শিরোনাম
প্রকাশ : ৬ ডিসেম্বর, ২০২০ ০৪:০৯
আপডেট : ৬ ডিসেম্বর, ২০২০ ১২:৪৪
প্রিন্ট করুন printer

সেনাদের সক্ষমতা বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে চীন!

অনলাইন ডেস্ক

সেনাদের সক্ষমতা বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে চীন!

চীন নিজেদের সেনা শক্তিকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। আর সেই কারণেই চীন সরকার বায়োলজিক্যাল পদ্ধতিতে সেনাদের মধ্যে ক্ষমতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন সরকার ক্ষমতা নেওয়ার প্রাক্কালে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা প্রধান চীন নিয়ে তার এবং তার সংস্থার অবস্থান খোলাখুলি প্রকাশ করেছেন এবং বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে স্পর্শকাতর বেশ কিছু অভিযোগ তুলে ধরেছেন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল পত্রিকায় দীর্ঘ এক লেখায় জন র‌্যাটক্লিফ বলেছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর চীন “গণতন্ত্র এবং স্বাধীনতার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি” হিসাবে দেখা দিয়েছে।

মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান জন রেক্টক্লিফ সতর্ক করে বলেন, চীন এখন আমেরিকার জন্য সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার। তিনি জানান, বেইজিং চায় আমেরিকাকে দমিয়ে রাখতে। এ কারণে বিশ্বের বাকি দেশগুলোকে অর্থনৈতিকভাবে, সেনা দিয়ে এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাহায্য করছে দেশটি।

জন রেক্টক্লিফ বলেন, মার্কিন গোয়েন্দা জানিয়েছে যে চীন তাদের সেনাদের বায়োলজিক্যাল পরীক্ষা করাচ্ছে এবং পিপলস লিবারেশন আর্মির যারা সদস্য তাদের বৈজ্ঞানিকভাবে ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের’ জন্য চীন সবচেয়ে বড় হুমকি বলে সতর্ক করেছেন মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগ। জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক জন রেক্টক্লিফ অভিযোগ করে বলেন, বেইজিং নিজেদের সামরিক শক্তিকে উন্নত করতে মার্কিন প্রযুক্তি চুরি করছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার জন্য চীনকে সবচেয়ে বড় হুমকি চিহ্নিত করে বেইজিংকে তীব্রভাবে আক্রমণ করলেন এই শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা। বলেন ‘মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগ নিশ্চিত যে আমেরিকাসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের অর্থনৈতিক, সামরিক এবং প্রযুক্তিগতখাতে আধিপত্য বিস্তারের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে চীন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনকে প্রতিনিয়ত প্রকাশ্যে আক্রমণ করে আসছেন। এবার সেই কাতারে যোগ দিলেন এই মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান।

চীনের প্রতিক্রিয়া
শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুয়া চুনইং বলেন, মার্কিন গোয়েন্দা প্রধানের লেখা নেহাতই “স্পর্শকাতর একটি শিরোনাম” এবং কোনো কথারই কোনো প্রমাণ র‌্যাটক্লিফ দেননি। চীনা মুখপাত্র বলেন, আমরা আশা করি মার্কিন রাজনীতিকরা সত্যকে মর্যাদা দেবেন, ভুয়া সংবাদ তৈরি এবং বিক্রি বন্ধ করবেন। রাজনৈতিক ভাইরাস এবং মিথ্যা ছড়িয়ে চীন-মার্কিন সম্পর্ক নষ্ট করার প্রয়াস বন্ধ করবেন। না হলে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বাসযোগ্যতা আরো প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর