শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৭ ২৩:৫৪

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথ

দ্রুতগতির ডুয়েলগেজ নির্মাণের পরিকল্পনা রেলওয়ের

সাইদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম

দ্রুতগতির ডুয়েলগেজ নির্মাণের পরিকল্পনা রেলওয়ের

রেলওয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) প্রকৌশলী আমজাদ হোসেন বলেছেন, ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের দূরত্ব কমিয়ে আনতে দ্রুতগতির ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অগ্রাধিকার প্রকল্প দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের কাজ আগামী মাসের মধ্যে চূড়ান্তভাবে শুরু হবে।’ এ ছাড়া চট্টগ্রামের চুয়েটে রেললাইন নির্মাণ, কালুরঘাট সেতুসহ বেশ কয়েকটি উন্নয়নমূলক কাজের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি। ডিজি আমজাদ হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, কর্ণফুলী নদীর কালুরঘাটে একটি এক্সট্রা ডোজট টাইপ ব্রিজ তৈরি করা হবে। চট্টগ্রাম বন্দর, অর্থনৈতিক অঞ্চল ও কক্সবাজারকে ঘিরে রেলওয়ে অবকাঠামো উন্নয়নে বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে বেশ কিছু প্রকল্পের কাজ শেষ পর্যায়ে। চট্টগ্রাম বন্দরের বে-টার্মিনাল ও মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল সামনে রেখে পণ্য পরিবহনের প্রয়োজনে রেলওয়ে রেললাইন সম্প্রসারণ, কোচ ও ইঞ্জিন আমদানির পরিকল্পনা করছে। কালুরঘাট সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হলে ঢাকাসহ সারা দেশ থেকে সরাসরি কক্সবাজারে দ্রুতগামী ট্রেন পরিচালনা করা সম্ভব হবে। এতে রেলের আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের পর্যটন অর্থনীতি আরও চাঙা হবে। ইতিমধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে ১৪০ কিলোমিটার গতিবেগের রেলপথ নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ চলছে। এ সময় চট্টগ্রামে চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেছেন বলে জানান রেলওয়ে মহাপরিচালক। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ বন্ধ থাকায় রেলের লোকবলের সংকট তীব্র। এর ওপর নতুন নতুন ট্রেন সার্ভিস চালু করায় কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রদান কঠিন হয়ে পড়েছে। এর পরও রেলওয়ে ইতিমধ্যে ইঞ্জিন সংকট কাটাতে ৭০ লোকোমোটিভ আমদানির প্রক্রিয়া শুরু করেছে। কোচ আমদানির পর ইঞ্জিনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলে রেলওয়ে বর্তমান অবকাঠামো দিয়ে দ্বিগুণ যাত্রী ও পণ্য পরিবহন করতে পারবে বলে জানান তিনি। আমজাদ হোসেন বলেন, সর্বশেষ অর্থবছরে রেলওয়ে আগের বছরের চেয়ে ৪০০ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আয় করেছে। চলতি অর্থবছর রেলের আয় ২ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। রেলের অবকাঠামো উন্নয়ন বজায় রাখার পাশাপাশি খরচ কমিয়ে কাজ করলে কয়েক বছরের মধ্যে রেলওয়ে আবারও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে বলে আশা করেন তিনি।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর