শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:৩৮, রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০০:৪০, রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫

নিষিদ্ধ গন্ধম ও বাংলাদেশের রাজনীতি

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
অনলাইন ভার্সন
নিষিদ্ধ গন্ধম ও বাংলাদেশের রাজনীতি

আদি মানব-মানবী হজরত আদম (আ.) ও হাওয়া বেহেশতবাসী হওয়া সত্ত্বেও বেহেশতে তাঁদের উভয়ের নির্ঝঞ্ঝাটে থাকার জন্য আল্লাহ কিছু নিয়মরীতি স্থির করে দিয়েছিলেন। প্রথমেই তিনি আদমের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন, ‘হে আদম, তুমি ও তোমার বিবি বেহেশতে বসবাস কর এবং বেহেশতের সবকিছু তোমরা স্বচ্ছন্দে আহার কর। তবে এই গাছের কাছে যেও না, তাহলে তোমরা সীমা লঙ্ঘনকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবে।’ (সুরা বাকারা ২:৩৫)। কিন্তু শয়তানের প্ররোচনায় শেষ পর্যন্ত তাঁরা আল্লাহর বেঁধে দেওয়া সীমা লঙ্ঘন করে বেহেশত থেকে বিতাড়িত হয়েছিলেন।

পৃথিবীতে ঝামেলাহীনভাবে চলার জন্য মানুষের রচিত বহু আইনকানুন, বিধিবিধান ও রীতিনীতি আছে এবং এসব ভঙ্গ বা লঙ্ঘন করলে শাস্তির ব্যবস্থাও আছে। কিন্তু মানুষের মন অপরাধপ্রবণ এবং তারা কারণে-অকারণে আইন ভঙ্গ করে। তাদের ক্ষেত্রে আইন ভঙ্গের শাস্তি আদম-হাওয়ার মতো বেহেশত থেকে পতনের শাস্তির মতো নয় বলে আইন ভঙ্গ করা মানুষের দৈনন্দিন জীবনের নিয়মিত কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে। সবচেয়ে বিচলিত করার ব্যাপার হলো, যারা মানুষের ওপর প্রয়োগযোগ্য আইন ও বিধিবিধান তৈরি করেন এবং যারা আইন প্রয়োগ করেন ও আইনের ব্যাখ্যা প্রদান করেন, তারা সবার আগে আইন ভঙ্গের কাজগুলো করেন।

কারা সবচেয়ে বেশি আইন ভঙ্গ করেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তা বিবেচনা করলে দেখা যাবে যে ৫৫ বছর বয়সি স্বাধীন বাংলাদেশে আইন ভঙ্গ করে দেশের বারোটা বাজানোর কাজ সবচেয়ে বেশি করেছেন রাজনীতিবিদরা এবং বিশেষ করে যারা ক্ষমতায় থাকে এবং সংসদে সংখ্যাধিক্যের জোরে যে কোনো আইন পাস করে তা ভঙ্গ করার জন্য। কিন্তু কে তাদের শাস্তি প্রদান করবে? আদম-হাওয়ার সামান্য ভুলের জন্য তাদের ওপর ক্ষমতা প্রয়োগকারী আল্লাহ তাদের সুখের বেহেশত থেকে পৃথিবীতে নির্বাসিত করেছিলেন। কিন্তু রাজনীতিবিদদের অপরাধের শাস্তি কে তাদের ওপর প্রয়োগ করবে। শাস্তি প্রদানের জন্য আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় একটি বিচারব্যবস্থার অস্তিত্ব থাকে। সংবিধান বলে দেয় যে বিচার বিভাগ স্বাধীন এবং সরকার থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে কী করেছিলেন? বিচার বিভাগের খোলনলচেই পাল্টে দিয়েছিলেন।

মানুষ পুরোনো প্রবাদে বিশ্বাস করত : ‘হাকিম নড়ে তো হুকুম নড়ে না।’ শেখ হাসিনার শাসনে তার অঙ্গুলি হেলনে হাকিমের গদি নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল বলে হাকিমের হুকুমও সরকার নির্দেশিত হতো। তার নিয়ন্ত্রিত জাতীয় সংসদে উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের বিরুদ্ধে যে ন্যক্কারজনক ভাষায় বিষোদগার করা হয়েছে, অনুরূপ পরিস্থিতিতে ক্ষমতাসীনদের কেশাগ্র স্পর্শ করার আগে বিচারপতিদের অন্তত ১০ বার চিন্তা করার প্রয়োজন না পড়েই পারে না। ফলে যারা অপরাধ করে তারা আদম-হাওয়ার মতো ‘বেহেশত হারান না’। সামান্য ব্যতিক্রম ছাড়া তারা বহাল তবিয়তে থাকেন। যেমন রয়েছেন দেড় সহস্রাধিক মানুষ হত্যার নির্দেশ দানকারী ইতিহাসের জঘন্যতম স্বেচ্ছাচারী শাসক শেখ হাসিনা ও তার দোসররা।

শেখ হাসিনা তওবার আশপাশে নেই। তিনি বারবার বলেছেন এবং এখনো বলছেন, ‘আমার কী দোষ?’ অথবা ‘আমি কী করলাম?’ তার অনুসারীরাও তার সুরই নকল করে বলে একই কথা বলছেন। সামান্যতম অনুশোচনা নেই কারও কণ্ঠে, আচরণে। বরং শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যায়ের আওয়ামী ভাববাদীরা দাবি করে চলেছেন, শেখ হাসিনাই এখনো বাংলাদেশের বৈধ প্রধানমন্ত্রী

গন্ধম খাওয়ার কারণে যদি আদম-হাওয়াকে বেহেশত থেকে বিতাড়িত হওয়ার মতো শাস্তি ভোগ করতে হয়, তাহলে অসংখ্য মানুষ হত্যার কারণে শেখ হাসিনা ও তার অপরাধের সহকর্মীদের কী শাস্তি হওয়া উচিত? আদম এবং হাওয়া নিজেদের কৃত ভুলের জন্য লজ্জিত ও অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করেন : ‘হে আমাদের রব, আমরা নিজেদের ওপর জুলুম করেছি। আপনি যদি আমাদের ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি অনুগ্রহ না করেন, তাহলে আমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হব।’ (সুরা আরাফ : ২৩) তবু আল্লাহ তাঁদের তাৎক্ষণিক ক্ষমা করেননি। একপর্যায়ে আল্লাহ তাঁদের তওবার কিছু শব্দ শিখিয়ে দেন এবং আদমের তওবা কবুল করেন।’

কিন্তু শেখ হাসিনা তওবার আশপাশে নেই। তিনি বারবার বলেছেন এবং এখনো বলছেন, ‘আমার কী দোষ?’ অথবা ‘আমি কী করলাম?’ তার অনুসারীরাও তার সুরই নকল করে বলে একই কথা বলছেন। সামান্যতম অনুশোচনা নেই কারও কণ্ঠে, আচরণে। বরং শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যায়ের আওয়ামী ভাববাদীরা দাবি করে চলেছেন, শেখ হাসিনাই এখনো বাংলাদেশের বৈধ প্রধানমন্ত্রী, ইত্যাদি।

শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ব্যাধির প্রলাপ হলো : ‘আমি’ ও ‘আমরা’। যে কোনো প্রলাপ যখন উন্মত্ততার পর্যায়ে পৌঁছে তখন যে দাওয়াই প্রয়োগের প্রয়োজন ছিল, তা গত বছরের জুলাই-আগস্ট মাসে যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে এবং দেশ আওয়ামী ব্যাধিমুক্ত হয়েছে। কিন্তু ভবিষ্যতে এ ব্যাধি যাতে কোনো ব্যক্তি বা দলের মাঝে সংক্রমিত না হয়, সেজন্য শেখ হাসিনার প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) তার ও তার দ্বারা কৃত অপরাধের সহযোগীদের বিচারের ব্যবস্থা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। শেখ হাসিনার শাসনামলে কেবল জেদের বশবর্তী হয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্মূল করার লক্ষ্যে বিশেষভাবে গঠিত আদালতের মাধ্যমে ৪০ বছর আগের কল্পিত অপরাধকে ইস্যু বানিয়ে বিচারে দেশের বেশ কিছুসংখ্যক শীর্ষ রাজনীতিবিদকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বিরুদ্ধে জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনসহ বহু আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘প্রহসনের বিচার,’ ‘ক্যাঙারু কোর্টে বিচার,’ এমনকি ‘বিচারিক হত্যাকাণ্ড’ বলে বর্ণনা করা সত্ত্বেও তারা এ হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। বিস্ময়ের ব্যাপার হলো, এখন স্বয়ং শেখ হাসিনাই আইসিটিকে ‘ক্যাঙারু কোর্ট’ এবং তার বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডের মামলাকে ‘প্রহসনের বিচার’ বলে বর্ণনা করছেন।

গত বছরের জুলাই-আগস্টে শেখ হাসিনার নির্দেশে বাংলাদেশে যে গণহত্যা পরিচালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ সেই গণহত্যার প্রথম মামলার রায় ঘোষণা করবে আগামীকাল ১৭ নভেম্বর সোমবার। এ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালও জড়িত। রাজসাক্ষী আছেন পুলিশের সাবেক আইজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। আইসিটি-১-এর বিচারপতি হিসেবে আছেন মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার, মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এ মামলায় পাঁচটি অভিযোগ এনে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়েছে প্রসিকিউশন। যেদিন রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করা হয়, সেদিন থেকেই ঢাকা নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে অতিরিক্ত পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের কোনো প্রদর্শন মোকাবিলা করতে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরাও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলেন। অতএব সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিশ্চিত বলা যেতে পারে যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলার সম্ভাব্য রায়কে কেন্দ্র করে তেমন গোলযোগের আশঙ্কা নেই।

কারণ আওয়ামী লীগ ১৩ নভেম্বর যে লকডাউন ঘোষণা করেছিল, তা মাঠে মারা গেছে। আওয়ামী মহলে হতাশার কথা জানা গেছে। ১৫ মাস ধরে ক্ষমতার রাজনীতি থেকে বহিষ্কৃত আওয়ামী লীগের এখন ‘ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি’ অবস্থা। দেশবাসী এবং প্রতিটি রাজনৈাতিক দল এখন নির্বাচনমুখী। সর্বত্র আলোচনার বিষয়বস্তু গণভোট ও সংসদ নির্বাচন। এ পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের দ্বারা নাশকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা তাদের জন্যই বিপদ ডেকে আনবে।

লেখক : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক ও অনুবাদক

এই বিভাগের আরও খবর
বেগম খালেদা জিয়া গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অনুপ্রেরণা
বেগম খালেদা জিয়া গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অনুপ্রেরণা
তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কেন প্রয়োজন
তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কেন প্রয়োজন
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কিংবদন্তি
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কিংবদন্তি
চব্বিশের ধাক্কা যে শিক্ষা দিল
চব্বিশের ধাক্কা যে শিক্ষা দিল
নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা, প্রত্যাশা ও বাস্তবতা
নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা, প্রত্যাশা ও বাস্তবতা
ভারসাম্যহীনতা ডেকে আনে বিপর্যয়
ভারসাম্যহীনতা ডেকে আনে বিপর্যয়
‘তারেক রহমানকে দল ও দেশের স্বার্থ একই সাথে দেখতে হচ্ছে’
‘তারেক রহমানকে দল ও দেশের স্বার্থ একই সাথে দেখতে হচ্ছে’
খেলাপি ঋণের সংস্কৃতি
খেলাপি ঋণের সংস্কৃতি
জীবন্ত কিংবদন্তি দেশনেত্রী খালেদা জিয়া
জীবন্ত কিংবদন্তি দেশনেত্রী খালেদা জিয়া
সম্প্রীতি ও দেশপ্রেমের প্রতীক বেগম খালেদা জিয়া
সম্প্রীতি ও দেশপ্রেমের প্রতীক বেগম খালেদা জিয়া
দেশনেত্রীর জন্য জাতির প্রার্থনা
দেশনেত্রীর জন্য জাতির প্রার্থনা
ঢাকায় বড় ভূমিকম্প ও কৌশলগত বাস্তবতা
ঢাকায় বড় ভূমিকম্প ও কৌশলগত বাস্তবতা
সর্বশেষ খবর
প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির অবদানে মুগ্ধ কানাডার ফেডারেল এমপি
প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির অবদানে মুগ্ধ কানাডার ফেডারেল এমপি

এই মাত্র | পরবাস

এশিয়ায় বন্যায় মৃতের সংখ্যা ১৭৫০ ছাড়াল
এশিয়ায় বন্যায় মৃতের সংখ্যা ১৭৫০ ছাড়াল

১১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীমঙ্গলে ইনার হুইল ক্লাবের উদ্যোগে উন্নয়ন উপকরণ বিতরণ
শ্রীমঙ্গলে ইনার হুইল ক্লাবের উদ্যোগে উন্নয়ন উপকরণ বিতরণ

১৫ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

জনবল সংকট, সিলেটে নড়বড়ে ক্যান্সার চিকিৎসা
জনবল সংকট, সিলেটে নড়বড়ে ক্যান্সার চিকিৎসা

৩৫ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করল পাকিস্তান
ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করল পাকিস্তান

৩৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসির জাদুতে এমএলএস কাপ জয় মায়ামির
মেসির জাদুতে এমএলএস কাপ জয় মায়ামির

৪৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর মামলায় আজ তৃতীয় দিনের সাক্ষ্য
মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর মামলায় আজ তৃতীয় দিনের সাক্ষ্য

৫৩ মিনিট আগে | জাতীয়

তুরস্কে বাস–লরি সংঘর্ষে নিহত ৭, আহত ১১
তুরস্কে বাস–লরি সংঘর্ষে নিহত ৭, আহত ১১

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনের তফসিল নিয়ে ইসির বৈঠক আজ
নির্বাচনের তফসিল নিয়ে ইসির বৈঠক আজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ১১৪ জনের মরদেহ তোলা হচ্ছে আজ
জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ১১৪ জনের মরদেহ তোলা হচ্ছে আজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিক্ষকদের শাটডাউন স্থগিত: প্রাথমিকে সব শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা শুরু আজ
শিক্ষকদের শাটডাউন স্থগিত: প্রাথমিকে সব শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা শুরু আজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আলাস্কায় ৭ মাত্রার ভূমিকম্প, কাঁপল কানাডাও
আলাস্কায় ৭ মাত্রার ভূমিকম্প, কাঁপল কানাডাও

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পশ্চিম তীর দখল নিয়ে ইসরায়েলকে সতর্ক করল জার্মানি
পশ্চিম তীর দখল নিয়ে ইসরায়েলকে সতর্ক করল জার্মানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বায়ুদূষণের শীর্ষে লাহোর, ঢাকার পরিস্থিতি কেমন?
বায়ুদূষণের শীর্ষে লাহোর, ঢাকার পরিস্থিতি কেমন?

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৭ ডিসেম্বর)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৭ ডিসেম্বর)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এশিয়ার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ বন্যপশু পাচারকারী গ্রেফতার
এশিয়ার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ বন্যপশু পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লিডসের কাছে হেরে গেল চেলসি
লিডসের কাছে হেরে গেল চেলসি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাকার আকাশ আজ থাকতে পারে মেঘলা
ঢাকার আকাশ আজ থাকতে পারে মেঘলা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

লেবাননে জাতিসংঘ টহলদলের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ৬
লেবাননে জাতিসংঘ টহলদলের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ৬

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাফা ক্রসিং নিয়ে ইসরায়েলি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান আরব দেশগুলোর
রাফা ক্রসিং নিয়ে ইসরায়েলি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান আরব দেশগুলোর

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীতে কাঁপছে তেঁতুলিয়া
শীতে কাঁপছে তেঁতুলিয়া

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৭ ডিসেম্বর : আজকের নামাজের সময়সূচি
৭ ডিসেম্বর : আজকের নামাজের সময়সূচি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ভারতে নাইটক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৩
ভারতে নাইটক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৩

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টিভিতে আজকের কোন খেলা কোথায় দেখবেন
টিভিতে আজকের কোন খেলা কোথায় দেখবেন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাপের সীমানায়ও পা ফেলা যাবে না
পাপের সীমানায়ও পা ফেলা যাবে না

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

রাজধানী ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি
রাজধানী ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ রবিবার
রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যেসব আমলে দ্বিগুণ প্রতিদান পাওয়া যায়
যেসব আমলে দ্বিগুণ প্রতিদান পাওয়া যায়

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

অসুস্থ সাদ (রা.)-কে দেখতে গিয়ে মহানবী (সা.)-এর উপদেশ
অসুস্থ সাদ (রা.)-কে দেখতে গিয়ে মহানবী (সা.)-এর উপদেশ

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

তোরেসের হ্যাটট্রিকে বেতিসকে উড়িয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা
তোরেসের হ্যাটট্রিকে বেতিসকে উড়িয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
ভারতেই থাকবেন কি না, সিদ্ধান্ত শেখ হাসিনাই নেবেন: এস জয়শঙ্কর
ভারতেই থাকবেন কি না, সিদ্ধান্ত শেখ হাসিনাই নেবেন: এস জয়শঙ্কর

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান নয়, নিরাপত্তার জন্য ইসরায়েলই বড় হুমকি : সৌদির সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান
ইরান নয়, নিরাপত্তার জন্য ইসরায়েলই বড় হুমকি : সৌদির সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনের বিরুদ্ধে কঠিন প্রতিশোধের ঘোষণা চেচেন নেতা রমজান কাদিরভের
ইউক্রেনের বিরুদ্ধে কঠিন প্রতিশোধের ঘোষণা চেচেন নেতা রমজান কাদিরভের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসিম মুনিরের হাতে পাকিস্তানের পরমাণু ভান্ডারের চাবি
আসিম মুনিরের হাতে পাকিস্তানের পরমাণু ভান্ডারের চাবি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেভাবে এশিয়ার সবচেয়ে দুর্বল মুদ্রায় পরিণত হলো ভারতীয় রুপি
যেভাবে এশিয়ার সবচেয়ে দুর্বল মুদ্রায় পরিণত হলো ভারতীয় রুপি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পিয়াজের দাম দুই দিনে ৩৫ টাকা বেড়েছে
পিয়াজের দাম দুই দিনে ৩৫ টাকা বেড়েছে

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আফগান ক্রিকেটারকে বিয়ে করছেন বলিউড অভিনেত্রী: রিপোর্ট
আফগান ক্রিকেটারকে বিয়ে করছেন বলিউড অভিনেত্রী: রিপোর্ট

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে: কায়কোবাদ
তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে: কায়কোবাদ

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

স্বাস্থ্যের ডিজির সঙ্গে তর্ক: চিকিৎসককে অব্যাহতি-শোকজ
স্বাস্থ্যের ডিজির সঙ্গে তর্ক: চিকিৎসককে অব্যাহতি-শোকজ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যে কারণে বিশ্বের ধনকুবেরদের সবচেয়ে পছন্দের ঠিকানা দুবাই
যে কারণে বিশ্বের ধনকুবেরদের সবচেয়ে পছন্দের ঠিকানা দুবাই

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অনির্দিষ্টকালের জন্য মোবাইল দোকান বন্ধ
অনির্দিষ্টকালের জন্য মোবাইল দোকান বন্ধ

৯ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

‘শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করছে খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রা’
‘শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করছে খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রা’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইপিএল থেকে অবসর নেওয়ার পর রাসেলের বিশ্বরেকর্ড
আইপিএল থেকে অবসর নেওয়ার পর রাসেলের বিশ্বরেকর্ড

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তাসফিনের হাত পুনঃসংযোজন এক বিরল সাফল্য: রিজভী
তাসফিনের হাত পুনঃসংযোজন এক বিরল সাফল্য: রিজভী

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

এবার হিন্দু রীতিতে সাতপাকে ঘুরলেন সারা খান
এবার হিন্দু রীতিতে সাতপাকে ঘুরলেন সারা খান

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে জুবাইদা রহমান
খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে জুবাইদা রহমান

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমানে শালীন পোশাকের পরামর্শ মার্কিন মন্ত্রীর, প্রতিবাদে যা করলেন যাত্রীরা
বিমানে শালীন পোশাকের পরামর্শ মার্কিন মন্ত্রীর, প্রতিবাদে যা করলেন যাত্রীরা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপাতত বিদেশ থেকে চিনি আমদানি বন্ধ: শিল্প উপদেষ্টা
আপাতত বিদেশ থেকে চিনি আমদানি বন্ধ: শিল্প উপদেষ্টা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শাহ আমানত বিমানবন্দরে পড়ে ছিল মালিকবিহীন ছয় লাগেজ, খোলার পর যা মিলল
শাহ আমানত বিমানবন্দরে পড়ে ছিল মালিকবিহীন ছয় লাগেজ, খোলার পর যা মিলল

১৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

পোস্টাল ভোট: সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধন শুরু তফসিল ঘোষণার দিন
পোস্টাল ভোট: সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধন শুরু তফসিল ঘোষণার দিন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তারেক রহমান দেশে ফিরবেন, তার নেতৃত্বেই নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি : আমীর খসরু
তারেক রহমান দেশে ফিরবেন, তার নেতৃত্বেই নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি : আমীর খসরু

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার পেছনের কারণ জানাল হত্যাকারী
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার পেছনের কারণ জানাল হত্যাকারী

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুস্তাফিজের দারুণ বোলিং, তবুও হারল দুবাই
মুস্তাফিজের দারুণ বোলিং, তবুও হারল দুবাই

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘হিউম্যান রাইটস টিউলিপ’ অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন পেলেন সানজিদা
‘হিউম্যান রাইটস টিউলিপ’ অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন পেলেন সানজিদা

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রবিবার থেকে বার্ষিক পরীক্ষা নেবেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা
রবিবার থেকে বার্ষিক পরীক্ষা নেবেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে শুনানিতে সম্মত যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে শুনানিতে সম্মত যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে আত্মহত্যার হার নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে আত্মহত্যার হার নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকারে গেলে প্রাইভেট সেক্টরেও শুক্র-শনি ছুটি ঘোষণা করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
সরকারে গেলে প্রাইভেট সেক্টরেও শুক্র-শনি ছুটি ঘোষণা করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চিড়িয়াখানায় সিংহের খাঁচায় ঢুকে নিহত ১৯ বছরের কিশোর
চিড়িয়াখানায় সিংহের খাঁচায় ঢুকে নিহত ১৯ বছরের কিশোর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ বন্যপশু পাচারকারী গ্রেফতার
এশিয়ার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ বন্যপশু পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
বাইরে পজিটিভ ভিতরে নেগেটিভ
বাইরে পজিটিভ ভিতরে নেগেটিভ

প্রথম পৃষ্ঠা

জোটের হিসাবে গোলমাল
জোটের হিসাবে গোলমাল

প্রথম পৃষ্ঠা

নীরবে জামিনে মুক্ত স্বাস্থ্যের মাফিয়া মিঠু
নীরবে জামিনে মুক্ত স্বাস্থ্যের মাফিয়া মিঠু

প্রথম পৃষ্ঠা

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পরই নির্বাচনি তফসিল
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পরই নির্বাচনি তফসিল

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সেমিতে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা লড়াই?
সেমিতে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা লড়াই?

মাঠে ময়দানে

সাড়ে চার শ নারী পুরুষ ও শিশুকে ট্রেনে তুলে হত্যা
সাড়ে চার শ নারী পুরুষ ও শিশুকে ট্রেনে তুলে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

পর্যাপ্ত মজুতেও অস্থির পিঁয়াজের বাজার
পর্যাপ্ত মজুতেও অস্থির পিঁয়াজের বাজার

পেছনের পৃষ্ঠা

ঠাকুরগাঁওয়ে মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত
ঠাকুরগাঁওয়ে মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

হকিতে কোরিয়াকে প্রথম হারাল বাংলাদেশ
হকিতে কোরিয়াকে প্রথম হারাল বাংলাদেশ

মাঠে ময়দানে

৫ লাখের ‘সুজন সখী’র আয় কোটি টাকা
৫ লাখের ‘সুজন সখী’র আয় কোটি টাকা

শোবিজ

মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা
মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

আবেগী বিপাশা
আবেগী বিপাশা

শোবিজ

অবৈধ অস্ত্রে নিরাপত্তাশঙ্কা
অবৈধ অস্ত্রে নিরাপত্তাশঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

সমাজ মাধ্যমে তারকাদের কত কাহিনি
সমাজ মাধ্যমে তারকাদের কত কাহিনি

শোবিজ

হাসিনা ভারতে থাকবেন কি না সিদ্ধান্ত তার
হাসিনা ভারতে থাকবেন কি না সিদ্ধান্ত তার

প্রথম পৃষ্ঠা

গ্রিভসের ডাবল সেঞ্চুরিতে স্মরণীয় ড্র
গ্রিভসের ডাবল সেঞ্চুরিতে স্মরণীয় ড্র

মাঠে ময়দানে

পুলিশ কমিশন গণ-আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি
পুলিশ কমিশন গণ-আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি

প্রথম পৃষ্ঠা

দুঃসময়ে মোহামেডানের বড় জয়
দুঃসময়ে মোহামেডানের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

কাজের প্রেমে কনা...
কাজের প্রেমে কনা...

শোবিজ

স্টার্ক ঝলকে ব্রিসবেনে উজ্জ্বল অস্ট্রেলিয়া
স্টার্ক ঝলকে ব্রিসবেনে উজ্জ্বল অস্ট্রেলিয়া

মাঠে ময়দানে

তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কেন প্রয়োজন
তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কেন প্রয়োজন

সম্পাদকীয়

ফ্যাসিজমের কালো ছায়া যায়নি
ফ্যাসিজমের কালো ছায়া যায়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

ভূমিকম্প থেকে বাঁচার কোরআনি আমল
ভূমিকম্প থেকে বাঁচার কোরআনি আমল

সম্পাদকীয়

যাযাবর জাতির বিচিত্র জীবন
যাযাবর জাতির বিচিত্র জীবন

রকমারি

রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের ভবনে আগুন
রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের ভবনে আগুন

পূর্ব-পশ্চিম

কাজ বন্ধ রেখে উধাও ঠিকাদার
কাজ বন্ধ রেখে উধাও ঠিকাদার

দেশগ্রাম

অস্ট্রেলিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ভয়াবহ দাবানল
অস্ট্রেলিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ভয়াবহ দাবানল

পূর্ব-পশ্চিম

জৈবকৃষির সম্ভাবনায় জেগে ওঠা এক গ্রাম
জৈবকৃষির সম্ভাবনায় জেগে ওঠা এক গ্রাম

সম্পাদকীয়

কারাগারে ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ
কারাগারে ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ

পূর্ব-পশ্চিম