শিরোনাম
প্রকাশ : ১৭ জুলাই, ২০২১ ১২:৫০
প্রিন্ট করুন printer

বালুচিস্তানে সরকারের নজরদারির অভাবে ক্ষুদ্র শিল্প সংকটাপন্ন

অনলাইন ডেস্ক

বালুচিস্তানে সরকারের নজরদারির অভাবে ক্ষুদ্র শিল্প সংকটাপন্ন
বালুচিস্তানে সরকারের নজরদারির অভাবে ক্ষুদ্র শিল্প সংকটাপন্ন
Google News

পাকিস্তানের বালুচিস্তানে ক্ষুদ্র শিল্পে প্রণোদনার অভাব, বিনিয়োগের প্রতি সরকারের হালকা মনোভাব, নজরদারির অভাবে ক্ষুদ্র শিল্পের অবস্থা শোচনীয়। দ্য ফ্রন্টিয়ার পোস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে খালিক নজর কিয়ানি বলেন, 'শিল্প এস্টেট কোয়েটায় কিছু ক্ষুদ্র শিল্প কাজ করছে, কিন্তু উন্নয়ন মুখ থুবড়ে পড়েছে।' 

তিনি আরও বলেন, 'বেশ কিছুদিন ধরে কোন নতুন কারখানা স্থাপন করা হয়নি। প্রণোদনার অভাব, বিনিয়োগের প্রতি সরকারের হালকা মনোভাব এবং সর্বোপরি নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে নতুন বিনিয়োগ উদ্বেগজনক। রাজনৈতিক নেতৃত্বের এই ধরনের প্রকল্প অনুসরণ করার সময় নেই, যা জনগণের জন্য দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক সুবিধা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ আনতে পারে।'  

লেখক লিখেছেন, ২০১৭ সালে এনারটেক কোম্পানি (কুয়েত ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানির একটি সহায়ক সংস্থা) কোয়েটা এবং বোস্তানে ৫০ মেগাওয়াটের দুটি করে সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি এনইপিআরএ থেকে জেনারেশন লাইসেন্স এবং ট্যারিফ পেয়েছে, যা পাকিস্তানে সর্বনিম্ন ছিল। কিন্তু তারপরে যুক্তরাষ্ট্রীয় পর্যায়ে পরিস্থিতি তৈরি হয় এবং প্রকল্পের ভাগ্য এখনও ঝুলে রয়েছে।

ইমরান খানের তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) ক্ষমতাসীন সরকার এবং বালুচিস্তান সরকার দাবি করেছে যে চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর প্রকল্প (সিপিইসি) পাকিস্তান এবং বিশেষ করে বালুচিস্তানের জন্য একটি গেম-চেঞ্জার। কিন্তু বাস্তবতা কিছুটা তিক্ত এবং দরিদ্র বালুচিস্তানের জীবনে হঠাৎ বৈপ্লবিক পরিবর্তন আশা করা দিবাস্বপ্নের মতো হবে।

কিয়ানি আরও বলেন, নওয়াজ শরীফ সরকারের সময় সিপিইসির অধীনে ৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রকল্প চালু করা হয়। গাওয়াদারের উন্নয়নে বালুচিস্তানের অংশ ছিল প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং হাব বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার জন্য প্রায় ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বেসরকারি বিনিয়োগ। বাকি বালুচিস্তানকে কোন গঠনমূলক উন্নয়ন পরিকল্পনা ছাড়াই ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।  

 

বিডি প্রতিদিন / অন্তরা কবির 

এই বিভাগের আরও খবর