শনিবার, ২৪ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ টা

তিব্বতে গোপন সফরে শি জিন পিং

তিব্বতে গোপন সফরে শি জিন পিং

চীনের প্রেসিডেন্ট হয়েছেন ১০ বছর। এরপর এবারই প্রথমবার তিব্বত সফরে গেলেন শি জিন পিং। চীনের সঙ্গে তিব্বতের এক অদ্ভুত সম্পর্ক। শতাব্দীর পর শতাব্দী কখনো স্বাধীন আবার কখনো চীনের শাসনে থেকেছে দালাই লামার দেশ। চীনের দাবি, ১৯৫১ সালে ‘শান্তিপূর্বক স্বাধীনতা’ দেওয়া হয়েছে তিব্বতকে, কিন্তু প্রায়ই সে দেশ থেকে চৈনিক আগ্রাসনের খবর পাওয়া যায়। তিব্বত মূলত চীনের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। যদিও অনেকেই তিব্বতিদের চীনের অংশ মানতে রাজি নয়। এ কারণেই ১৯৬৯ সালে তিব্বতিরা দালাই লামার নেতৃত্বে চীনের বিরুদ্ধে স্বাধিকার আন্দোলন গড়ে তোলে, যা শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি। তিব্বতে জনরোষ সামাল দিতে সেখানে বিভিন্ন উন্নয়নকাজে হাত দেয় চীন। তবে দেশটির নির্বাসনে যাওয়া অনেক বাসিন্দার অভিযোগ, এই অঞ্চলে চীন সরকার ধর্মীয় দমন-পীড়ন চালাচ্ছে এবং হাজার বছরের সংস্কৃতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।  গত বুধবার তিব্বতের দক্ষিণ-পূর্বে নিয়াংঝি মেইনলিং বিমানবন্দরে পৌঁছান শি জিন পিং। তার এই সফরের ভিডিওতে দেখা গেছে, তিব্বতে পৌঁছানোর পর তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে আসেন অনেকে। তাঁরা তিব্বতের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরেছিলেন। এ সময় তাঁদের চীনের পতাকা ওড়াতে দেখা যায়।

এরপর তাঁকে লালগালিচা সংবর্ধনা জানানো হয়। পরে জিনপিং ইয়াং সেতু পরিদর্শন করেন। সেখান থেকে তিনি ইয়ারলুং সাংপো ও ইয়ান নদীবাহিত এলাকার পরিবেশ সুরক্ষা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

জিন পিং বুধবার নামলেও প্রথম দুই দিন এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে কোনো সরকারি বিবৃতি দেওয়া হয়নি। আজ শুক্রবার তা জানানো হলো। 

এর আগে দুবার তিব্বত সফরে গেছেন জিন পিং। প্রথম ১৯৯৮ সালে ফুজিয়ান প্রদেশের দলীয় প্রধান হিসেবে এবং পরে ২০১১ সালে দেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে। চীনা প্রেসিডেন্ট হিসেবে শেষ ১৯৯০ সালে দালাই লামার দেশে যান জিয়াং জেমিন।

এই বিভাগের আরও খবর