়। বাংলাদেশকে আবার ভিক্ষুকের জাতিতে পরিণত করতে চায়। পৃথিবীর যেসব দেশ বিদেশি ঋণনির্ভর অর্থনৈতিক গড়তে চেয়েছে তারা পঙ্গু হয়ে গেছে। নিঃশেষ হয়ে গেছে। আইএমএফের পরামর্শ যেসব দেশ শুনেছে, তাদের বেশির ভাগই দেউলিয়া হয়ে গেছে। বাংলাদেশও পারবে না। আর তাই দেশীয় শিল্পকারখানাগুলোকে গলা টিপে ধরে যদি কেউ বিদেশি ঋণ দিয়ে দেশ চালাতে চান তাহলে তিনি আসলে একজন রাষ্ট্রদ্রোহী। বাংলাদেশের কাঁধে আবার ভিক্ষার ঝুলি দেওয়ার নীলনকশার বাস্তবায়ন চলছে এখন প্রকাশ্যে।

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে নুরের ওপর হামলার
বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে নুরের ওপর হামলার
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
আল্লাহ ছাড়া কেউ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না
আল্লাহ ছাড়া কেউ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
অপেক্ষা ও কান্নায় গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত
অপেক্ষা ও কান্নায় গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যে বিশ্বাস করে বিএনপি
বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যে বিশ্বাস করে বিএনপি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
সর্বশেষ খবর
আরও দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে
আরও দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

৯৯ বছরের তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙল এশিয়া
৯৯ বছরের তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙল এশিয়া

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফোরজিতে ন্যূনতম ডাউনলোড গতি ১০ এমবিপিএস নির্ধারণ
ফোরজিতে ন্যূনতম ডাউনলোড গতি ১০ এমবিপিএস নির্ধারণ

৫ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেগমগঞ্জে মাকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটালো সন্তান
বেগমগঞ্জে মাকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটালো সন্তান

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তীব্র গরমে এশিয়া কাপের সূচিতে বড় পরিবর্তন
তীব্র গরমে এশিয়া কাপের সূচিতে বড় পরিবর্তন

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

২৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিনের তাপমাত্রা বাড়লেও ঢাকায় হতে পারে বৃষ্টি
দিনের তাপমাত্রা বাড়লেও ঢাকায় হতে পারে বৃষ্টি

৩১ মিনিট আগে | জাতীয়

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির শেষ ধাপে আবেদন শুরু
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির শেষ ধাপে আবেদন শুরু

৪০ মিনিট আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ

৪৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ৮
ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ৮

৫০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৈশ্বিক তালিকায় এক ধাপ পেছাল চট্টগ্রাম বন্দর
বৈশ্বিক তালিকায় এক ধাপ পেছাল চট্টগ্রাম বন্দর

৫২ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মধ্যরাতে চবি শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে আহত ৬০
মধ্যরাতে চবি শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে আহত ৬০

৫৭ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

বার্সেলোনায় ১৭ বছর বয়সী মিডফিল্ডার, কে এই ইব্রাহিম বাবায়েভ?
বার্সেলোনায় ১৭ বছর বয়সী মিডফিল্ডার, কে এই ইব্রাহিম বাবায়েভ?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিয়েতনামের গুহা থেকে উদ্ধার হওয়া কঙ্কাল নিয়ে রহস্যে বিজ্ঞানীরা
ভিয়েতনামের গুহা থেকে উদ্ধার হওয়া কঙ্কাল নিয়ে রহস্যে বিজ্ঞানীরা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির প্রয়োজনীয়তা
বিএনপির প্রয়োজনীয়তা

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনে ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনে ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নরসিংদীতে কারাগার থেকে পলাতক আসামি গ্রেফতার
নরসিংদীতে কারাগার থেকে পলাতক আসামি গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা সিটি থেকে নিরাপদ গণউচ্ছেদ ‘অসম্ভব’: রেড ক্রস প্রধান
গাজা সিটি থেকে নিরাপদ গণউচ্ছেদ ‘অসম্ভব’: রেড ক্রস প্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রিটেনে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ থেকে গ্রেফতার ৩
ব্রিটেনে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ থেকে গ্রেফতার ৩

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্সে ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চাপায় নিহত ১, আহত ৫
ফ্রান্সে ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চাপায় নিহত ১, আহত ৫

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মহানবী (সা.)-এর জীবনাচারে সরলতার সৌন্দর্য
মহানবী (সা.)-এর জীবনাচারে সরলতার সৌন্দর্য

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গুলার-ভিনিসিউসের গোলে রিয়ালের টানা তিন জয়
গুলার-ভিনিসিউসের গোলে রিয়ালের টানা তিন জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

১৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

২১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা
নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

নগর জীবন

মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না
মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না

নগর জীবন