শিরোনাম
প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৮:৪১
প্রিন্ট করুন printer

সন্ত্রাস দমনে ব্যর্থ পাকিস্তান ধূসর তালিকাতেই

অনলাইন ডেস্ক

সন্ত্রাস দমনে ব্যর্থ পাকিস্তান ধূসর তালিকাতেই
প্রেস ব্রিফিংয়ে এফএটিএফের সভাপতি ড. মার্কাস প্লেয়ের

সন্ত্রাস দমন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের বেঁধে দেওয়া লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হলো পাকিস্তান। তাই আপাতত সন্ত্রাসী কাজকর্মে অর্থনৈতিক জোগানের ওপর নজরদারি চালানো সংগঠন ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের (এফএটিএফ) ধূসর তালিকাতেই থাকছে পাকিস্তান। সন্ত্রাস দমনে পাকিস্তান কতটা সক্রিয়, তা যাচাই করতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বৈঠকে বসেছিল সংগঠনের কর্মকর্তারা। বৃহস্পতিবার সেখানেই এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডন বলেছে, ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ সত্ত্বেও পাকিস্তানকে জুন পর্যন্ত ধূসর তালিকায় রেখেছে এএফএটিএফ। এফএটিএফের চার দিনের ভার্চুয়াল প্লেনারি বৈঠকের পর বৃহস্পতিবার প্যারিসে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এএফএটিএফের সভাপতি ড. মার্কাস প্লেয়ের এই ঘোষণা দেন।


এএফএটিএফ জানিয়েছে, সন্ত্রাসে আর্থিক মদত বন্ধ করতে যে যে পদক্ষেপ করা উচিত, তাতে পাকিস্তানের তরফে ঘাটতি রয়ে গেছে। তাই তাদের গতিবিধির ওপর আগামী দিনেও বাড়তি নজরদারি চলবে। অর্থাৎ ধূসর তালিকা থেকে এখনই অব্যাহতি পাচ্ছে না পাকিস্তান।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের জুন মাসে পাকিস্তানকে ধূসর তালিকাভুক্ত করে এফএটিএফ। সেসময় ইসলামাবাদকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে, ২০১৯ শেষ হওয়ার আগে দেশের মাটিতে মাথাচাড়া দেওয়া সন্ত্রাসী সংগঠনগুলির আর্থিক জোগান বন্ধ করতে পদক্ষেপ করতে হবে তাদের। কিন্তু ২০১৯ শেষের দিকে সারাবিশ্বে দেখা দেয় করোনা প্রকোপ। ফলে পাকিস্তানকে দেওয়া সময়সীমার মেয়াদ আরও বাড়ানো হয়। 

সম্প্রতি ভার্চুয়াল মাধ্যমে নতুন করে আলোচনা শুরু হলেও, সন্ত্রাসদমনে পাকিস্তানের ভূমিকায় সন্তুষ্ট হতে পারেননি সংস্থার কেউই। যে কারণে এফএটিএফ-এর প্রেসিডেন্ট মার্কাস প্লেয়ের বলেন, ‘সন্ত্রাসী কাজকর্মে আর্থিক জোগান বন্ধ করায় পাকিস্তানের কমতি রয়ে গেছে। তাই আগামী দিনেও বাড়তি নজরদারি থাকবে তাদের ওপর।’

সন্ত্রাস দমেন পাকিস্তানকে ২৭টি পয়েন্ট বেঁধে দিয়েছিল এফএটিএফ। এর মধ্যে বেশ কিছু পূরণ করতে পারলেও, তিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শর্তপূরণ অধরাই ধেকে গেছে বলেও জানান মার্কাস। 

তিনি জানান, জাতিসংঘ দ্বারা ঘোষিত সন্ত্রাসবাদী এবং তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে এখনও তেমন কড়া পদক্ষেপ করে উঠতে পারেনি পাকিস্তান। তাদের দেওয়া সময়সীমার মেয়াদও পেরিয়েছে। কেন এই ঢিলেমি, কোথায়, কী সমস্যা হচ্ছে, তা যত শিগগির সম্ভব জানাতে হবে পাকিস্তানকে। সন্ত্রাসবাদীদের কড়া সাজা দিতে হবে সে দেশের আদালতকে।  

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ 

 
 


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর