শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ৩১ মে, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩০ মে, ২০২১ ২৩:৪৩

ইসরায়েলের রাজনীতিতে নাটকীয়তা পতন হবে বেনিয়ামিন সরকারের!

ইসরায়েলের রাজনীতিতে নাটকীয়তা পতন হবে বেনিয়ামিন সরকারের!
Google News

দীর্ঘ সময় ধরে তিনি ইহুদিবাদী রাষ্ট্র ইসরায়েল শাসন করছেন। যুদ্ধবাজ নেতা হিসেবে তার নামও রয়েছে। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও  দুর্নীতিরও এন্তার অভিযোগ। তাই তো তিনি ক্ষমতায় থাকতে মরিয়া। আর এই খায়েশ থেকে চলতি মাসে ফিলিস্তিনে যাচ্ছেতাই বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে শত শত নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছেন ইসরায়েলের মানুষের সহানুভূতি পেতে। কিন্তু সেই খায়েশ পূর্ণ হচ্ছে না। 

বিরোধী দল ইয়েশ আটিদ পার্টির কাছে ক্ষমতা ছাড়তে হচ্ছে। মাত্র দুই বছরের মধ্যে সেখানে চারটি পার্লামেন্ট নির্বাচন হয়েছে। কিন্তু এ সময় টেকসই কোনো সরকার গঠিত হয়নি। সর্বশেষ সেখানে নির্বাচন হয়েছে ২৩ মার্চ। এরপর বিরোধী দল ইয়েশ আটিদ পার্টির নেতা ইয়াইর লাপিদকে নতুন সরকার গঠনের জন্য ২৮ দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়। এ সময় শেষ হচ্ছে আগামী বুধবার। তিনি এ সময়ের মধ্যে নতুন জোট গঠনের চেষ্টা করছেন। তবে এক্ষেত্রে তার সফলতা বড় অংশে নির্ভর করছে উগ্র ডানপন্থি ইয়ামিনা পার্টির নেতা নাফতালি বেনেটের ওপর। গতকালই এ দলটির নেতা নতুন সরকার গঠনে থাকবে কি না তা জানানোর কথা। পার্লামেন্টে তার দলের আছে ছয়টি আসন। যদি তিনি লাপিদের সঙ্গে জোটে যোগ দেন, তাহলে বিদায় ঘণ্টা বেজে যাবে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর।

এরই মধ্যে দেশটির একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ইয়াইর লাপিদ একটি জোট গঠনের প্রায় শেষ পর্যায়ে। এ অবস্থায় নাফতালি বেনেট তার নিজের দলের এমপিদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা। তাদের মতামত নেবেন যে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বাম, মধ্য এবং ডানপন্থিদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই জোটে যোগ দেবেন কি না। সাম্প্রতিক সময়ে জনসম্মুখে নীরবতা বজায় রাখছেন নাফতালি বেনেট।

অন্যদিকে লিকুদ পার্টির নেতা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তার নিজের মেয়াদের ইতি ঘটতে পারে বলে টুইটারে ইঙ্গিত দিয়েছেন শুক্রবার। তিনি লিখেছেন- রিয়েল এলার্ট।

বিপজ্জনক বামপন্থি একটি প্রশাসন সামনে এগিয়ে আসছে। এদিকে বেনেট ও লাপিদের মধ্যে একটা চুক্তি ইতিমধ্যেই হয়েছে। সেই চুক্তি অনুযায়ী প্রথমে বেনেট প্রধানমন্ত্রী হবেন এবং পরে ওই দায়িত্ব লাপিদের   কাছে হস্তান্তর করবেন।