শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:২৭, রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫

সোভিয়েত যুগের মতো রাশিয়া আবারও বিশ্বে প্রভাববলয় গড়ে তুলছে

মাহবুব আলম
অনলাইন ভার্সন
সোভিয়েত যুগের মতো রাশিয়া আবারও বিশ্বে প্রভাববলয় গড়ে তুলছে

পুতিনের নেতৃত্বাধীন রাশিয়া অতীতের সোভিয়েত যুগের মতো বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রভাববলয় গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। সম্প্রতি মার্কিন হামলার মুখে ইরান ও ভেনেজুয়েলায় বিপুল সামরিক সহায়তা, কোনো রকমের ঘোষণা ছাড়াই সিরিয়ায় রুশ এলিট ফোর্স প্রেরণ, মাদাগাস্কারের নতুন সরকারের প্রতি রুশ সমর্থন ও ভাড়াটে সেনা প্রেরণ তার জাজ্বল্যমান প্রমাণ। এ ছাড়া সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আফ্রিকায় ফরাসি ও মার্কিন আধিপত্যকে পেছনে ফেলে রাশিয়া সুস্পষ্ট আধিপত্য বিস্তার করেছে। বিশেষ করে পশ্চিম আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে।

সাহেল অঞ্চলের তিনটি দেশ- বুরকিনা ফাসো, মালি ও নাইজার ফরাসি ও মার্কিন সেনাঘাঁটি বন্ধ করে ওই দুই দেশের সেনাদের বহিষ্কার করার পর তাৎক্ষণিকভাবে রাশিয়া ওই শূন্যস্থান পূরণ করে। ওই দেশগুলোতে রাশিয়া তার সেনাবাহিনী প্রেরণ বা ঘাঁটি স্থাপন না করলেও ওই দেশে প্যারামিলিশিয়া ও ভাড়াটে সেনা ওয়াগনার গ্রুপকে প্রেরণ করেছে। ২০২৪ সালের ২ মে নাইজারের রাজধানী নিয়ামির অদূরে একটি মার্কিন সেনাঘাঁটিতে মার্কিন সেনা থাকা অবস্থায়ই ওই ঘাঁটিতে রুশ সেনারা ঢুকে পড়ে। রীতিমতো অবিশ্বাস্য ঘটনা।

অবশ্য কোনো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি। কারণ রুশ সেনারা ঘাঁটির ভেতরের একটি পৃথক ভবনে অবস্থান গ্রহণ করে। শুধু তা-ই নয়, রাশিয়ার পরম মিত্র উত্তর কোরিয়া বিশেষ প্রশিক্ষিত ৭০০ কমান্ডো প্রেরণ করেছে বুরকিনা ফাসোতে নিরাপত্তাঝুঁকি সহায়তায়। এরই মধ্যে মালি, নাইজার ও বুরকিনা ফাসো জোটবদ্ধ হয়ে কনফেডারেশন গঠন করেছে।

রুশ উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী ইউনুস বেক ইয়েভ কুরভের উপস্থিতিতে এই জোট গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়। রাশিয়া তাৎক্ষণিকভাবে ওই জোটকে স্বীকৃতি দিয়ে নিরাপত্তা সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেয়। পরে মস্কো থেকে বলা হয়, রাশিয়া নিরাপত্তা বা সামরিক চুক্তির চেয়েও বেশি কিছু করতে প্রস্তুত। এরই মধ্যে তার প্রমাণ মিলেছে। পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহযোগিতার হস্ত প্রসারিত করেছে মস্কো।

বিশেষ করে দ্রুততম সময়ে ওয়াগাদুগুতে একটি স্বর্ণ শোধনাগার নির্মাণ করে দিয়ে বুরকিনা ফাসোর স্বর্ণশিল্পে যুগান্তকারী পদক্ষেপে অংশগ্রহণ করেছে। ওই স্বর্ণ শোধনাগারে বছরে ১৫০ টন স্বর্ণ শোধন করা যাবে। অর্থাৎ বুরকিনা ফাসোতে বছরে ১৫০ টন স্বর্ণ উৎপাদন হবে, যা দেশটির অর্থনীতিকে অনেকটাই পাল্টে দেবে। সাহেলের তিনটি দেশ যৌথ সামরিক বাহিনী ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। এই উদ্যোগের সঙ্গে চাদ ও টোগাও থাকার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ২০২৪ সালের মে মাসে তারা যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশগ্রহণ করে।

গত নভেম্বরে (২০) চাদ ফ্রান্সের সঙ্গে তার প্রতিরক্ষা চুক্তি বাতিল করার পর রাশিয়া দেশটিকে বিকল্প নিরাপত্তা অংশীদারি প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। একইভাবে এই বছরের (২০২৪) ফেব্রুয়ারিতে সুদান ও রাশিয়া ২০১৭ সালের একটি স্থগিত চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করার চুক্তিতে পৌঁছেছে, যা ২০২৪ সালের এপ্রিলে সুদানের সশস্ত্র বাহিনীকে সীমাবদ্ধ সামরিক সহায়তা প্রদানের রাশিয়ার প্রতিশ্রুতি অনুসরণ করে রাশিয়াকে সুদানের লোহিত সাগরের উপকূলে একটি নৌঘাঁটি স্থাপনের অনুমতি দেবে। এ ছাড়া ২০১৯ থেকেই লিবিয়ায় ওয়াগনার গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে।

এ থেকে এটি সুস্পষ্ট যে আফ্রিকায় রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতি ও অর্থনৈতিক-কূটনৈতিক সহযোগিতা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা সাবেক সোভিয়েত যুগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। সোভিয়েত যুগে রাশিয়ার প্রভাববলয় অনেক বিস্তৃত ছিল, পূর্ব ইউরোপ থেকে লাতিন আমেরিকা, আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে। সোভিয়েত যুগে ওই প্রভাববলয় অর্থনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে নয়, গড়ে উঠেছিল আদর্শিক ভিত্তিতে। সমাজতন্ত্রের লড়াই-সংগ্রামের আদর্শের ভিত্তিতে। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর ওই প্রভাববলয় রাতারাতি শেষ হয়ে যায়। এমনকি খোদ রাশিয়ায় সমাজতন্ত্রের বিপর্যয় হয়। দেশটি পুঁজিবাদের পথ ধরে। হঠাৎ করে এই পরিবর্তনের ফলে দেশটি আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হয়। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আর্থিক সহযোগিতা চাইতে হয়।

পুতিনের নেতৃত্বে পরিস্থিতি বদলে গেছে। রাশিয়া আবারও ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। তারা সোভিয়েত যুগের মান-মর্যাদা ও শক্তি ফিরে পেতে চাইছে। এরই ফল হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রুশ প্রভাব বিস্তারের সাবেক সোভিয়েত নীতি ও কর্মপন্থা অনুসরণ। ইউক্রেন যুদ্ধ তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর রাশিয়া তার সামরিক জোট ওয়ারশ ভেঙে দিয়ে ন্যাটোর কাছে একরকম নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করেছিল। সেই রাশিয়া এখন ন্যাটোকে পাত্তাই দিচ্ছে না। উপরন্তু ন্যাটোভুক্ত একাধিক দেশকে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। এটি রাশিয়ার পুনরুত্থান বৈ আর কী-ই বা বলা যায়?

রাশিয়ার পুনরুত্থান শুরু হয় মূলত চীন, ইন্ডিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ব্রাজিলকে নিয়ে ব্রিকস গঠন এবং ইরাক-সিরিয়ায় আইএস দমনে সেনা প্রেরণ ও সিরিয়ায় সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের মধ্য দিয়ে। ১৬ বছর আগে ২০০৯ সালের ১৬ জুন এই ব্রিকস গঠিত হয়। বর্তমানে এর সদস্যসংখ্যা ১০। নতুন সদস্যরা হলো সৌদি আরব, ইরান, মিসর, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইথিওপিয়া। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ বহুপক্ষীয় বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই সংস্থা গঠিত হয়। 

অর্থাৎ ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে এক মেরুকেন্দ্রিকে যে বিশ্বব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে একটি নয়া ব্যবস্থা- বহুপক্ষীয় বিশ্বব্যবস্থা। আর সেই লক্ষ্য পূরণে অভিন্ন ব্রিকস মুদ্রা প্রচলনের চেষ্টা চলছে। এই অভিন্ন মুদ্রা চালু হলে মার্কিন ডলারের একচেটিয়া আধিপত্যের অবসান ঘটবে। সেই সঙ্গে বিশ্বব্যাপী মার্কিন আধিপত্যও হ্রাস পাবে, এটি কমবেশি নিশ্চিত করে বলা যায়। সর্বোপরি আজকের বিশ্ব যে যুদ্ধের হুমকির মুখে, তা-ও অনেকাংশে মোকাবেলা করা যাবে। ঠিক যেমনটি আমরা দেখেছি সোভিয়েত যুগে।

লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
সুস্থ হয়ে উঠুন দেশনেত্রী
সুস্থ হয়ে উঠুন দেশনেত্রী
ভয়মুক্ত ভোটের নিশ্চয়তা সেনাবাহিনীর ভূমিকায় গণতন্ত্রের নিরাপত্তা
ভয়মুক্ত ভোটের নিশ্চয়তা সেনাবাহিনীর ভূমিকায় গণতন্ত্রের নিরাপত্তা
ব্যাংকিং খাতে প্রয়োজন ডিপোজিট ইনস্যুরেন্স
ব্যাংকিং খাতে প্রয়োজন ডিপোজিট ইনস্যুরেন্স
৩০ বছরের বন্দর চুক্তি : লাভ না ঝুঁকি?
৩০ বছরের বন্দর চুক্তি : লাভ না ঝুঁকি?
তারেক রহমান আসবেন বীরের বেশে
তারেক রহমান আসবেন বীরের বেশে
কপ১১ বৈঠকে তামাক নিয়ন্ত্রণে বিজ্ঞানভিত্তিক নীতির দাবি জোরদার
কপ১১ বৈঠকে তামাক নিয়ন্ত্রণে বিজ্ঞানভিত্তিক নীতির দাবি জোরদার
বেগম খালেদা জিয়া গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অনুপ্রেরণা
বেগম খালেদা জিয়া গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অনুপ্রেরণা
তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কেন প্রয়োজন
তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কেন প্রয়োজন
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কিংবদন্তি
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কিংবদন্তি
চব্বিশের ধাক্কা যে শিক্ষা দিল
চব্বিশের ধাক্কা যে শিক্ষা দিল
নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা, প্রত্যাশা ও বাস্তবতা
নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা, প্রত্যাশা ও বাস্তবতা
ভারসাম্যহীনতা ডেকে আনে বিপর্যয়
ভারসাম্যহীনতা ডেকে আনে বিপর্যয়
সর্বশেষ খবর
ব্রিটিশ লেখিকা সোফি কিনসেলা আর নেই
ব্রিটিশ লেখিকা সোফি কিনসেলা আর নেই

৫৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিডোর ক্ষত না শুকাতেই বর্ষা শুরু হওয়ায় বিপাকে মায়োত বাসিন্দারা
চিডোর ক্ষত না শুকাতেই বর্ষা শুরু হওয়ায় বিপাকে মায়োত বাসিন্দারা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসন্ন নির্বাচনে সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক ভোট হবে: শামা ওবায়েদ
আসন্ন নির্বাচনে সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক ভোট হবে: শামা ওবায়েদ

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১১ ডিসেম্বর)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১১ ডিসেম্বর)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘আমি চাই অবসরের পরও মিয়ামিতেই থাকুক মেসি’
‘আমি চাই অবসরের পরও মিয়ামিতেই থাকুক মেসি’

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আল্লাহর রহমত ও দয়া অপরিসীম
আল্লাহর রহমত ও দয়া অপরিসীম

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

৩০ ফুট গভীরে ক্যামেরা পাঠিয়েও শিশুটিকে দেখতে পায়নি ফায়ার সার্ভিস
৩০ ফুট গভীরে ক্যামেরা পাঠিয়েও শিশুটিকে দেখতে পায়নি ফায়ার সার্ভিস

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলামিক ফ্রন্ট প্রার্থী ওয়াহেদ মুরাদের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু
ইসলামিক ফ্রন্ট প্রার্থী ওয়াহেদ মুরাদের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু

৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় শিল্পকলা একাডেমি কর্মচারি ইউনিয়নের দোয়া মাহফিল
খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় শিল্পকলা একাডেমি কর্মচারি ইউনিয়নের দোয়া মাহফিল

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রেস সেক্রেটারি লেভিটকে প্রশংসায় ভাসালেন ট্রাম্প
প্রেস সেক্রেটারি লেভিটকে প্রশংসায় ভাসালেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘সত‍্যি বলতে আমিও চমকে গেছি’
‘সত‍্যি বলতে আমিও চমকে গেছি’

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘৫ আগস্ট হাসিনার রাজনীতির কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে’
‘৫ আগস্ট হাসিনার রাজনীতির কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে’

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আমদানি করা এলএনজি একটি আর্থিক ফাঁদ : একশনএইড বাংলাদেশ
আমদানি করা এলএনজি একটি আর্থিক ফাঁদ : একশনএইড বাংলাদেশ

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

গ্রেফতারি পরোয়ানার আসামিদের হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত
গ্রেফতারি পরোয়ানার আসামিদের হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় যুবককে গুলি ও কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
কুষ্টিয়ায় যুবককে গুলি ও কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘লিজেন্ডারি খেলোয়াড়’ সম্মাননা পেলেন পেসার মারুফা
‘লিজেন্ডারি খেলোয়াড়’ সম্মাননা পেলেন পেসার মারুফা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাকসু নির্বাচন ২১ জানুয়ারি
ব্রাকসু নির্বাচন ২১ জানুয়ারি

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

২৪-এর বিপ্লবের ফসল ঘরে তুলেই আমাদের সংগ্রাম শেষ হবে : ​মামুনুল হক
২৪-এর বিপ্লবের ফসল ঘরে তুলেই আমাদের সংগ্রাম শেষ হবে : ​মামুনুল হক

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

হ্যাঁ, পা পুড়েছিল, এখন ভালো আছি : আরিফিন শুভ
হ্যাঁ, পা পুড়েছিল, এখন ভালো আছি : আরিফিন শুভ

৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মেসি জ্বরে কাঁপছে কলকাতা
মেসি জ্বরে কাঁপছে কলকাতা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতের নদী থেকে বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার
ভারতের নদী থেকে বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনী সভা
গোপালগঞ্জে বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনী সভা

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

হাজারো প্রদীপে আলোকিত ঐতিহাসিক কান্তজিউ মন্দির
হাজারো প্রদীপে আলোকিত ঐতিহাসিক কান্তজিউ মন্দির

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফরিদপুরে খালেদা জিয়ার সুস্থতায় দোয়া মাহফিল
ফরিদপুরে খালেদা জিয়ার সুস্থতায় দোয়া মাহফিল

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১৬ বছর ধরে অধিকার আদায়ের লড়াই করেছে বিএনপি: অনিন্দ্য ইসলাম
১৬ বছর ধরে অধিকার আদায়ের লড়াই করেছে বিএনপি: অনিন্দ্য ইসলাম

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

গভীর সমুদ্রে নৌবাহিনীর অভিযানে ১৫০০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ, আটক ২২
গভীর সমুদ্রে নৌবাহিনীর অভিযানে ১৫০০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ, আটক ২২

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদারীপুরে কাভার্ডভ্যান চাপায় নিহত ২
মাদারীপুরে কাভার্ডভ্যান চাপায় নিহত ২

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চীনের অগ্নিকাণ্ডে ১২ জনের মৃত্যু
চীনের অগ্নিকাণ্ডে ১২ জনের মৃত্যু

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দীপাবলি শুধু একটি উৎসব নয়, জীবন্ত ঐতিহ্য : প্রণয় ভার্মা
দীপাবলি শুধু একটি উৎসব নয়, জীবন্ত ঐতিহ্য : প্রণয় ভার্মা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মানবাধিকার দিবসে ‌‘মানবিক আন্দোলন বাংলাদেশ’র শোভাযাত্রা
মানবাধিকার দিবসে ‌‘মানবিক আন্দোলন বাংলাদেশ’র শোভাযাত্রা

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
রাজধানীতে মা-মেয়ে হত্যার ঘটনায় সেই গৃহকর্মী গ্রেফতার
রাজধানীতে মা-মেয়ে হত্যার ঘটনায় সেই গৃহকর্মী গ্রেফতার

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্বামীর দেওয়া তথ্যেই গ্রেফতার আয়েশা, জানা গেল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য
স্বামীর দেওয়া তথ্যেই গ্রেফতার আয়েশা, জানা গেল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করলো এনসিপি
১২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করলো এনসিপি

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সচিবালয়ে অবরুদ্ধ অর্থ উপদেষ্টা
সচিবালয়ে অবরুদ্ধ অর্থ উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকালে মেথি ভেজানো পানি পানের উপকারিতা
সকালে মেথি ভেজানো পানি পানের উপকারিতা

২০ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

ঢাকায় বিএনপির যে প্রার্থীর বিপক্ষে লড়বেন নাহিদ ইসলাম
ঢাকায় বিএনপির যে প্রার্থীর বিপক্ষে লড়বেন নাহিদ ইসলাম

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শিগগিরই নরসিংদীর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যৌথবাহিনী নামবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
শিগগিরই নরসিংদীর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যৌথবাহিনী নামবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে দুই ধাপের পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে দুই ধাপের পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রাথমিকের ছুটি বাতিল করে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ
প্রাথমিকের ছুটি বাতিল করে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগকে নিয়ে জরিপ চালানোয় প্রশ্ন তুললেন প্রেস সচিব
আওয়ামী লীগকে নিয়ে জরিপ চালানোয় প্রশ্ন তুললেন প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সুখবর পেলেন প্রাথমিকের ৬৫৫০২ প্রধান শিক্ষক
সুখবর পেলেন প্রাথমিকের ৬৫৫০২ প্রধান শিক্ষক

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকার তিন আসনে তাসনিম জারা-নাহিদ-পাটওয়ারী
ঢাকার তিন আসনে তাসনিম জারা-নাহিদ-পাটওয়ারী

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পদত্যাগপত্র জমা দিলেন উপদেষ্টা আসিফ ও মাহফুজ
পদত্যাগপত্র জমা দিলেন উপদেষ্টা আসিফ ও মাহফুজ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশে ফিরতে চান অভি
দেশে ফিরতে চান অভি

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আসিফ ও মাহফুজের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিফ ও মাহফুজের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন বিধিমালার নতুন গেজেট প্রকাশ
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন বিধিমালার নতুন গেজেট প্রকাশ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় ১০ আমল
আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় ১০ আমল

২১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ঢাকা-৮ আসনে প্রার্থী দেয়নি এনসিপি, অপেক্ষায় সেই সুজন
ঢাকা-৮ আসনে প্রার্থী দেয়নি এনসিপি, অপেক্ষায় সেই সুজন

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘নির্বাচন করব, কোন দল থেকে করব পরে জানানো হবে’
‘নির্বাচন করব, কোন দল থেকে করব পরে জানানো হবে’

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তফসিল ঘোষণা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায়
তফসিল ঘোষণা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায়

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত হাসিনাকে ফেরত না দিলে কিছুই করার নেই : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
ভারত হাসিনাকে ফেরত না দিলে কিছুই করার নেই : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পদত্যাগ প্রশ্নে যা বললেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ
পদত্যাগ প্রশ্নে যা বললেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ারে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ারে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আনঅফিশিয়াল ফোন নিবন্ধনে মার্চ পর্যন্ত স্বয়ংক্রিয় সুবিধা
আনঅফিশিয়াল ফোন নিবন্ধনে মার্চ পর্যন্ত স্বয়ংক্রিয় সুবিধা

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা, যে আসন থেকে লড়বেন সারজিস
এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা, যে আসন থেকে লড়বেন সারজিস

১৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

স্কুল ভর্তির লটারি বৃহস্পতিবার, ফল জানবেন যেভাবে
স্কুল ভর্তির লটারি বৃহস্পতিবার, ফল জানবেন যেভাবে

১৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

৩৫ ফুট গভীর নলকূপে পড়ে গেছে দুই বছরের শিশু, জীবিত উদ্ধারের চেষ্টা
৩৫ ফুট গভীর নলকূপে পড়ে গেছে দুই বছরের শিশু, জীবিত উদ্ধারের চেষ্টা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খালেদা জিয়া চিকিৎসায় রেসপন্স করছেন: ডা. জাহিদ
খালেদা জিয়া চিকিৎসায় রেসপন্স করছেন: ডা. জাহিদ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এনসিপির প্রার্থী তালিকায় নেই সামান্তা শারমিন ও নুসরাত
এনসিপির প্রার্থী তালিকায় নেই সামান্তা শারমিন ও নুসরাত

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভ্যাকসিনের খোঁজে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ছুটেও বাঁচানো গেল না শিশুকে
ভ্যাকসিনের খোঁজে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ছুটেও বাঁচানো গেল না শিশুকে

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
এমন খাবার দেওয়া হতো, যা পশুপাখিকেও দেওয়া হয় না
এমন খাবার দেওয়া হতো, যা পশুপাখিকেও দেওয়া হয় না

পেছনের পৃষ্ঠা

চুরি ধরতে চাওয়ায় মা-মেয়ে খুন
চুরি ধরতে চাওয়ায় মা-মেয়ে খুন

প্রথম পৃষ্ঠা

আন্দোলনের সঙ্গী হচ্ছে প্রতিপক্ষ
আন্দোলনের সঙ্গী হচ্ছে প্রতিপক্ষ

প্রথম পৃষ্ঠা

সবার নজর ইসির দিকে
সবার নজর ইসির দিকে

প্রথম পৃষ্ঠা

পুলিশি পাহারায় সচিবালয় ছাড়েন অর্থ উপদেষ্টা
পুলিশি পাহারায় সচিবালয় ছাড়েন অর্থ উপদেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

মার্কিন ভিসায় আসছে নয়া বিধি
মার্কিন ভিসায় আসছে নয়া বিধি

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নির্বাচনি ট্রেনের গন্তব্য যেন ফেব্রুয়ারিই হয়
নির্বাচনি ট্রেনের গন্তব্য যেন ফেব্রুয়ারিই হয়

সম্পাদকীয়

প্রতি মাসে নিখোঁজ ১৫ নারী-শিশু
প্রতি মাসে নিখোঁজ ১৫ নারী-শিশু

প্রথম পৃষ্ঠা

নড়াইলে হাড্ডাহাড্ডি বিএনপি জামায়াত
নড়াইলে হাড্ডাহাড্ডি বিএনপি জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

এখনই মাঠে নেমে পড়ুন নইলে দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে
এখনই মাঠে নেমে পড়ুন নইলে দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

শত শত নিরীহ ও মুক্তিকামী মানুষকে জেলখানায় হত্যা
শত শত নিরীহ ও মুক্তিকামী মানুষকে জেলখানায় হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় যথাসাধ্য চেষ্টা
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় যথাসাধ্য চেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার সিন্ডিকেটে বন্দি
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার সিন্ডিকেটে বন্দি

প্রথম পৃষ্ঠা

আগামী নির্বাচন স্মরণীয় করে রাখতে হবে
আগামী নির্বাচন স্মরণীয় করে রাখতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ভিন্নমত ও নারীদের হেনস্তার প্রবণতা উদ্বেগজনক
ভিন্নমত ও নারীদের হেনস্তার প্রবণতা উদ্বেগজনক

প্রথম পৃষ্ঠা

ঢাকা ও চট্টগ্রামে পতাকামিছিল
ঢাকা ও চট্টগ্রামে পতাকামিছিল

প্রথম পৃষ্ঠা

দৃশ্যমান সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়
দৃশ্যমান সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচন কতটা সুষ্ঠু হবে তা নিয়ে শঙ্কা
নির্বাচন কতটা সুষ্ঠু হবে তা নিয়ে শঙ্কা

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের আগে শওকত মাহমুদকে গ্রেপ্তার গণতন্ত্রের ওপর কুঠারাঘাত
নির্বাচনের আগে শওকত মাহমুদকে গ্রেপ্তার গণতন্ত্রের ওপর কুঠারাঘাত

নগর জীবন

তেজগাঁও কলেজে সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থীর মৃত্যু
তেজগাঁও কলেজে সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থীর মৃত্যু

পেছনের পৃষ্ঠা

সিলেটে আইফোনের জন্য যুবক খুন
সিলেটে আইফোনের জন্য যুবক খুন

পেছনের পৃষ্ঠা

পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির আহ্বান সেনাপ্রধানের
পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির আহ্বান সেনাপ্রধানের

প্রথম পৃষ্ঠা

জয়কে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ
জয়কে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা একজনকে
চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা একজনকে

পেছনের পৃষ্ঠা

আইজিপি বাহারুল আলমকে বরখাস্ত ও গ্রেপ্তার চেয়ে হাই কোর্টে রিট
আইজিপি বাহারুল আলমকে বরখাস্ত ও গ্রেপ্তার চেয়ে হাই কোর্টে রিট

নগর জীবন

নির্বাচনি প্রচার
নির্বাচনি প্রচার

নগর জীবন

দিনভর মুঠোফোন ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ, অবরোধ
দিনভর মুঠোফোন ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ, অবরোধ

পেছনের পৃষ্ঠা

১৯ বেসরকারি ডিপো রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত এক মাসের জন্য স্থগিত
১৯ বেসরকারি ডিপো রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত এক মাসের জন্য স্থগিত

নগর জীবন

ঝুঁকিপূর্ণ ভবন
ঝুঁকিপূর্ণ ভবন

নগর জীবন