শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৫ এপ্রিল, ২০১৮ ২৩:০১

মুক্তিযুদ্ধের ট্যাংক উপহার দিল ভারত

নিজস্ব প্রতিবেদক

মুক্তিযুদ্ধের ট্যাংক উপহার দিল ভারত
Google News

মুক্তিযুদ্ধে পাকসেনাদের পরাস্ত করতে যৌথবাহিনীর অংশ হিসেবে ভারতীর সশস্ত্র বাহিনী ব্যবহার করেছিল উভচর ট্যাংক। আর আকাশ পথে দ্রুত শত্রু ঘায়েল করতে ব্যবহার হয়েছিল এমআই-৪ হেলিকপ্টার। মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহূত এ স্মারক দুটি গতকাল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেছেন ভারতের হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। বিমানবাহিনীর ঘাঁটি বাশারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি স্মারক দুটি হস্তান্তর করেন। আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) জানায়, পিটি-৭৬ মডেলের ট্যাংক দুটি গ্রহণ করেন সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) লে. জেনারেল নাজিম উদ্দিন। আর এমআই-৪ মডেলের কপ্টারটি গ্রহণ করেন সহকারী বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল আবুল বাশার। অনুষ্ঠানে ভারতের হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বলেন, ২০১৭ সালের ২২ অক্টোবর বাংলাদেশ সফরকালে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক উপহার দেন। স্মারকগুলোর মধ্যে ছিল— দুটি পিটি-৭৬ ট্যাংক, একটি এমআই-৪ হেলিকপ্টার ও ২৫টি অস্ত্র (পিস্তল, রাইফেল, মেশিন গান, মর্টার, রকেট লঞ্চার)। তিনি বলেন, এসব স্মারকের অধিকাংশ বাংলাদেশের জাতীয় জাদুঘরে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন ট্যাংক ও কপ্টারের মতো বড় স্মারকগুলো সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হলো। এগুলো তাদের নিজস্ব জাদুঘরে প্রদর্শনের জন্য রাখা হবে। বড় দুটি স্মারকের ব্যাখ্যা দিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, পিটি-৭৬ ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীল আর্মার্ড রেজিমেন্টের হালকা ধরনের উভচর ট্যাংক। যুদ্ধের সময় নদী ও জলাশয় পারাপারে এই ট্যাংকগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পশ্চিম ও পশ্চিমাঞ্চলে পাকবাহিনীকে পিছু হটাতে এ ট্যাংকগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। অন্যদিকে এমআই-৪ হেলিকপ্টার ভারতীয় বিমানবাহিনীর পরিবহন হেলিকপ্টার হিসেবে ব্যবহূত হয়েছিল। পূর্বাঞ্চলে  যৌথ বাহিনীর আকাশ পথে পরিচালিত অপারেশনের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল এটি। সিলেটকে দ্রুত শত্রুমুক্ত করতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহূত স্মারক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।