শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:৪৭, রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫

নির্বাচন নিয়ে সংশয়ের অবসান

খায়রুল কবির খোকন
অনলাইন ভার্সন
নির্বাচন নিয়ে সংশয়ের অবসান

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড, মুহাম্মদ ইউনুস জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে একই দিন গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছেন। বলেছেন, নির্বাচন ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণায় এ-সংক্রান্ত অনিশ্চয়তার অবসান ঘটল। জুলাই সনদ অনুমোদনে গণভোট নিয়ে দানা বেঁধে উঠেছিল রাজনৈতিক সংকট। বিএনপিসহ সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজনৈতিক দলগুলো জাতীয় নির্বাচনের দিনই গণভোটের প্রস্তাব দেয়। তাদের বক্তব্য ছিল, গণভোটের প্রতি মানুষের আগ্রহ কম। ফলে প্রথমে গণভোট হলে খুব কমসংখ্যক ভোটার তাতে অংশ নেবে। এর ফলে পতিত স্বৈরাচারের দোসররা সে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ পাবে। গণভোটের সূত্র ধরে কোনোভাবে জাতীয় নির্বাচন পেছালে বিদ্যমান সংকট আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা ছিল। আলাদাভাবে গণভোটের আয়োজনও ব্যয়বহুল বলে বিবেচিত হতো।

জট বেঁধেছিল উচ্চকক্ষে পিআর পদ্ধতি প্রবর্তন নিয়ে। এ পদ্ধতির বিরোধিতা করেছে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো। কারণটি খুব স্পষ্ট। এতে ঐক্যের পরিবর্তে বিভক্তিমূলক সমাজ এবং অস্থিতিশীল সরকার অনিবার্য হয়ে উঠতে পারে। যেমনটি হয়েছে নেপালসহ বিভিন্ন দেশে। আমাদের জানা মতে, এশিয়ায় প্রথম পিআর পদ্ধতি চালু হয় ইসরায়েলে। সংস্কার সংলাপের সিদ্ধান্ত গ্রহণকালে বেশির ভাগ দল ওই প্রস্তাবের ওপর ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছে। সংবিধান সংস্কারসংক্রান্ত আরও কিছু প্রস্তাবে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ রয়েছে। সংসদের উচ্চকক্ষ গঠনে পিআর এর বিষয়টি চাপিয়ে দেওয়া হলে রাজনৈতিকভাবে তা মোকাবিলারও সিদ্ধান্ত নেয় বিএনপি। জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি উচ্চকক্ষে পিআর পদ্ধতির দাবিতে ছিল অনড়। জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটের দাবিতেও তারা ছিল অটল। এজন্য সরকারের ওপর নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছিল।

জুলাই সনদ একটি সুবিস্তৃত বিষয়। সাধারণ মানুষের কাছে তো দূরের কথা, রাজনৈতিক সচেতন মহলের কাছেও বিষয়টি স্পষ্ট নয়। নির্বাচনের আগে গণভোট হলে তাতে অতীতের তিনটি গণভোটের মতো ভোটারশূন্য অবস্থার উদ্ভব ঘটত। এর ফলে নির্বাচনব্যবস্থার ওপর গত দেড় দশকে যে আস্থাহীনতা গড়ে উঠেছে তা আরও জেঁকে বসত। জাতীয় নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের অংশগ্রহণও তাতে হ্রাস পেত। প্রধান উপদেষ্টার সুস্পষ্ট ঘোষণা সে সংশয়ের ইতি ঘটিয়েছে।

গণতন্ত্র উদার ও সহনশীল সমাজ গঠনে অবদান রাখে। মৌলবাদ বা উগ্রবাদের সঙ্গে গণতন্ত্রের দ্বন্দ্ব এক চিরন্তন সত্য। আগামী নির্বাচনে গণতন্ত্রের স্বার্থে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের পক্ষের শক্তির জয় নিশ্চিত করতে হবে। একাত্তর ও চব্বিশের পরাজিত শক্তি জাতীয়তাবাদী শক্তিকে প্রতিহত করতে অশুভ ঐক্য গড়ে তুলতে পারে

জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে হলে ভোটার উপস্থিতি সন্তোষজনক পর্যায়ে উপনীত হবে বলে আশা করা যায়। প্রার্থীরা নিজেদের স্বার্থে ভোটাররা যাতে ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হয়, সে ব্যাপারে তাদের উদ্বুদ্ধ করবেন। এর ফলে ভোটার উপস্থিতি সন্তোষজনক হবে। ভোটাররা তাদের প্রার্থী নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটেও মতামত দেওয়ার সুযোগ পাবেন। বিশাল অঙ্কের অর্থ অপচয় থেকে দেশ রক্ষা পাবে।

জুলাই গণ অভ্যুত্থানের বিজয়ের পর থেকে প্রতিটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লবের অর্ধশত বার্ষিকীর তিন দিন আগে বিএনপি ৩০০ আসনবিশিষ্ট জাতীয় সংসদের ২৩২টি আসনে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে। দেশের প্রতিটি আসনে গড়ে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীর সংখ্যা ছিল পাঁচ থেকে ছয়। সবাই সুযোগ্য এবং দলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ। এদের মধ্য থেকে দলের প্রয়োজনে সময়ের বিচারে যাদের দরকার, শীর্ষ নেতৃত্ব তাদের মনোনয়ন দিয়েছেন। প্রতিটি আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা প্রায় হাফ ডজন হলেও তাদের সবাই স্বাধীনতার ঘোষক বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সৈনিক। বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। বিএনপি এমন একটি দল যে সংগঠনের নেতা-কর্মীরা শহীদ জিয়ার গড়া দলকে নিজেদের অস্তিত্বের অংশ বলে বিবেচনা করেন। এ দৃষ্টিকোণ থেকে দলের প্রার্থী ঘোষণের পর সবারই কর্তব্য ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের জয় নিশ্চিত করা।

এ উদ্দেশ্যে দলের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের এককাতারে সমবেত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, প্রার্থীদের সবাই শহীদ জিয়ার অনুসারী, খালেদা জিয়ার সৈনিক, বিএনপির কর্মী, ধানের শীষের সমর্থক। স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, ধানের শীষ জিতলেই কেবল তারা নিজেদের জয়ী ভাবতে পারবেন। ধানের শীষ জিতলেই জয়ী হবে দেশ এবং গণতন্ত্র।

আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নির্বাচন কমিশন যথাসময়ে নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বহুল প্রতীক্ষিত এই নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে গণতন্ত্রকামী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি যথাসম্ভব সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে। এর অংশ হিসেবে দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৩২টিতে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। দেশের প্রতিটি আসনে বিএনপির সুযোগ্য একাধিক প্রার্থী থাকলেও তারা স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন সংগ্রামের রাজপথের সঙ্গী মিত্র দলগুলোর জন্যও বেশ কিছু আসনে ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিএনপির দলীয় প্রার্থীদের মতো দলসমর্থিত প্রার্থীদের জয়ী করে আনতে সংশ্লিষ্ট এলাকার নেতা-কর্মী-সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করতে হবে। আগামী নির্বাচন দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নির্বাচন। এ নির্বাচনকে খাটো করে দেখা যাবে না। গণতন্ত্র উদার ও সহনশীল সমাজ গঠনে অবদান রাখে। মৌলবাদ বা উগ্রবাদের সঙ্গে গণতন্ত্রের দ্বন্দ্ব এক চিরন্তন সত্য। আগামী নির্বাচনে গণতন্ত্রের স্বার্থে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের পক্ষের শক্তির জয় নিশ্চিত করতে হবে। একাত্তর ও চব্বিশের পরাজিত শক্তি জাতীয়তাবাদী শক্তিকে প্রতিহত করতে অশুভ ঐক্য গড়ে তুলতে পারে।

জুলাই গণ অভ্যুত্থানে সাড়ে ১৫ বছরের স্বৈরশাসনের পতন ঘটেছে। কিন্তু দেশে নির্বাচিত সরকার এখনো প্রতিষ্ঠা হয়নি। গণতন্ত্রও এখনো ফিরে আসেনি। জুলাই গণ অভ্যুত্থানের বিজয় নস্যাৎ করতে পতিত স্বৈরাচারের দোসররা উঠেপড়ে লেগেছে। অশুভশক্তির ষড়যন্ত্র রোধে বাংলাদেশকে যারা একমাত্র ঠিকানা ভাবেন, তাদের সতর্ক থাকতে হবে। সবারই জানা, বিএনপির বিজয় ঠেকাতে পতিত স্বৈরাচার দেশে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল। দেশের নির্বাচনি ব্যবস্থাকে বিগত ১৫ বছরে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল। উদ্বেগ এবং আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশেও বিএনপির বিজয় ঠেকাতে সংঘবদ্ধ অপপ্রচারের আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী প্রতিটি মানুষকে এ ব্যাপারে সচেতন করে তুলতে হবে। ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। পতিত স্বৈরাচারের শাসনামলে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জনগণের কোনো আগ্রহ ছিল না। কয়েক কোটি তরুণ ভোটার প্রথম ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ। সর্বস্তরের মানুষ গভীর আগ্রহে তাকিয়ে আছে কবে আসবে তাদের কাঙ্ক্ষিত নির্বাচনের দিন। ঐতিহ্যগতভাবে এ দেশের মানুষ নির্বাচনপ্রিয়। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা নিজেদের কায়েমী স্বার্থ বজায় রাখতে নির্বাচন বিলম্বিত করার চেষ্টা চালাতে পারে। জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটের দাবি তোলা হয়েছিল নির্বাচন বিলম্বিত করতে। প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ মতলববাজদের সে অপচেষ্টাকে আপাতত থামিয়ে দিয়েছে। জুলাই গণ অভ্যুত্থানের অংশীজনদের দ্বন্দ্বে পতিত স্বৈরাচারের দোসররা জ্বালাও-পোড়াও কর্মসূচির মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছিল। নির্বাচন ও গণভোটসংক্রান্ত প্রশ্নের সমাধান ফ্যাসিবাদী শক্তির ষড়যন্ত্র রুখতে সাহায্য করবে।

লেখক : বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব, সাবেক সংসদ সদস্য ও ডাকসুর সাবেক জিএস

এই বিভাগের আরও খবর
বেগম খালেদা জিয়া গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অনুপ্রেরণা
বেগম খালেদা জিয়া গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অনুপ্রেরণা
তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কেন প্রয়োজন
তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কেন প্রয়োজন
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কিংবদন্তি
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কিংবদন্তি
চব্বিশের ধাক্কা যে শিক্ষা দিল
চব্বিশের ধাক্কা যে শিক্ষা দিল
নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা, প্রত্যাশা ও বাস্তবতা
নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা, প্রত্যাশা ও বাস্তবতা
ভারসাম্যহীনতা ডেকে আনে বিপর্যয়
ভারসাম্যহীনতা ডেকে আনে বিপর্যয়
‘তারেক রহমানকে দল ও দেশের স্বার্থ একই সাথে দেখতে হচ্ছে’
‘তারেক রহমানকে দল ও দেশের স্বার্থ একই সাথে দেখতে হচ্ছে’
খেলাপি ঋণের সংস্কৃতি
খেলাপি ঋণের সংস্কৃতি
জীবন্ত কিংবদন্তি দেশনেত্রী খালেদা জিয়া
জীবন্ত কিংবদন্তি দেশনেত্রী খালেদা জিয়া
সম্প্রীতি ও দেশপ্রেমের প্রতীক বেগম খালেদা জিয়া
সম্প্রীতি ও দেশপ্রেমের প্রতীক বেগম খালেদা জিয়া
দেশনেত্রীর জন্য জাতির প্রার্থনা
দেশনেত্রীর জন্য জাতির প্রার্থনা
ঢাকায় বড় ভূমিকম্প ও কৌশলগত বাস্তবতা
ঢাকায় বড় ভূমিকম্প ও কৌশলগত বাস্তবতা
সর্বশেষ খবর
এশিয়ায় বন্যায় মৃতের সংখ্যা ১৭৫০ ছাড়াল
এশিয়ায় বন্যায় মৃতের সংখ্যা ১৭৫০ ছাড়াল

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীমঙ্গলে ইনার হুইল ক্লাবের উদ্যোগে উন্নয়ন উপকরণ বিতরণ
শ্রীমঙ্গলে ইনার হুইল ক্লাবের উদ্যোগে উন্নয়ন উপকরণ বিতরণ

১০ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

জনবল সংকট, সিলেটে নড়বড়ে ক্যান্সার চিকিৎসা
জনবল সংকট, সিলেটে নড়বড়ে ক্যান্সার চিকিৎসা

৩০ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করল পাকিস্তান
ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করল পাকিস্তান

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসির জাদুতে এমএলএস কাপ জয় মায়ামির
মেসির জাদুতে এমএলএস কাপ জয় মায়ামির

৪৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর মামলায় আজ তৃতীয় দিনের সাক্ষ্য
মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর মামলায় আজ তৃতীয় দিনের সাক্ষ্য

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

তুরস্কে বাস–লরি সংঘর্ষে নিহত ৭, আহত ১১
তুরস্কে বাস–লরি সংঘর্ষে নিহত ৭, আহত ১১

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনের তফসিল নিয়ে ইসির বৈঠক আজ
নির্বাচনের তফসিল নিয়ে ইসির বৈঠক আজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ১১৪ জনের মরদেহ তোলা হচ্ছে আজ
জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ১১৪ জনের মরদেহ তোলা হচ্ছে আজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিক্ষকদের শাটডাউন স্থগিত: প্রাথমিকে সব শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা শুরু আজ
শিক্ষকদের শাটডাউন স্থগিত: প্রাথমিকে সব শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা শুরু আজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আলাস্কায় ৭ মাত্রার ভূমিকম্প, কাঁপল কানাডাও
আলাস্কায় ৭ মাত্রার ভূমিকম্প, কাঁপল কানাডাও

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পশ্চিম তীর দখল নিয়ে ইসরায়েলকে সতর্ক করল জার্মানি
পশ্চিম তীর দখল নিয়ে ইসরায়েলকে সতর্ক করল জার্মানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বায়ুদূষণের শীর্ষে লাহোর, ঢাকার পরিস্থিতি কেমন?
বায়ুদূষণের শীর্ষে লাহোর, ঢাকার পরিস্থিতি কেমন?

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৭ ডিসেম্বর)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৭ ডিসেম্বর)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এশিয়ার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ বন্যপশু পাচারকারী গ্রেফতার
এশিয়ার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ বন্যপশু পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লিডসের কাছে হেরে গেল চেলসি
লিডসের কাছে হেরে গেল চেলসি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাকার আকাশ আজ থাকতে পারে মেঘলা
ঢাকার আকাশ আজ থাকতে পারে মেঘলা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

লেবাননে জাতিসংঘ টহলদলের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ৬
লেবাননে জাতিসংঘ টহলদলের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ৬

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাফা ক্রসিং নিয়ে ইসরায়েলি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান আরব দেশগুলোর
রাফা ক্রসিং নিয়ে ইসরায়েলি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান আরব দেশগুলোর

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীতে কাঁপছে তেঁতুলিয়া
শীতে কাঁপছে তেঁতুলিয়া

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৭ ডিসেম্বর : আজকের নামাজের সময়সূচি
৭ ডিসেম্বর : আজকের নামাজের সময়সূচি

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ভারতে নাইটক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৩
ভারতে নাইটক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৩

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টিভিতে আজকের কোন খেলা কোথায় দেখবেন
টিভিতে আজকের কোন খেলা কোথায় দেখবেন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাপের সীমানায়ও পা ফেলা যাবে না
পাপের সীমানায়ও পা ফেলা যাবে না

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

রাজধানী ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি
রাজধানী ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ রবিবার
রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যেসব আমলে দ্বিগুণ প্রতিদান পাওয়া যায়
যেসব আমলে দ্বিগুণ প্রতিদান পাওয়া যায়

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

অসুস্থ সাদ (রা.)-কে দেখতে গিয়ে মহানবী (সা.)-এর উপদেশ
অসুস্থ সাদ (রা.)-কে দেখতে গিয়ে মহানবী (সা.)-এর উপদেশ

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

তোরেসের হ্যাটট্রিকে বেতিসকে উড়িয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা
তোরেসের হ্যাটট্রিকে বেতিসকে উড়িয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ঢাকাস্থ বগুড়াবাসীর দোয়া মাহফিল
খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ঢাকাস্থ বগুড়াবাসীর দোয়া মাহফিল

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ভারতেই থাকবেন কি না, সিদ্ধান্ত শেখ হাসিনাই নেবেন: এস জয়শঙ্কর
ভারতেই থাকবেন কি না, সিদ্ধান্ত শেখ হাসিনাই নেবেন: এস জয়শঙ্কর

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান নয়, নিরাপত্তার জন্য ইসরায়েলই বড় হুমকি : সৌদির সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান
ইরান নয়, নিরাপত্তার জন্য ইসরায়েলই বড় হুমকি : সৌদির সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনের বিরুদ্ধে কঠিন প্রতিশোধের ঘোষণা চেচেন নেতা রমজান কাদিরভের
ইউক্রেনের বিরুদ্ধে কঠিন প্রতিশোধের ঘোষণা চেচেন নেতা রমজান কাদিরভের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসিম মুনিরের হাতে পাকিস্তানের পরমাণু ভান্ডারের চাবি
আসিম মুনিরের হাতে পাকিস্তানের পরমাণু ভান্ডারের চাবি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেভাবে এশিয়ার সবচেয়ে দুর্বল মুদ্রায় পরিণত হলো ভারতীয় রুপি
যেভাবে এশিয়ার সবচেয়ে দুর্বল মুদ্রায় পরিণত হলো ভারতীয় রুপি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পিয়াজের দাম দুই দিনে ৩৫ টাকা বেড়েছে
পিয়াজের দাম দুই দিনে ৩৫ টাকা বেড়েছে

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আফগান ক্রিকেটারকে বিয়ে করছেন বলিউড অভিনেত্রী: রিপোর্ট
আফগান ক্রিকেটারকে বিয়ে করছেন বলিউড অভিনেত্রী: রিপোর্ট

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে: কায়কোবাদ
তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে: কায়কোবাদ

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

স্বাস্থ্যের ডিজির সঙ্গে তর্ক: চিকিৎসককে অব্যাহতি-শোকজ
স্বাস্থ্যের ডিজির সঙ্গে তর্ক: চিকিৎসককে অব্যাহতি-শোকজ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যে কারণে বিশ্বের ধনকুবেরদের সবচেয়ে পছন্দের ঠিকানা দুবাই
যে কারণে বিশ্বের ধনকুবেরদের সবচেয়ে পছন্দের ঠিকানা দুবাই

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অনির্দিষ্টকালের জন্য মোবাইল দোকান বন্ধ
অনির্দিষ্টকালের জন্য মোবাইল দোকান বন্ধ

৯ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

‘শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করছে খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রা’
‘শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করছে খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রা’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইপিএল থেকে অবসর নেওয়ার পর রাসেলের বিশ্বরেকর্ড
আইপিএল থেকে অবসর নেওয়ার পর রাসেলের বিশ্বরেকর্ড

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তাসফিনের হাত পুনঃসংযোজন এক বিরল সাফল্য: রিজভী
তাসফিনের হাত পুনঃসংযোজন এক বিরল সাফল্য: রিজভী

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে জুবাইদা রহমান
খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে জুবাইদা রহমান

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এবার হিন্দু রীতিতে সাতপাকে ঘুরলেন সারা খান
এবার হিন্দু রীতিতে সাতপাকে ঘুরলেন সারা খান

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বিমানে শালীন পোশাকের পরামর্শ মার্কিন মন্ত্রীর, প্রতিবাদে যা করলেন যাত্রীরা
বিমানে শালীন পোশাকের পরামর্শ মার্কিন মন্ত্রীর, প্রতিবাদে যা করলেন যাত্রীরা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপাতত বিদেশ থেকে চিনি আমদানি বন্ধ: শিল্প উপদেষ্টা
আপাতত বিদেশ থেকে চিনি আমদানি বন্ধ: শিল্প উপদেষ্টা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শাহ আমানত বিমানবন্দরে পড়ে ছিল মালিকবিহীন ছয় লাগেজ, খোলার পর যা মিলল
শাহ আমানত বিমানবন্দরে পড়ে ছিল মালিকবিহীন ছয় লাগেজ, খোলার পর যা মিলল

১৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

পোস্টাল ভোট: সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধন শুরু তফসিল ঘোষণার দিন
পোস্টাল ভোট: সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধন শুরু তফসিল ঘোষণার দিন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তারেক রহমান দেশে ফিরবেন, তার নেতৃত্বেই নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি : আমীর খসরু
তারেক রহমান দেশে ফিরবেন, তার নেতৃত্বেই নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি : আমীর খসরু

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার পেছনের কারণ জানাল হত্যাকারী
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার পেছনের কারণ জানাল হত্যাকারী

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘হিউম্যান রাইটস টিউলিপ’ অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন পেলেন সানজিদা
‘হিউম্যান রাইটস টিউলিপ’ অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন পেলেন সানজিদা

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মুস্তাফিজের দারুণ বোলিং, তবুও হারল দুবাই
মুস্তাফিজের দারুণ বোলিং, তবুও হারল দুবাই

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রবিবার থেকে বার্ষিক পরীক্ষা নেবেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা
রবিবার থেকে বার্ষিক পরীক্ষা নেবেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে শুনানিতে সম্মত যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে শুনানিতে সম্মত যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে আত্মহত্যার হার নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে আত্মহত্যার হার নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকারে গেলে প্রাইভেট সেক্টরেও শুক্র-শনি ছুটি ঘোষণা করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
সরকারে গেলে প্রাইভেট সেক্টরেও শুক্র-শনি ছুটি ঘোষণা করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চিড়িয়াখানায় সিংহের খাঁচায় ঢুকে নিহত ১৯ বছরের কিশোর
চিড়িয়াখানায় সিংহের খাঁচায় ঢুকে নিহত ১৯ বছরের কিশোর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ বন্যপশু পাচারকারী গ্রেফতার
এশিয়ার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ বন্যপশু পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
বাইরে পজিটিভ ভিতরে নেগেটিভ
বাইরে পজিটিভ ভিতরে নেগেটিভ

প্রথম পৃষ্ঠা

জোটের হিসাবে গোলমাল
জোটের হিসাবে গোলমাল

প্রথম পৃষ্ঠা

নীরবে জামিনে মুক্ত স্বাস্থ্যের মাফিয়া মিঠু
নীরবে জামিনে মুক্ত স্বাস্থ্যের মাফিয়া মিঠু

প্রথম পৃষ্ঠা

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পরই নির্বাচনি তফসিল
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পরই নির্বাচনি তফসিল

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সেমিতে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা লড়াই?
সেমিতে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা লড়াই?

মাঠে ময়দানে

সাড়ে চার শ নারী পুরুষ ও শিশুকে ট্রেনে তুলে হত্যা
সাড়ে চার শ নারী পুরুষ ও শিশুকে ট্রেনে তুলে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

পর্যাপ্ত মজুতেও অস্থির পিঁয়াজের বাজার
পর্যাপ্ত মজুতেও অস্থির পিঁয়াজের বাজার

পেছনের পৃষ্ঠা

ঠাকুরগাঁওয়ে মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত
ঠাকুরগাঁওয়ে মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

হকিতে কোরিয়াকে প্রথম হারাল বাংলাদেশ
হকিতে কোরিয়াকে প্রথম হারাল বাংলাদেশ

মাঠে ময়দানে

৫ লাখের ‘সুজন সখী’র আয় কোটি টাকা
৫ লাখের ‘সুজন সখী’র আয় কোটি টাকা

শোবিজ

মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা
মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

আবেগী বিপাশা
আবেগী বিপাশা

শোবিজ

অবৈধ অস্ত্রে নিরাপত্তাশঙ্কা
অবৈধ অস্ত্রে নিরাপত্তাশঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

সমাজ মাধ্যমে তারকাদের কত কাহিনি
সমাজ মাধ্যমে তারকাদের কত কাহিনি

শোবিজ

হাসিনা ভারতে থাকবেন কি না সিদ্ধান্ত তার
হাসিনা ভারতে থাকবেন কি না সিদ্ধান্ত তার

প্রথম পৃষ্ঠা

গ্রিভসের ডাবল সেঞ্চুরিতে স্মরণীয় ড্র
গ্রিভসের ডাবল সেঞ্চুরিতে স্মরণীয় ড্র

মাঠে ময়দানে

পুলিশ কমিশন গণ-আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি
পুলিশ কমিশন গণ-আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি

প্রথম পৃষ্ঠা

দুঃসময়ে মোহামেডানের বড় জয়
দুঃসময়ে মোহামেডানের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

কাজের প্রেমে কনা...
কাজের প্রেমে কনা...

শোবিজ

স্টার্ক ঝলকে ব্রিসবেনে উজ্জ্বল অস্ট্রেলিয়া
স্টার্ক ঝলকে ব্রিসবেনে উজ্জ্বল অস্ট্রেলিয়া

মাঠে ময়দানে

তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কেন প্রয়োজন
তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কেন প্রয়োজন

সম্পাদকীয়

ফ্যাসিজমের কালো ছায়া যায়নি
ফ্যাসিজমের কালো ছায়া যায়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

ভূমিকম্প থেকে বাঁচার কোরআনি আমল
ভূমিকম্প থেকে বাঁচার কোরআনি আমল

সম্পাদকীয়

রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের ভবনে আগুন
রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের ভবনে আগুন

পূর্ব-পশ্চিম

যাযাবর জাতির বিচিত্র জীবন
যাযাবর জাতির বিচিত্র জীবন

রকমারি

কাজ বন্ধ রেখে উধাও ঠিকাদার
কাজ বন্ধ রেখে উধাও ঠিকাদার

দেশগ্রাম

অস্ট্রেলিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ভয়াবহ দাবানল
অস্ট্রেলিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ভয়াবহ দাবানল

পূর্ব-পশ্চিম

জৈবকৃষির সম্ভাবনায় জেগে ওঠা এক গ্রাম
জৈবকৃষির সম্ভাবনায় জেগে ওঠা এক গ্রাম

সম্পাদকীয়

কারাগারে ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ
কারাগারে ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ

পূর্ব-পশ্চিম