শিরোনাম
প্রকাশ: ০৭:৫০, রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫

প্রতিবন্ধী সন্তানের সঙ্গে আচরণ কেমন হওয়া উচিত

মাওলানা সাখাওয়াত উল্লাহ
অনলাইন ভার্সন
প্রতিবন্ধী সন্তানের সঙ্গে আচরণ কেমন হওয়া উচিত

মানুষের জীবনে স্বাস্থ্য, সুস্থতা ও মানসিক প্রশান্তি মহান আল্লাহর এক বিশেষ নিয়ামত। কিন্তু কখনো কখনো আল্লাহ পরীক্ষাস্বরূপ পরিবারে এমন সন্তান দান করেন, যারা শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্ধকতার কারণে অতিরিক্ত যত্ন ও সহানুভূতির দাবি রাখে। এসব সন্তান শুধু পরিবারকেই নয়—সমাজ ও আমাদের সবার দায়িত্ববোধকে জাগ্রত করে। তাদের সঠিক পরিচর্যা, ধৈর্য, ভালোবাসা ও ইতিবাচক দিকনির্দেশনার মাধ্যমেই আমরা তাদের জীবনে আলো ছড়াতে পারি।

আর এই দায়িত্ব পালন করা শুধু মানবিক কর্তব্য নয়, বরং ঈমানদারের জন্য ইবাদতেরই একটি রূপ। ‘প্রতিবন্ধিতা’ বলতে বোঝায় এমন একটি স্থায়ী বা দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক, ইন্দ্রিয়গত, মানসিক, যোগাযোগগত, শিক্ষাগত বা মনস্তাত্ত্বিক দুর্বলতা, যা মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপনকে প্রভাবিত করে। এই দুর্বলতার কারণে একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি সাধারণ কাজকর্ম সম্পাদনে অন্যের সাহায্যের প্রয়োজন অনুভব করতে পারে অথবা তার বিশেষ ধরনের যন্ত্রপাতি কিংবা প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হতে পারে। এই ক্ষেত্রে পরিবারে যদি কোনো প্রতিবন্ধী শিশু বা যুবক থাকে, তবে তা পরিবারকে নানা ধরনের মানসিক চাপ, আর্থিক সংকট, সম্পর্কগত সমস্যা ও কর্মজীবনে ব্যাঘাতের মুখে ফেলতে পারে।

তাই ইসলাম পরিবারকে এসব পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধারণ করতে, আল্লাহর কাছ থেকে উত্তম প্রতিদানের আশা রাখতে এবং প্রতিবন্ধীদের সঙ্গে কোমলতা, সহানুভূতি ও সদাচরণ করতে উৎসাহ দিয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করব ভয়, ক্ষুধা, ধন-সম্পদ, প্রাণ ও ফল-ফসলের ক্ষতির মাধ্যমে। আর ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও, যারা কোনো বিপদে পড়লে বলে—নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর জন্য এবং আমরা তাঁর কাছেই ফিরে যাব। এদের ওপরই আছে তাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে আশীর্বাদ ও রহমত এবং তারাই সঠিক পথে রয়েছে।’ (সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ১৫৫-৫৭)

রাসুল (সা.) বলেছেন : ‘মুমিন পুরুষ ও নারীর ওপর তাদের জীবনে, সন্তান-সন্ততিতে ও সম্পদে পরীক্ষা হতে থাকবে—যতক্ষণ না সে আল্লাহর সঙ্গে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করে যে তার ওপর আর কোনো পাপ থাকবে না।’

(তিরমিজি, হাদিস : ২৩৯৯)

একজন বাবা অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার ১৩ বছরের একটি ছেলে আছে, যে মানসিকভাবে প্রতিবন্ধী। সে ঘরে অত্যধিক অস্থির ও অতিসক্রিয় আচরণ করে, জিনিসপত্র ভাঙচুর করে, সম্পত্তির ক্ষতি করে, তার ভাইবোনদের মারে এবং কখনো কখনো তাদের সামনে নিজের শরীর উন্মুক্ত করে ফেলে। তার মা ও আমি জীবনের স্বাভাবিক আনন্দটুকুও পাই না, কারণ তাকে এক মুহূর্তের জন্যও একা ফেলে রাখা যায় না। আত্মীয়দের বাড়িতে গেলেও তার আচরণের কারণে আমরা সব সময় দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপে থাকি।

আমাকে দয়া করে পরামর্শ দিন—আমি কী করতে পারি?’ বর্তমান সমাজে এমন অভিযোগ অহরহ। তাই আমাদের উচিত বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন তরুণদের ক্ষেত্রে প্রাথমিক হস্তক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত চিকিৎসা, সঠিক পরিচর্যা ও পুনর্বাসন শুধু শিশুর উন্নতি ঘটায় না, বরং পরিবার ও যুবকের ওপর প্রতিবন্ধিতার নেতিবাচক প্রভাবও উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনে।
প্রথমত : এই বয়সের প্রতিবন্ধী তরুণদের মধ্যেও বয়ঃসন্ধির স্বাভাবিক লক্ষণগুলো দেখা দেয়, ঠিক অন্য সুস্থ কিশোরদের মতোই। তবে পরিবারের দায়িত্ব আরো বেশি—তাদের সঠিকভাবে লালন-পালন করা, মানসিক-আবেগিক ও সামাজিক চাহিদা বুঝে সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়া এবং তাদের আচরণগত পরিবর্তনগুলো ধৈর্য ও জ্ঞান দিয়ে সামলানো।

দ্বিতীয়ত : অনেক প্রতিবন্ধী ছেলে-মেয়ে কাঙ্ক্ষিত ও অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের পার্থক্য বুঝতে পারে না। তারা সহজেই অন্যের প্রভাব, এমনকি খারাপ প্রভাবেও আবদ্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই পরিবারের কর্তব্য হলো তাদের সতর্ক করা, যেন তারা দুর্বল মানসিকতার মানুষ, প্রতারক বা শোষণকারী ব্যক্তিদের কাছ থেকে দূরে থাকতে পারে—যারা মানসিক, শারীরিক কিংবা যৌনভাবে তাদের ক্ষতি করতে পারে।

তৃতীয়ত : প্রতিবন্ধী তরুণদের শক্তিগুলো চিহ্নিত করতে হবে। এরপর সেই শক্তিকে ভিত্তি করে তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও স্বনির্ভর হওয়ার প্রশিক্ষণ দেওয়া জরুরি, বিশেষ করে সেসব ক্ষেত্রে, যেখানে তারা ভালো করতে পারে। কারণ তাদের অনেকেই হীনম্মন্যতা, নিরাপত্তাহীনতা ও ব্যর্থতার ভয় নিয়ে ভোগে।

চতুর্থত : তাদের সঙ্গে ইতিবাচকভাবে কথা বলতে হবে, তাদের সক্ষমতার প্রশংসা করতে হবে। কোনোভাবেই অবিরাম অভিযোগ, হতাশা প্রকাশ বা তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয় দেখানো উচিত নয়। করুণা নয়, সম্মান ও উৎসাহই তাদের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

পঞ্চমত : পরিবারের ভেতরে ও বাইরে তাদের সামাজিক যোগাযোগ বাড়াতে হবে, যাতে তারা সমাজের কাছে গ্রহণযোগ্য ও প্রয়োজনীয় মনে করে। সামাজিক সংযোগ তাদের আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ষষ্ঠত : তাদের পরিবার ও নিকটজনদের পক্ষ থেকে সহযোগিতার সুযোগ দিতে হবে; যেমন—পড়াশোনা, ভাষা শেখা, গণিতচর্চা অথবা কোরআন তিলাওয়াত ও মুখস্থ করা। এসব সুযোগ তাদের মানসিক বিকাশ ও আত্মনির্ভরতা বাড়ায়।

সপ্তমত : প্রথমে তরুণের প্রতিবন্ধিতার ধরন সঠিকভাবে নির্ধারণ করতে হবে। এরপর বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতে হবে—কিভাবে তাকে সর্বোত্তমভাবে সহায়তা করা যায়, কোন পদ্ধতি সবচেয়ে কার্যকর, তা জানা ও প্রয়োগ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অষ্টমত : তাদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে, যেন তারা নিজেদের প্রতিবন্ধকতাকে স্বীকার করতে পারে, এতে লজ্জা না পায়, তাদের সক্ষমতা অনুযায়ী অন্যদের সঙ্গে মিশতে পারে এবং নিজের সীমার বাইরে অতিরিক্ত চাপ না নেয়। আত্মস্বীকৃতি তাদের উন্নতির প্রথম ধাপ। অতএব, প্রতিবন্ধী তরুণ-তরুণীদের জন্য পরিবারই হলো তাদের প্রথম আশ্রয় ও শক্তির কেন্দ্র। সঠিক দিকনির্দেশনা, মানসিক সমর্থন, প্রশিক্ষণ ও ভালোবাসা তাদের জীবনকে স্বাভাবিক ও অর্থবহ করে তুলতে পারে। আল্লাহ কাউকে অক্ষমতা দিয়ে অপমান করেন না, বরং প্রতিটি পরীক্ষা মানুষের ঈমান, ধৈর্য ও চরিত্রকে উত্তম করার একটি সুযোগ। তাই আমাদের উচিত তাদের প্রতি করুণা নয়, সমর্থন ও সম্মান প্রদর্শন করা; তাদের সীমাবদ্ধতা নয়, সম্ভাবনাকেই লালন করা।

 বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
১৭ ডিসেম্বর : আজকের নামাজের সময়সূচি
১৭ ডিসেম্বর : আজকের নামাজের সময়সূচি
শীতার্তের পাশে থাকুক মানবতার হাত
শীতার্তের পাশে থাকুক মানবতার হাত
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
বিজয়ের মালিক মহান আল্লাহ
বিজয়ের মালিক মহান আল্লাহ
সাংসারিক শান্তির জন্য স্ত্রীর সঙ্গে বোঝাপড়া
সাংসারিক শান্তির জন্য স্ত্রীর সঙ্গে বোঝাপড়া
মৃত মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের গুরুত্ব
মৃত মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের গুরুত্ব
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রকৌশলবিদ্যার উন্নয়নে মুসলমানদের অবদান
প্রকৌশলবিদ্যার উন্নয়নে মুসলমানদের অবদান
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
সম্পদ উপার্জনে নীতি বিসর্জন নিন্দনীয়
সম্পদ উপার্জনে নীতি বিসর্জন নিন্দনীয়
সর্বশেষ খবর
হিটলার-নেপোলিয়ন রাশিয়াকে দমাতে পারেনি, ইউরোপও পারবে না: সালভিনি
হিটলার-নেপোলিয়ন রাশিয়াকে দমাতে পারেনি, ইউরোপও পারবে না: সালভিনি

৪৬ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাউবির বিএসসি ইন ‘সিএসই’ পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ
বাউবির বিএসসি ইন ‘সিএসই’ পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

২ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

জয়পুরহাটে পিঠা উৎসব
জয়পুরহাটে পিঠা উৎসব

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রার্থীদের অস্ত্র রাখার বিষয়ে প্রয়োজনে আচরণবিধি সংশোধন হবে: ইসি সচিব
প্রার্থীদের অস্ত্র রাখার বিষয়ে প্রয়োজনে আচরণবিধি সংশোধন হবে: ইসি সচিব

৪ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজবাড়ীতে অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা
রাজবাড়ীতে অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নেশা ও ওসিডি বোঝার নতুন পথ দেখাল ইঁদুরের ওপর গবেষণা
নেশা ও ওসিডি বোঝার নতুন পথ দেখাল ইঁদুরের ওপর গবেষণা

৬ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

'ডেথ সেলে ইমরান খানকে মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে'
'ডেথ সেলে ইমরান খানকে মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে'

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় দেশের প্রথম স্বয়ংক্রিয় পেট্রোলিয়াম ডিপোর যাত্রা
কুমিল্লায় দেশের প্রথম স্বয়ংক্রিয় পেট্রোলিয়াম ডিপোর যাত্রা

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ক্যারিয়ার সেরা অবস্থানে স্টার্ক
ক্যারিয়ার সেরা অবস্থানে স্টার্ক

১৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে দিল্লির তলব খুবই অপ্রত্যাশিত: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে দিল্লির তলব খুবই অপ্রত্যাশিত: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

খাগড়াছড়ি-বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
খাগড়াছড়ি-বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সমালোচনার মুখে বিশ্বকাপের টিকিটের দাম কমাল ফিফা
সমালোচনার মুখে বিশ্বকাপের টিকিটের দাম কমাল ফিফা

২৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সমন্বিত সিদ্ধান্তে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে: রিজওয়ানা হাসান
সমন্বিত সিদ্ধান্তে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে: রিজওয়ানা হাসান

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বড় আতঙ্ক কি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি? মোসাদ প্রধানের সতর্কবার্তা
ইসরায়েলের বড় আতঙ্ক কি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি? মোসাদ প্রধানের সতর্কবার্তা

৩২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন এআই ইমেজ মডেল আনল ওপেনএআই
নতুন এআই ইমেজ মডেল আনল ওপেনএআই

৩৩ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ডিএসইতে বড় দরপতন, সূচক কমেছে
ডিএসইতে বড় দরপতন, সূচক কমেছে

৩৫ মিনিট আগে | অর্থনীতি

সুদানে আহত শান্তিরক্ষী মোস্তাকিম হোসেনের পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন
সুদানে আহত শান্তিরক্ষী মোস্তাকিম হোসেনের পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দুই ঘণ্টার চেষ্টায় লালবাগের আগুন নিয়ন্ত্রণে
দুই ঘণ্টার চেষ্টায় লালবাগের আগুন নিয়ন্ত্রণে

৪১ মিনিট আগে | নগর জীবন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবস উদযাপন
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবস উদযাপন

৪৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

চবি উপ-উপাচার্যের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাল জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম
চবি উপ-উপাচার্যের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাল জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম

৪৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

বাংলাদেশকে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর ‘হুমকি’
বাংলাদেশকে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর ‘হুমকি’

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকাতি করতে গিয়ে পুলিশের ওপর ককটেল নিক্ষেপ, পাল্টা গুলি
ডাকাতি করতে গিয়ে পুলিশের ওপর ককটেল নিক্ষেপ, পাল্টা গুলি

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
বাগেরহাটে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মাগুরায় ‘রাজাকার ঘৃণা চত্বর’ নির্মাণ, জুতা–স্যান্ডেল নিক্ষেপ
মাগুরায় ‘রাজাকার ঘৃণা চত্বর’ নির্মাণ, জুতা–স্যান্ডেল নিক্ষেপ

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মহাবিশ্বের ফাঁকা জায়গার মানচিত্র বানাবে নাসার রোমান টেলিস্কোপ
মহাবিশ্বের ফাঁকা জায়গার মানচিত্র বানাবে নাসার রোমান টেলিস্কোপ

৫২ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

নিরাপত্তা শঙ্কায় বাতিল বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান
নিরাপত্তা শঙ্কায় বাতিল বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

৫২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বগুড়ায় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ৩ নেতা গ্রেফতার
বগুড়ায় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ৩ নেতা গ্রেফতার

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যাত্রীদের ব্যাগেজ নিরাপত্তায় বডি ক্যামেরা চালু করলো বিমান
যাত্রীদের ব্যাগেজ নিরাপত্তায় বডি ক্যামেরা চালু করলো বিমান

৫৫ মিনিট আগে | জাতীয়

জিয়াউলের বিরুদ্ধে শতাধিক গুম-খুনের অভিযোগ আমলে নিলেন ট্রাইব্যুনাল
জিয়াউলের বিরুদ্ধে শতাধিক গুম-খুনের অভিযোগ আমলে নিলেন ট্রাইব্যুনাল

৫৫ মিনিট আগে | জাতীয়

এডুকেশন পার্লামেন্ট সোনারগাঁ-এর বৃত্তি পরীক্ষা শুরু
এডুকেশন পার্লামেন্ট সোনারগাঁ-এর বৃত্তি পরীক্ষা শুরু

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
আইপিএলে মুস্তাফিজ ঝড়, পড়ে গেলো কাড়াকাড়ি
আইপিএলে মুস্তাফিজ ঝড়, পড়ে গেলো কাড়াকাড়ি

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার
হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলাম শেষে কে কত টাকায় কোন দলে?
আইপিএল নিলাম শেষে কে কত টাকায় কোন দলে?

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার
হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৭ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
৭ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ
ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত
ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে ১১ পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিও শিক্ষকরা
যে ১১ পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিও শিক্ষকরা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গুরুত্বপূর্ণ চার অধিদপ্তরে নতুন ডিজি
গুরুত্বপূর্ণ চার অধিদপ্তরে নতুন ডিজি

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিদায় দিতে লন্ডন এয়ারপোর্টে না যেতে প্রবাসীদের অনুরোধ তারেক রহমানের
বিদায় দিতে লন্ডন এয়ারপোর্টে না যেতে প্রবাসীদের অনুরোধ তারেক রহমানের

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করে যা বলল ভারত
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করে যা বলল ভারত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ
ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন নীতিমালায় ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে অনীহা দেখালে ব্যবস্থা
নতুন নীতিমালায় ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে অনীহা দেখালে ব্যবস্থা

৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!
৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির রিল-মেকিং প্রতিযোগিতা, জয়ীরা পাবেন তারেক রহমানের সাক্ষাৎ
বিএনপির রিল-মেকিং প্রতিযোগিতা, জয়ীরা পাবেন তারেক রহমানের সাক্ষাৎ

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাইব্যুনালে নিজের বিচার সরাসরি সম্প্রচার করার আবেদন ইনুর
ট্রাইব্যুনালে নিজের বিচার সরাসরি সম্প্রচার করার আবেদন ইনুর

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভয় দেখিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না : প্রধান উপদেষ্টা
ভয় দেখিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না : প্রধান উপদেষ্টা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইনশাআল্লাহ, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরব : তারেক রহমান
ইনশাআল্লাহ, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরব : তারেক রহমান

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নাশকতা মামলায় মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির ৪৫ নেতা-কর্মীকে অব্যাহতি
নাশকতা মামলায় মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির ৪৫ নেতা-কর্মীকে অব্যাহতি

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির নির্দেশনা
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির নির্দেশনা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’-এ বুবলী
রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’-এ বুবলী

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বিদেশি খেলোয়াড় গ্রিন
আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বিদেশি খেলোয়াড় গ্রিন

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা
সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্ট্রেলিয়ায় হামলা, ভারতীয় হামলাকারী সম্পর্কে যা জানাল তেলেঙ্গনা পুলিশ
অস্ট্রেলিয়ায় হামলা, ভারতীয় হামলাকারী সম্পর্কে যা জানাল তেলেঙ্গনা পুলিশ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই
দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তান যাওয়ার প্রশ্নে আলিয়ার চমকপ্রদ উত্তর
পাকিস্তান যাওয়ার প্রশ্নে আলিয়ার চমকপ্রদ উত্তর

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইপিএলের নিলামে প্রশান্ত ও কার্তিকের রেকর্ড
আইপিএলের নিলামে প্রশান্ত ও কার্তিকের রেকর্ড

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কাড়াকাড়ির পর রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় মোস্তাফিজ
কাড়াকাড়ির পর রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় মোস্তাফিজ

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইপিএল নিলামের প্রথম রাউন্ডে চোখ কপালে তোলা যা যা ঘটল
আইপিএল নিলামের প্রথম রাউন্ডে চোখ কপালে তোলা যা যা ঘটল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
কবরের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা
কবরের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’
‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’

শোবিজ

নারী প্রার্থী নিয়ে চ্যালেঞ্জে জামায়াত
নারী প্রার্থী নিয়ে চ্যালেঞ্জে জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন কর্মসূচি
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন কর্মসূচি

প্রথম পৃষ্ঠা

দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই
দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সুষ্ঠু ভোটের যত চ্যালেঞ্জ
সুষ্ঠু ভোটের যত চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছয় আসনেই বিএনপি বনাম জামায়াত
ছয় আসনেই বিএনপি বনাম জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

১৬ ডিসেম্বর শুধু ভারতের বিজয় দাবি
১৬ ডিসেম্বর শুধু ভারতের বিজয় দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

১২ কোটি টাকায় মুস্তাফিজ কলকাতায়
১২ কোটি টাকায় মুস্তাফিজ কলকাতায়

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধান উপদেষ্টার সামনে ৫৭ দিনের দুর্গম পথ
প্রধান উপদেষ্টার সামনে ৫৭ দিনের দুর্গম পথ

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন
হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন

প্রথম পৃষ্ঠা

পরাজিত ফ্যাসিস্ট এই পবিত্র মাটিতে আর ফিরবে না
পরাজিত ফ্যাসিস্ট এই পবিত্র মাটিতে আর ফিরবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গ্রামীণ বিপ্লব
আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গ্রামীণ বিপ্লব

পেছনের পৃষ্ঠা

তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় অগ্রাধিকার বিএনপির
তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় অগ্রাধিকার বিএনপির

প্রথম পৃষ্ঠা

আবেগী নাবিলা
আবেগী নাবিলা

শোবিজ

আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যা করবে : রাশেদ
আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যা করবে : রাশেদ

খবর

নতুন রূপে মোনালিসা
নতুন রূপে মোনালিসা

শোবিজ

বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়
বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়

সম্পাদকীয়

বরাদ্দে শীর্ষে খরচে তলানিতে স্বাস্থ্য
বরাদ্দে শীর্ষে খরচে তলানিতে স্বাস্থ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

গোপালগঞ্জে লাক্ষা পোকায় ভাগ্যবদল ৪০০ মানুষের
গোপালগঞ্জে লাক্ষা পোকায় ভাগ্যবদল ৪০০ মানুষের

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ চলবে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে
বাংলাদেশ চলবে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই
সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই

শোবিজ

মধুমিতার পরিকল্পনা
মধুমিতার পরিকল্পনা

শোবিজ

কিংবদন্তি অরবিন্দের জুলকান অ্যারেনায় ফ্রি কমব্যাট স্পোর্টস ক্লাস
কিংবদন্তি অরবিন্দের জুলকান অ্যারেনায় ফ্রি কমব্যাট স্পোর্টস ক্লাস

মাঠে ময়দানে

গ্রুপসেরার ম্যাচ আজ
গ্রুপসেরার ম্যাচ আজ

মাঠে ময়দানে

স্বাধীনতার পর যেভাবে সরব ক্রীড়াঙ্গন
স্বাধীনতার পর যেভাবে সরব ক্রীড়াঙ্গন

মাঠে ময়দানে

বিজয় দিবস ক্রিকেট ফুটবল
বিজয় দিবস ক্রিকেট ফুটবল

মাঠে ময়দানে

নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়
নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র
শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র

পেছনের পৃষ্ঠা