শিরোনাম
মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ০০:০০ টা

জেলেনস্কিকে হত্যা না করার প্রতিশ্রুতি পুতিনের

জেলেনস্কিকে হত্যা না করার প্রতিশ্রুতি পুতিনের

পুতিন (বামে), বেনেট (মাঝে), জেলেনস্কি

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের শুরুতে নাফতালি বেনেট সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছিলেন। একটি সাক্ষাৎকারে, নাফতালি বেনেট বলেন, ‘আমি জিজ্ঞেস করেছি, এটা কী হচ্ছে? আপনি কি জেলেনস্কিকে হত্যা করার পরিকল্পনা করছেন?’ উত্তরে পুতিন বলেছিলেন, ‘আমি জেলেনস্কিকে হত্যা করব না।’ এরপর বেনেট জেলেনস্কিকে ফোন করে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে জানান। বেনেট বলেন, তিনি ফোনে জেলেনস্কিকে বলি, শুনুন আমি একটা বৈঠক থেকে বেরিয়ে এসেছি, তিনি (পুতিন) আপনাকে মারবেন না।’ এরপর জেলেনস্কি জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনি কি নিশ্চিত?’ এর উত্তরে বেনেট বলেন, ‘১০০ শতাংশ নিশ্চিত তিনি আপনাকে হত্যা করবেন না।’ বেনেট এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে পুতিনের এই প্রতিশ্রুতির কথা জানিয়েছেন। শনিবার রাতে একটি ইউটিউব চ্যানেলে তাঁর এই সাক্ষাৎকার প্রচারিত হয়েছে।

মধ্যস্থতা সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে, বেনেট বলেছিলেন তখন পুতিন ইউক্রেনের নিরস্ত্রীকরণের জন্য তাঁর শপথ ত্যাগ করেছিলেন এবং জেলেনস্কি ন্যাটোতে যোগদান না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

বর্ষপূর্তিতে বড় হামলা চালাতে পারে রাশিয়া : ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওলেস্কি রেজনিকভ বলেছেন, চলতি মাসেই রাশিয়া তাঁর দেশে বড় ধরনের একটি হামলা চালাতে পারে। তবে তিনি মনে করেন, ওই সময়ের মধ্যে পশ্চিমা মিত্রদের প্রতিশ্রুত সামরিক সহায়তা না পৌঁছালেও রুশ বাহিনীকে মোকাবিলার মতো যথেষ্ট সামর্থ্য কিয়েভের আছে। রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে ওলেস্কি রেজনিকভ এসব কথা বলেছেন। গত বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা শুরু করে রাশিয়া। রাশিয়ার হামলা মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা মিত্ররা ইউক্রেনকে ট্যাংক, পদাতিক যুদ্ধযানসহ কোটি কোটি ডলার মূল্যের নতুন সামরিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে রাশিয়া বড় ধরনের হামলা চালানোর আগে সব সহায়তা না-ও পৌঁছাতে পারে বলে মনে করছে কিয়েভ।

হামলার মুখে ইউক্রেনে প্রশাসনিক রদবদল : রাশিয়ার জোরাল হামলার মোকাবিলা করছে ইউক্রেন বাহিনী। এমন সংকটের মধ্যেই প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে সরানো হবে বলে জল্পনাকল্পনা চলছে। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির রাজনৈতিক জোটের প্রধানের সূত্র অনুযায়ী প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওলেক্সি রেজনিকভকে সরিয়ে সেই পদে আনা হচ্ছে সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা জিইউআর-এর প্রধান কিরিলো বুদানভতে। ‘জনগণের ভৃত্য’ নামের সংসদীয় গোষ্ঠীর প্রধান ডাভিড আরখামিয়া এমন দাবি করেছেন। তার মতে, যুদ্ধের সময় ইউক্রেনের বাহিনীগুলোর শীর্ষে রাজনীতিকদের থাকা উচিত নয়। প্রতিরক্ষা বা নিরাপত্তার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মানুষের সেই কাজ করা উচিত। কবে এমন সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে, সে বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি।

সর্বশেষ খবর