শিরোনাম
প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি, ২০২১ ২২:২৬
প্রিন্ট করুন printer

কিউবার বিরুদ্ধে মার্কিন অভিযোগ মিথ্যা: রাশিয়া

অনলাইন ডেস্ক

কিউবার বিরুদ্ধে মার্কিন অভিযোগ মিথ্যা: রাশিয়া

কিউবার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদদের যে অভিযোগ আমেরিকা তুলেছে তা একেবারে মিথ্যা বলে জানিয়েছেন রাশিয়া। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা শুক্রবার মস্কোয় এক সংবাদিক সম্মেলনে হাভানার বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের করা অভিযোগটিকে উড়িয়ে দিয়েছেন ।

সন্ত্রাসবাদের প্রতি সমর্থক দেশগুলির তালিকায় কিউবাকে অন্তর্ভুক্ত করার মার্কিন সিদ্ধান্তকে একেবারে ভুল পদক্ষেপ বলে আখ্যা দিয়েছেন জাখারোভা। তিনি জানান , মার্কিন সরকার বাস্তব পরিস্থিতির আলোকে নিজের বিদেশনীতি নির্ধারণ করতে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।

মার্কিন সরকার দু’দিন আগে সন্ত্রাসবাদে সমর্থক দেশগুলোর তালিকায় কিউবার নাম অন্তর্ভুক্ত করে। মার্কিন সেক্রেটারি অফ স্টেট মাইক পম্পেও এ সম্পর্কে জানিয়েছেন, বিদেশনীতি অত্যন্ত জটিল; কিন্তু তাই বলে আমেরিকার তার মূলনীতি থেকে সরে আসতে পারে না।
 
আমেরিকার আগ্রাসী ও হস্তক্ষেপকামী নীতির বিরোধিতা করার কারণে ল্যাটিন আমেরিকার দেশ কিউবা গত অর্ধ শতাব্দির বেশি সময় ধরে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মোকাবিলা করে আসছে। কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ ক্যানেল তাঁর দেশের বিরুদ্ধে আমেরিকার সাম্প্রতিক পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা করেন এবং এ ঘটনাকে সন্ত্রাসবাদের প্রতি মার্কিন সরকারের দ্বৈত নীতির ফল বলে বর্ণনা করেছেন।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:১০
আপডেট : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:১৮
প্রিন্ট করুন printer

মিয়ানমারে সাংবাদিকদের কাজ করছেন ছদ্দবেশে

অনলাইন ডেস্ক

মিয়ানমারে সাংবাদিকদের কাজ করছেন ছদ্দবেশে
সংগৃহীত ছবি

মিয়ানমারে মানবাধিকারকে পিছনে ফেলে জনসাধারণের বিক্ষোভ কঠোরভাবে দমন করছে সামরিক বাহিনী। সাধারণ মানুষের বিক্ষোভের জন্য সংবাদমাধ্যমকে দায়ী করছে সেনাবাহিনী। তাই সাংবাদিকদের কাজ করতে হচ্ছে ঝুঁকি নিয়ে গা ঢাকা দিয়ে। 

সামরিক বাহিনীর কঠোর নজরে পড়েছে মিডিয়াকর্মী এবং সাংবাদিকরা। গত মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে গোপন আস্তানা থেকে একটি ভার্চুয়াল আলোচনায় যোগ দিয়ে মিয়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানান ইয়াঙ্গুনের মিজিমা নিউজের প্রধান সম্পাদক সোয়ে মিন্ট এবং দ্য ইরাবতি পত্রিকার প্রধান সম্পাদক আং চ। আলোচনা সভার আয়োজক ছিল হনুলুলুর ইস্ট-ওয়েস্ট সেন্টার।

সোয়ে জানান, 'বিক্ষোভের মধ্যে সাদা পোশাকের গুপ্তচর পুলিশ ঢুকে গিয়ে অংশগ্রহণকারীদের তালিকা তৈরি করছে। রাতের অন্ধকারে বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিক্ষোভকারীদের।' 

তিনি আরও বলেন, 'বহু সাংবাদিক অফিসে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়ে গেছেন। পরে জানা গেছে, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, কাউকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে আটক করে নির্যাতন চালানোর পর।' 

সোয়ে মিন্ট বলেন, 'সবচেয়ে বড় আতঙ্কের বিষয় গুপ্ত-হামলা। দুষ্কৃতিকারীদের দিয়ে দল তৈরি করেছে সেনাবাহিনী। তাদের হাতে থাকছে লোহার রড বা লাঠি। সাংবাদিকরা যখন ছবি তুলছেন বা খবর সংগ্রহ করছেন, পেছন থেকে তাদের ওপর হামলা করছে এরা।'

মিয়ানমারের সাংবাদিক-সম্পাদকরা মনে করেন, সে দেশে স্বতঃস্ফূর্ত গণ-আন্দোলনের জয় কেবল সময়ের অপেক্ষা। সামরিক শাসনে থাকার অভ্যাস সে দেশের মানুষের রয়েছে। কিন্তু সীমিত আকারের হলেও গণতন্ত্রের স্বাদ তারা পেয়েছেন। সেই গণতান্ত্রিক অভ্যাস থেকে আবার তাদের মিলিটারি বুটের নীচে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।

সোয়ে মিন্ট বলেন, 'গণতন্ত্র যে একটা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস, ছিনতাই হয়ে যাওয়ার পরে মানুষের টনক নড়েছে। ইন্টারনেটের কথাই ধরুন, ছেলেরা এত দিন তো এটাকে গেম খেলায় বুঁদ হয়ে থাকা আর টিকটক-এ হাসি-মস্করার উপাদানের বাইরে কিছু ভাবেনি। সেই ইন্টারনেট আজ গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মানুষের সব চেয়ে বড় হাতিয়ার।'

সূত্র: আনন্দবাজার

 

বিডি প্রতিদিন / অন্তরা কবির 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:০৫
প্রিন্ট করুন printer

ইরানের বেশিরভাগ নাগরিক আমেরিকার সঙ্গে আলোচনার বিরোধী: জরিপ

অনলাইন ডেস্ক

ইরানের বেশিরভাগ নাগরিক আমেরিকার সঙ্গে আলোচনার বিরোধী: জরিপ

আমেরিকা পরমাণু সমঝোতায় দেওয়া প্রতিশ্রুতি পুরোপুরি বাস্তবায়ন না করা পর্যন্ত দেশটির সঙ্গে ইরানের কোনও আলোচনায় বসা উচিত নয় বলে মনে করে বেশিরভাগ ইরানি নাগরিক। মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও কানাডার ‘ইরান পোল’ সংস্থার এক যৌথ জনমত জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।

টেলিফোনে নেওয়া মতামতের ভিত্তিতে তৈরি করা এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন শুক্রবার প্রকাশিত হয়। জরিপে ইরানি নাগরিকরা পরমাণু সমঝোতা এবং আমেরিকার সঙ্গে তাদের দেশের সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের খোলাখুলি উত্তর দিয়েছেন।

জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, শতকরা ৬৭ ভাগ ইরানি মনে করেন, তাদের দেশের উচিত প্রতিরোধমূলক অর্থনীতি শক্তিশালী করে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করা। অন্যদিকে শতকরা ২৯ ভাগ ইরানি নাগরিক বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য বহির্বিশ্বের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য চালু করার পথ সুগম করতে হবে।

জরিপে মতামত দানকারী শতকরা ৬০ ভাগ ইরানি নাগরিক মনে করেন, আমেরিকা পরমাণু সমঝোতায় ফিরে এলেও নিজের প্রতিশ্রুতি পালন করবে না। আর শতকরা ৮৪ ভাগ ইরানি নাগরিকই বলেছেন, তারা আমেরিকাকে পছন্দ করেন না। এছাড়া, শতকরা ৫১ ভাগ ইরানি নাগরিক পরমাণু সমঝোতার পক্ষে নিজেদের মতামত ব্যক্ত করেছেন। অন্যদিকে শতকরা ৪১ ভাগ ইরানি নাগরিক বলেছেন, তারা এই সমঝোতার বিরোধী।

মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ইরান পোলের জনমত জরিপে শতকরা ৬৯ ভাগ ইরানি নাগরিক বলেছেন, আমেরিকা ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মাধ্যমে পরমাণু সমঝোতায় ফিরে না আসা পর্যন্ত ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের আলোচনায় বসা উচিত হবে না। অন্যদিকে শতকরা ২৮ ভাগ ইরানি নাগরিক বলেছেন, একটি নয়া চুক্তির জন্য বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারে তেহরান। সূত্র: পার্সটুডে

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৯:০২
প্রিন্ট করুন printer

হাইতিতে কারাগার ভেঙে পালাল ৪শ’র বেশি কয়েদি

অনলাইন ডেস্ক

হাইতিতে কারাগার ভেঙে পালাল ৪শ’র বেশি কয়েদি

ক্যারিবীয় দেশ হাইতির একটি কারাগার ভেঙে পালাল ৪শ’র বেশি কয়েদি। সংঘর্ষে কারাগারের পরিচালক এবং প্রভাবশালী একটি অপরাধী চক্রের হোতাসহ প্রাণ গেছে কমপক্ষে ২৫ জনের। এ পর্যন্ত ৬০ জনকে পুনরায় আটক করতে পেরেছে নিরাপত্তা বাহিনী।

শুক্রবার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পোর্ট-অ-প্রিন্সের ক্রোইক্স-দেজ-বুকেটস বেসামরিক কারা কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করে। যদিও দেশটির ইতিহাসে এক দশকের সবচেয়ে ভয়াবহ এ সংঘাতের ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার।

কারাবন্দি গ্যাং লিডার আর্নেল জোসেফকে মুক্ত করার লক্ষ্যে জেলটিতে অভিযান চালায় তার অধীনস্তরা। ২০১৯ সালে গ্রেফতারের আগ পর্যন্ত জোসেফ ছিলেন হাইতির ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ পলাতক। ধর্ষণ, অপহরণ, হত্যাসহ অসংখ্য অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে।

এদিকে পালানোর পরদিন একটি নিরাপত্তা চৌকিতে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন তিনি। ২০১৪ সালেও একই কারাগার থেকে পালায় ৩শ’র বেশি কয়েদি।

তবে হাইতির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জেল ভেঙে পালানোর ঘটনাটি ঘটে ২০১০ সালের প্রলয়ঙ্কারী ভূমিকম্পের পর। সেসময় কুখ্যাত ন্যাশনাল পেনিটেশিয়ারি কারাগার ভেঙে পালায় ৪ হাজার ২শ’ কয়েদি।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৮:৪২
প্রিন্ট করুন printer

চীনা শিল্পপতিকে টপকে ফের এশিয়ার শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানি

অনলাইন ডেস্ক

চীনা শিল্পপতিকে টপকে ফের এশিয়ার শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানি

চীনা শিল্পপতিকে টপকে ফের এশিয়ার ধনীতম শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি। তার সম্পত্তির আনুমানিক বাজার মূল্য ৮০ বিলিয়ন ডলার। ২০ শতাংশ সম্পত্তি বৃদ্ধি করে চীনা শিল্পপতি জোং শানশানকে পিছনে ফেলেছেন মুকেশ আম্বানি। আম্বানির ঠিক পরেই রয়েছে শানশান। তার সম্পত্তির আনুমানিক মূল্য ৭৬.৬ বিলিয়ন ডলার। গত এক সপ্তাহের মধ্যে ২২ বিলিয়ন ডলার খুইয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে নেমে এসেছেন শানশান। 

ব্লুমবার্গ বিলিওনিয়ার ইনডেক্স জানাচ্ছে, চীনা শিল্পপতি পানির বোতলের একাধিক কারখানার মালিক। বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই তিনি ধনীতম শিল্পপতি তালিকার শীর্ষে ছিলেন। তবে চলতি সপ্তাহে তাকে পিছনে ফেলে ওপরে উঠে এসেছেন আম্বানি। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসেই আম্বানিকে পিছনে ফেলে ওপরে উঠে এসেছিলেন শানশান। এর ফলে বিশ্বে তিনি ষষ্ঠ ধনী হিসেবে জায়গা করে নিয়েছিলেন। ২০২০ সালে টালমাটাল আর্থিক পরিস্থিতির জন্য বেশ কিছুটা পিছিয়ে পড়েন আম্বানি।

২০২০ সালের মাঝামাঝি সময়ে জানা যায়, মুকেশ আম্বানির নিট সম্পদ ২৮ শতাংশ কমে গিয়েছে বা প্রতিদিন ৩০০ মিলিয়ন ডলার। শেয়ারবাজারে সংশোধন হওয়ায় ৩১ মার্চ নিট সম্পদ গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮ বিলিয়ন ডলার। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টরের মোট সম্পদ ১৯ বিলিয়ন ডলার কমেছে। এর ফলে বিশ্বের ধনী তালিকায় তার স্থান অষ্টম থেকে ১৭তম স্থানে নেমে এসেছে।
 
তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির বদল হয়। লকডাউনের সময় দেখা যায় মুকেশ আম্বানির ব্যক্তিগত আয় হয়েছে প্রতি ঘণ্টায় ৯০ কোটি রুপি।

আইআইএফএল ওয়েলথ হারুন ইন্ডিয়ার রিচ লিস্ট, ২০২০ বার্ষিক রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। সেখানে গত নয় বছর ধরে দেশের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির স্থান দখল করে আছেন মুকেশ আম্বানি। গত এক বছরে তার ব্যক্তিগত সম্পত্তি ২,৭৭,৭০০ কোটি টাকা থেকে বেড়ে হয় ৬,৫৮,৪০০ কোটি টাকা।

ওই রিপোর্টে প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা যায়, মুকেশ আম্বানির তেল থেকে টেলিকম নানা ক্ষেত্রে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের নানা সংস্থার কর্তা থাকার সুবাদে গত ১২ মাসে তার মোট সম্পত্তির পরিমাণ বেড়ে গিয়েছে ৭৩ শতাংশ। এর ফলে তিনি এশিয়ার প্রথম এবং বিশ্বের চতুর্থ ধনী হয়ে উঠেছেন। 

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৮:০৮
আপডেট : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৮:২২
প্রিন্ট করুন printer

খাশোগিকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন মোহাম্মাদ বিন সালমান: আমেরিকা

অনলাইন ডেস্ক

খাশোগিকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন মোহাম্মাদ বিন সালমান: আমেরিকা

সৌদি আরবের ক্ষমতাধর যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমান ব্যক্তিগতভাবে সেদেশের ভিন্ন মতাবলম্বী সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ২০১৮ সালে তৈরি করা মার্কিন সরকারের গোয়েন্দা প্রতিবেদনে এমন তথ্যই উঠে এসেছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিবেদনটি ধামাচাপা দিয়ে রাখলেও বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তা প্রকাশ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোহাম্মাদ বিন সালমান এমন একটি পরিকল্পনা অনুমোদন করেছিলেন যাতে সৌদি নিরাপত্তা বাহিনীকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে, খাশোগিকে ‘ধরে আনতে অথবা হত্যা করতে’ হবে।

এই প্রথম মার্কিন সরকার খাশোগিকে হত্যার জন্য সরাসরি সৌদি যুবরাজকে দায়ী করল। মোহাম্মাদ বিন সালমান শুরু থেকে এই হত্যাকাণ্ডের দায় অস্বীকার করে আসছিলেন।

এদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, খাশোগি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে সৌদি আরবের ৭৬ নাগরিকের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। এসব সৌদি নাগরিক আমেরিকার ভিসা পাবেন না। তবে বাইডেন  প্রশাসন সৌদি যুবরাজের বিরুদ্ধে কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে না বলে মার্কিন বার্তা সংস্থাগুলো জানিয়েছে।

মোহাম্মাদ বিন সালমান ও তার বাবা সৌদি রাজা সালমানের সমালোচক হিসেবে পরিচিত খাশোগি জীবনের নিরাপত্তার ভয়ে আমেরিকায় স্বেচ্ছা নির্বাসনে চলে গিয়েছিলেন। তিনি ওয়াশিংটন ডিসি’র শহরতলীতে বসবাস করতে শুরু করেন এবং সেখানে বসেই ওয়াশিংটন পোস্টে নিবন্ধ লিখে সৌদি রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকেন। দেশত্যাগের আগে বহুদিন রাজ পরিবারের সঙ্গে জামাল খাশোগির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলে তিনি খুনি মোহাম্মাদ বিন সালমান ও তার রাজ পরিবারের হাড়ির খবর জানতেন। সৌদি যুবরাজ ঠিক এ কারণেই জামাল খাশোগিকে ভয় পেতেন।

খাশোগি ২০১৮ সালের অক্টোবরে দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য তুরস্কের ইস্তাম্বুলস্থ সৌদি কনস্যুলেটে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আনতে গিয়ে নৃশংসভাবে নিহত হন। সৌদি আরব থেকে বিশেষ বিমানে করে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি দল তাকে হত্যা করার জন্য আগেই ইস্তাম্বুলে পৌঁছে গিয়েছিল এবং তারাই খাশোগিকে হত্যা করে তার লাশ টুকরো টুকরো করে ফেলে। এখন পর্যন্ত খাশোগির লাশের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর